kalerkantho

সোমবার । ১৩ আশ্বিন ১৪২৭ । ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০। ১০ সফর ১৪৪২

ইসরায়েল আমিরাতের সম্পর্ক-চুক্তি প্রত্যাখ্যান ফিলিস্তিনের

অনলাইন ডেস্ক   

১৪ আগস্ট, ২০২০ ১২:৩২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ইসরায়েল আমিরাতের সম্পর্ক-চুক্তি প্রত্যাখ্যান ফিলিস্তিনের

ইসরায়েলের সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম রাষ্ট্র আরব আমিরাতের কূটনৈতিক সম্পর্ক তৈরির তীব্র সমালোচনা করে এ চুক্তিকে প্রত্যাখ্যান করেছেন ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস।

গতকাল বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) আরব আমিরাতের সঙ্গে ইসরাইলের ‘ঐতিহাসিক সম্পর্ক’ তৈরিকে ফিলিস্তিন ও আল আকসা মসজিদের সঙ্গে আমিরাতের বিশ্বাসঘাতকতা বলেছে ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষ।  তাছাড়া আবুধাবিতে নিযুক্ত ফিলিস্তেনের রাষ্ট্রদূতকে সরিয়ে নেওয়ারও চেষ্টা চালাচ্ছে ফিলিস্তিন।

আমেরিকার উদ্যোগে ইসরায়েল ও আমিরাত গতকাল হঠাৎ স্বাভাবিক সম্পর্ক গড়ার আহ্বান জানায়। আবুধাবি ও তেলআবিবের সম্পর্ক তৈরির চুক্তি ইসরায়েলের সঙ্গে উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে আমিরাতের সঙ্গে প্রথম হলো। অবশ্য ইতিপূর্বে ১৯৮৯ সালে মিশর ও ১৯৯৪ সালে জর্দানের সঙ্গে চুক্তি হয়েছিল।

তাছাড়া ইসরায়েল বিষয়ে সমাধানের জন্য আরব লিগ এবং ওআইসির জরুরি বৈঠক আহ্বানের দাবী জানায় ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষ।

ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস আমিরাতের এ চুক্তিকে ফিলিস্তিনের জনগনের অধিকারের প্রতি অবজ্ঞা বলে উল্লেখ করেছে। হামাসের এক বার্তায় আমিরাতের শান্তি চুক্তিকে ‘ফিলিস্তিনের মানুষের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার ছুরিকাঘাত’ বলে উল্লেখ করেছে।

চুক্তি সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্র, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইসরায়েলের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, ‘যুগান্তকারী এই চুক্তির মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যের অঞ্চলগুলো শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্ব দেওয়া হবে এবং এটি তিন নেতার (প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, যুবরাজ মুহাম্মাদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু) দূরদর্শিতা ও সাহসী কূটনীতির প্রমাণ বহন করে।’

চুক্তি মতে, ‘ইসরায়েল ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরের দখলকৃত অঞ্চল সম্প্রসারণ বন্ধ করবে এবং এখন থেকে আরব ও মুসলিমবিশ্বের সঙ্গে সম্পর্ক বৃদ্ধিতে নিজেদের তৎপরতা জোরদার করবে।’

যুক্তরাষ্ট্র, আরব আমিরাত ও ইসরায়েল আত্মবিশ্বাসী, অন্যান্য যেকোনো রাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলা সম্ভব এবং যেকোনো লক্ষ্য অর্জনে এক সঙ্গে কাজ করতে পারবে।

সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা