kalerkantho

বুধবার। ১৯ জুন ২০১৯। ৫ আষাঢ় ১৪২৬। ১৫ শাওয়াল ১৪৪০

প্রশাসনের হস্তক্ষেপ জরুরি

১৮ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কৃষক ধানের ন্যায্য মূল্য পাচ্ছে না। ধানের বিনিময় হিসেবে কৃষক যা পাচ্ছে সেটা কোনোভাবেই ধানের বিনিময় মূল্য হতে পারে না। এক মণ ধান কৃষক বিক্রি করছে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায়। আবার এই এক মণ ধানের চাল যখন আমরা কিনতে যাচ্ছি সেটা হয়ে যাচ্ছে ন্যূনতম দুই হাজার ৫০০ থেকে তিন হাজার টাকা। তাহলে মাঝখানের এই দুই হাজার ৫০০ টাকা কে নিচ্ছে? যে ব্যবসায়ী এই টাকা ভোগ করছে তার কি কোনো দায় নেই দরিদ্র কৃষকের ব্যাপারে? গ্রাহকের থেকে উচ্চমূল্য নেওয়ার ব্যাপারেও তার কি দায় নেই? সমস্যা সমাধানে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ আর ব্যবসায়ীদের নৈতিক বিবেচনাই সমাধান হতে পারে। এই দেশের বেশির ভাগ ব্যবসায়ীর নৈতিকতা বলে কিছু নেই, তাই প্রশাসনের হস্তক্ষেপই হতে পারে একমাত্র সমাধান। আর দোষীদের আইনের আওতায় এনে কঠিন শাস্তি দেওয়ার মাধ্যমেই একটি সুন্দর সমাধান হতে পারে। ফেসবুকে গতকাল থেকে একটি ছবি বেশ দেখা যাচ্ছে—এক রিকশাচালক পিঠে লিখে রেখেছেন, ‘আর করব না ধান চাষ, দেখব তোরা কী খাস!’ খুব অর্থবহ এবং ভাবনার কথা। ন্যায্য দাম না পেয়ে কৃষক যদি ধান উৎপাদন বন্ধ করে, তবে ভাতের উৎস কী হবে কেউ ভেবে দেখেছেন? তখন এসব ব্যবসায়ী নিশ্চয়ই বলবে, ভাতের বদলে আলু খান। আর সেই আলুর চাষিকে আবার ঠকানোর কোনো পথ খুঁজবে। এর চেয়ে ব্যবসায়ীরা নিজেরা মানুষ হয়ে গেলেই তো সহজে সমাধান হয়।

প্রশান্ত

চৌমুহনী, নোয়াখালী।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা