kalerkantho

সোমবার। ২৭ মে ২০১৯। ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ২১ রমজান ১৪৪০

ব্যক্তিত্ব

১৮ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ব্যক্তিত্ব

বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল

বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামালের জন্ম ভোলা জেলার দৌলতখানে, ১৬ ডিসেম্বর ১৯৪৭ সালে। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য সাহসিকতা ও বীরত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ যে সাতজন বীরকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক সম্মান ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়, তিনি তাঁদের অন্যতম। তাঁর বাবার নাম হাবিবুর রহমান। শৈশব থেকেই দুঃসাহসী হিসেবে তিনি খ্যাত ছিলেন। তাঁর ছেলেবেলা কেটেছে বাবার কর্মস্থল কুমিল্লা সেনানিবাসে। ২০ বছর বয়সে হঠাৎ করেই তিনি বাড়ি থেকে নিরুদ্দেশ হন। ১৯৬৮ সালে পাকিস্তানের চতুর্থ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে চাকরি চূড়ান্ত হওয়ার পর তাঁর মা-বাবা সন্ধান পান। তিনি ছিলেন চতুর্থ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিক। ১৯৭১ সালে চতুর্থ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টকে কুমিল্লা সেনানিবাস থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পাঠানো হয়। তখন সারা দেশে যুদ্ধের বীভৎসতা ছড়িয়ে পড়ে। স্বাধীনতাযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর চতুর্থ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে ঘিরে তিনটি প্রতিরক্ষা ঘাঁটি গড়ে তোলে এন্ডারসন খালের পারে। তিনি ছিলেন ২ নম্বর প্লাটুনে। কর্মতৎপরতার জন্য যুদ্ধের সময় মৌখিকভাবে তাঁকে ল্যান্স নায়েকের দায়িত্ব দেওয়া হয়। ১৬ এপ্রিল পাকিস্তান সেনাবাহিনী চতুর্থ ইস্ট বেঙ্গলকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য কুমিল্লা-আখাউড়া রেললাইন ধরে উত্তরে এগোতে থাকে। ১৮ এপ্রিল ভোরবেলা পাকিস্তান সেনাবাহিনী মুক্তিবাহিনীর ওপর মর্টার ও আর্টিলারির গোলাবর্ষণ শুরু করলে তিনি ১১ নম্বর প্লাটুনকে আগের প্লাটুনের সঙ্গে যোগ দেওয়ার নির্দেশ পান। সকাল ১১টায় শুরু হয় গোলাবর্ষণ। এতে কয়েকজন শহীদ হন। একসময় গুলি শেষ হয়ে গেলে শত্রুর আঘাতে তিনিও লুটিয়ে পড়েন।

[উইকিপিডিয়া অবলম্বনে]

মন্তব্য