kalerkantho

সোমবার। ১৭ জুন ২০১৯। ৩ আষাঢ় ১৪২৬। ১৩ শাওয়াল ১৪৪০

ব্যক্তিত্ব

১৯ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ব্যক্তিত্ব

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

কথাসাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম ভারতের বিহারের সাঁওতাল পরগনার দুমকা শহরে ১৯০৮ সালের ১৯ মে। তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল তৎকালীন ঢাকা জেলার বিক্রমপুরে। তাঁর বাবার নাম হরিহর বন্দ্যোপাধ্যায়। ১৯২৬ সালে মেদিনীপুর জেলা স্কুল থেকে তিনি এন্ট্রান্স পাস করেন। পরে বাঁকুড়া ওয়েসলিয়ন মিশন কলেজ থেকে ১৯২৮ সালে আইএসসি পাস করে তিনি কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে বিএসসিতে ভর্তি হন; কিন্তু পাঠ অসমাপ্ত রেখেই পেশাগত জীবনে প্রবেশ করেন। ১৯৩৪ থেকে ১৯৪০ সাল পর্যন্ত তিনি ‘উদয়াচল প্রিন্টিং অ্যান্ড পাবলিশিং হাউস’ পরিচালনা করেন। একই সঙ্গে তিনি বঙ্গশ্রী পত্রিকার সহকারী সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেন। কিছুদিন ভারত সরকারের ন্যাশনাল ওয়ার ফ্রন্টের প্রভিন্সিয়াল অর্গানাইজার এবং বেঙ্গল দপ্তরে প্রচার সহকারী পদেও কর্মরত ছিলেন। তিনি ছিলেন ত্রিশোত্তর বাংলা কথাসাহিত্যের শক্তিমান লেখক। স্নাতক শ্রেণিতে অধ্যয়নের সময় বিচিত্রা পত্রিকায় তাঁর প্রথম গল্প ‘অতসী মামী’ প্রকাশিত হলে পাঠক মহলে সাড়া ফেলে। পরে নিষ্ঠা ও অধ্যবসায়ের ফলে তিনি প্রতিষ্ঠিত লেখকের মর্যাদা লাভ করেন। ১৯৪৪ সালে তিনি কমিউনিস্ট পার্টির সক্রিয় সদস্য হন। ফ্যাসিবাদবিরোধী লেখক ও শিল্পীসঙ্ঘের সঙ্গে তিনি জড়িত ছিলেন। মানুষের মনোরহস্যের জটিলতা উন্মোচনে তিনি ছিলেন দক্ষ শিল্পী। শহরের পাশাপাশি গ্রামজীবনের দ্বন্দ্বসংকুল পটভূমিও তাঁর উপন্যাস ও গল্পে গুরুত্ব পেয়েছে। অর্ধশতাধিক উপন্যাস ও ২২৪টি গল্প রচনা করেছেন। উল্লেখযোগ্য উপন্যাস : জননী, দিবারাত্রির কাব্য, পদ্মা নদীর মাঝি, পুতুল নাচের ইতিকথা। ১৯৫৬ সালের ৩ ডিসেম্বর তিনি মারা যান।

[বাংলাপিডিয়া অবলম্বনে]

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা