kalerkantho

শনিবার । ১১ আশ্বিন ১৪২৭ । ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০। ৮ সফর ১৪৪২

পাপমুক্ত জীবন গড়ব যেভাবে

অনলাইন ডেস্ক   

৭ আগস্ট, ২০২০ ১৭:১৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পাপমুক্ত জীবন গড়ব যেভাবে

পাপমুক্ত জীবনের অধিকারী আল্লাহর প্রিয় ব্যক্তি। পাপমুক্ত নিষ্কলুষ জীবন গড়ার মাধ্যমে মানুষকে আল্লহ তাঁর প্রিয় বান্দাদের অন্তর্ভূক্ত করে নেন। সব পাপ থেকে মুক্ত থাকতে আল্লাহ তাআলার কাছে বেশি বেশি দোয়া করা জরুরি। যেন তিনি অবাধ্যতা ও সব ধরনের গুনাহ থেকে রক্ষা করেন। এতে অন্তরও পশান্ত হয়। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘শুনে রাখো, আল্লাহর স্মরণের মাধ্যমে অন্তর প্রশান্ত হয়।’ (সুরা রাআদ, আয়াত : ২৮)

কিয়ামতের দিন গোপন পাপকারীদের আমলগুলো ধূলিকণার মতো উড়িয়ে দেওয়া হবে। হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, মহানবী (সা.) বলেন, ‘আমি আমার উম্মতের কিছু মানুষ সম্পর্কে জানি, যারা কিয়ামতের দিন তিহামার (বিখ্যাত পাহাড়) শুভ্র পর্বতমালা সমতুল্য নেক আমল নিয়ে উপস্থিত হবে। কিন্তু আল্লাহ সেগুলোকে বিক্ষিপ্ত ধূলিকণায় পরিণত করবেন। সাওবান (রা.) বলেন, হে আল্লাহর রাসুল! তাদের পরিচয় পরিষ্কারভাবে আমাদের কাছে বর্ণনা করুন, যাতে অজ্ঞাতসারে আমরা তাদের অন্তর্ভুক্ত না হই। তিনি বলেন, তারা তোমাদেরই ভ্রাতৃগোষ্ঠী এবং তোমাদের সম্প্রদায়ভুক্ত। তারা রাতের বেলা তোমাদের মতোই ইবাদত করবে। কিন্তু তারা এমন লোক, যারা একান্ত গোপনে আল্লাহর হারামকৃত কর্মে (গোপন গুনাহ) লিপ্ত হবে।’ (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ১৪১৮)

তাই সর্বদা অন্তরে আল্লাহ তাআলার উপস্থিতির কথা চিন্তা করা উচিত। অন্তরে আল্লাহর ভয় ও ভাব-গাম্ভীর্য তৈরি হলে অবৈধ কাজ থেকে বিরত থাকা সম্ভব। তাছাড়া অন্তরে এ চিন্তা থাকা দরকার, গুনাহের অবস্থায় মৃত্যু হলে আল্লাহ আচারণ কেমন হবে? মহানবী (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘প্রত্যেক ব্যক্তিকে (কিয়ামতের দিন) ওই অবস্থায় ওঠানো হবে, যে অবস্থায় সে মৃত্যুবরণ করেছে।’ (মুসলিম, হাদিস : ২২০৬)

তাই জীবনের প্রতি মুহূর্তকে মূল্য দিয়ে আল্লাহর নির্দেশনা মেনে জিকির ও দোয়া পাঠ করে নির্মল জীবন গড়া উচিত।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা