kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২০ জুন ২০১৯। ৬ আষাঢ় ১৪২৬। ১৬ শাওয়াল ১৪৪০

ব্যক্তিত্ব

১৫ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ব্যক্তিত্ব

আবদুল আহাদ

সুরকার, প্রশিক্ষক ও গায়ক আবদুল আহাদের জন্ম রাজশাহীতে ১৯১৮ সালে। তাঁর বাবার নাম আবদুস সামাদ এবং মা হাসিনা খাতুন। তাঁর শৈশব ও কৈশোর কেটেছে পাবনায় নানার বাড়িতে। ১৯৩৬ সালে কলকাতায় অল বেঙ্গল মিউজিক প্রতিযোগিতায় ঠুংরি ও গজলে প্রথম স্থান অধিকার করে তিনি তৎকালীন সংগীতজগতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন। ১৯৩৮ সালে তিনি শান্তিনিকেতনে যান এবং কবিগুরুর কাছে শিক্ষা গ্রহণের সৌভাগ্য লাভ করেন। শান্তিনিকেতনের শিক্ষাজীবনে সাহিত্যসভা, গানের অনুষ্ঠান ও প্রার্থনা ঘরে তিনি গান পরিবেশন করতেন। বৈতালিক ও মন্দিরে সংগীত পরিবেশনের দায়িত্বও বেশির ভাগ সময় তাঁর ওপরই বর্তাত। শান্তিনিকেতনের শিক্ষাজীবন শেষে তিনি মুম্বাই চলে যান। পরে কলকাতায় ফিরে এসে তিনি গ্রামোফোন কম্পানি হিজ মাস্টার্স ভয়েসে রবীন্দ্রসংগীতের প্রশিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। তাঁর নিজের সুরারোপিত প্রথম আধুনিক গানের রেকর্ড এইচএমডি থেকে বের করেন সন্তোষ সেনগুপ্ত। ১৯৪৮ সালের মাঝামাঝি তিনি ঢাকায় চলে আসেন। শুরু হয় তাঁর সংগীতজীবনের নতুন অধ্যায়। যোগ দেন পাকিস্তান রেডিওর ঢাকা কেন্দ্রে। পাকিস্তান হলেও ঢাকা বেতারকেন্দ্রের প্রতিদিনের অনুষ্ঠানে রবীন্দ্রসংগীত গাওয়ানোর ব্যাপারে তাঁর ছিল উদ্যোগী ভূমিকা। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর সংগীতশিল্পীদের একটি বড় অংশ দেশ ছেড়ে চলে যান। তখনকার পূর্ববাংলার রাজধানী ঢাকা ও তার বেতারকেন্দ্র প্রায় সংগীতশিল্পীশূন্য হয়ে পড়ে। তিনি তখন বিশেষ দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। ১৯৭৮ সালে তিনি স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৯৪ সালের ১৪ মে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

[উইকিপিডিয়া অবলম্বনে]

মন্তব্য