kalerkantho

রবিবার। ১৬ জুন ২০১৯। ২ আষাঢ় ১৪২৬। ১২ শাওয়াল ১৪৪০

ব্যক্তিত্ব

১৩ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ব্যক্তিত্ব

রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়

কবি ও সাংবাদিক রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলায় ১৮২৭ সালে। তাঁর বাবার নাম রামনারায়ণ। শৈশবে পিতৃহীন হওয়ায় স্থানীয় পাঠশালা এবং মিশনারি স্কুলে শিক্ষা শেষে তিনি হুগলি মুহসীন কলেজে অধ্যয়ন করেন। তিনি বাংলা, ইংরেজি, সংস্কৃত ও ওড়িয়া ভাষা এবং সাহিত্যে ব্যুৎপন্ন ছিলেন। ছাত্রাবস্থায় ঈশ্বর গুপ্তের সংবাদ প্রভাকরে তাঁর কবিতা প্রকাশিত হয়। তিনি নিজে কলকাতা থেকে মাসিক রস সাগর (১৮৫২) ও সাপ্তাহিক বার্তাবহ (১৮৫৬) সম্পাদনা করেন। ১৮৫৫ সালে এডুকেশন গেজেট পত্রিকা প্রকাশিত হলে তিনি তার সহসম্পাদক নিযুক্ত হন। এতে তিনি নানা ধরনের লেখা লিখতেন। কলকাতা প্রেসিডেন্সি কলেজে তিনি কিছুদিন বাংলা সাহিত্যে অধ্যাপনা করেন (১৮৬০)। পরে আয়কর এসেসর ও ডেপুটি কালেক্টর পদে নিযুক্ত হয়ে তিনি ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট পদে উন্নীত হন। চাকরিসূত্রে তিনি যখন ওড়িশার কটকে ছিলেন তখন সেখান থেকে উৎকল দর্পণ নামে ওড়িয়া ভাষায় একটি সংবাদপত্র প্রকাশ করেন। তাঁর প্রধান সাহিত্যকীর্তি ‘পদ্মিনী উপাখ্যান’ ১৮৫৮ সালে প্রকাশিত হয়। ‘স্বাধীনতাহীনতায় কে বাঁচিতে চায় হে, কে বাঁচিতে চায়/দাসত্বশৃঙ্খল বল কে পরিবে পায় হে, কে পরিবে পায়।’ পদ্মিনী উপাখ্যানে তাঁর এই উক্তি পরবর্তীকালে স্বাধীনতাসংগ্রামের বিপ্লবীদের বীজমন্ত্র হিসেবে কাজ করেছে। তাঁর অন্যান্য গ্রন্থ—‘কর্মদেবী’, ‘শূরসুন্দরী’ ও ‘কাঞ্চী কাবেরী’। তিনি কালিদাসের ‘ঋতুসংহার’ ও ‘কুমারসম্ভব’-এর পদ্যানুবাদ করেন। তাঁর ‘কলিকাতা কল্পলতা’ গ্রন্থকে কলকাতা সম্পর্কে প্রথম ইতিহাসমূলক রচনা বলে মনে করা হয়। ১৮৮৭ সালের ১৩ মে তাঁর মৃত্যু হয়।

[বাংলাপিডিয়া অবলম্বনে]

 

সংশোধনী

গতকাল প্রকাশিত ব্যক্তিত্ব তথ্যে সুকান্ত ভট্টাচার্যের মৃত্যু সাল ভুলক্রমে ১৯৮৭ ছাপা হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে তা হবে ১৯৪৭ (২৯ বৈশাখ ১৩৫৪)।

বি. স.

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা