kalerkantho

সোমবার । ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ৩০ নভেম্বর ২০২০। ১৪ রবিউস সানি ১৪৪২

ইসরায়েলের সঙ্গে স্বাভাবিক সম্পর্কের বিরোধী সংখ্যাগরিষ্ঠ আরব

অনলাইন ডেস্ক   

১২ অক্টোবর, ২০২০ ১২:৫১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ইসরায়েলের সঙ্গে স্বাভাবিক সম্পর্কের বিরোধী সংখ্যাগরিষ্ঠ আরব

ইসরায়েলের সঙ্গে স্বাভাবিক সম্পর্ক নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সংখ্যাগরিষ্ঠ আরবরা নেতিবাচক বলে জানা যায় এক পরিসংখ্যান থেকে।

গতকাল রবিবার (১২ অক্টোবর) স্বাভাবিক সম্পর্ক বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আরবদের মনোভাব নিয়ে ইসরায়েলের পরিকল্পনা বিষয়ক মন্ত্রণালয় এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

পরিসংখ্যান মতে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের শতকরা ৯০ ভাগ আরব ইসরায়েলের সঙ্গে স্বাভাবিক সম্পর্ক বিষয়ে নেতিবাচক মনোভাব পোষণ করে বলে জানা যায়। অপর দিকে শতকরা মাত্র পাঁচ ভাগ স্বাভাবিক সম্পর্ককে ইতিবাচক হিসেবে দেখেন। ইসরায়েলের সংবাদমাধ্যম ‘ওয়ালা’ এ খবর নিশ্চিত করে।

পরিসংখ্যানে আরো জানা যায়, স্বাভাবিক সম্পর্ক নিয়ে শতকরা ৯৫ ভাগ সমালোচনা সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতি, বাহরাইনের প্রতি নয়। আর আরব আমিরাতই স্বাভাবিক সম্পর্ক তৈরিতে প্রধান ভূমিকা পালন করে।

প্ররিসংখ্যান প্রতিবেদনে এ ধরনের তীব্র সমালোচনার জন্য ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষ, হামাস, হিজবুল্লাহ, ইরান ও ফিলিস্তিনভিত্তিক বিভিন্ন সামাজিক সংস্থাকে দায়ী করা হয়।

স্বাভাবিকব সম্পর্কের বিরুদ্ধে সমালোচনা কমাতে ইসরায়েলের মন্ত্রণালয়টি স্বাভাবিক সম্পর্কে নানাবিধ সুবিধার দিকে উপসাগরীয় দেশগুলোসহ সবার দৃষ্টি আকর্ষণের সুপারিশ করে। এ ছাড়া আরবি ভাষায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ইসরায়েলকে তৎপর হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

ইসরায়েলের পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় পরিসংখ্যানটি ১২ আগস্ট থেকে ৮ সেপ্টেম্বর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিরীক্ষার মাধ্যমে করা হয়। তা ছাড়া ১৫ সেপ্টেম্বর হোয়াইট হাউসে চুক্তি স্বাক্ষর আগেও নিরীক্ষা করা হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রধানত ফেসবুক ও টুইটার নিরীক্ষণ করেই পরিসংখ্যানটি প্রস্তুত করা হয়।

ইসরায়েলের পরিকল্পনামন্ত্রী ওরিট ফারকাশ হ্যাকোহেন প্রণীত পরিকল্পনার বাস্তবায়ন হিসেবে এই পরিসংখ্যানটি তৈরি করা হয়। ইসরায়েল বয়কটের বিরোধী কার্যক্রমের অংশ হিসেবে তা প্রণয়ন করা হয়। ইসরায়েলের প্রতি মানুষের ইতিবাচক মনোভাব তৈরিতে ফারকাশ হ্যাকোহেনের উদ্যোগে ইসরায়েলের মন্ত্রণালয়গুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিবিড় পর্যবেক্ষণ করছে। এটি স্বাভাবিক সম্পর্কের প্রতি আরব ও পশ্চিমা বিশ্বে ইতিবাচক জনমত গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।

সূত্র : আলজাজিরা ও নিউজ ওয়াল।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা