kalerkantho

সোমবার। ১৭ জুন ২০১৯। ৩ আষাঢ় ১৪২৬। ১৩ শাওয়াল ১৪৪০

ব্যক্তিত্ব

২০ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ব্যক্তিত্ব

বিপিনচন্দ্র পাল

বাগ্মী, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক ও লেখক বিপিনচন্দ্র পালের জন্ম তৎকালীন হবিগঞ্জ জেলায় ৭ নভেম্বর ১৮৫৮ সালে। তাঁর বাবার নাম রামচন্দ্র পাল। তিনি সিলেট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এন্ট্রান্স পরীক্ষায় পাস করে প্রেসিডেন্সি কলেজে ভর্তি হন; কিন্তু সেখান থেকে পাস করার আগেই পড়াশোনা ছেড়ে দেন। ১৮৭৯ সালে চাকরিজীবন শুরু করেন একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে। ১৮৯০-১৮৯১ পর্যন্ত তিনি কলকাতা পাবলিক লাইব্রেরির সম্পাদক এবং লাইব্রেরিয়ান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। কলকাতায় ছাত্রজীবনে তিনি কেশবচন্দ্র সেন, শিবনাথ শাস্ত্রী, বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামীর মতো বেশ কয়েকজন প্রখ্যাত ব্যক্তিত্বের সান্নিধ্যে আসেন। তাঁদের আদর্শে প্রভাবিত হয়ে তিনি ব্রাহ্ম আন্দোলনের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন এবং ব্রাহ্মধর্ম গ্রহণ করেন। সুরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জির প্রভাবে তিনি সক্রিয় রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। বাল গঙ্গাধর তিলক, লালা লাজপত রায় ও অরবিন্দ ঘোষের বুদ্ধিতে ক্রমে তিনি চরমপন্থী রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে তিনি অনলবর্ষী বক্তৃৃতা দিতেন। তাঁর আহ্বানে হাজার হাজার যুবক স্বাধীনতাসংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে। ১৯০৬ সালে তিনি ‘বন্দেমাতরম’ পত্রিকা প্রকাশ করেন। ১৯০৮ সালে ইংল্যান্ডে গিয়েও তিনি ‘স্বরাজ’ নামে একটি পত্রিকা সম্পাদনা করেন। ১৯২১ সালে অসহযোগ আন্দোলনের কর্মসূচিতে মহাত্মা গান্ধীর সঙ্গে মতের মিল না হওয়ায় তিনি রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ান। তিনি ব্রাহ্মত্ব কোনো দিন ত্যাগ করেননি; কিন্তু ক্রমে ধর্মমত পরিবর্তিত হয়ে ১৮৯৫ সালে বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামীর কাছে দীক্ষা নিয়ে বৈষ্ণব সাধনায় অনুরাগী হন। ১৯৩২ সালের ২০ মে তিনি মারা যান।

[উইকিপিডিয়া অবলম্বনে]

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা