kalerkantho

বুধবার। ১৯ জুন ২০১৯। ৫ আষাঢ় ১৪২৬। ১৫ শাওয়াল ১৪৪০

কৃষক ও কৃষিশিল্পকে বাঁচাতে হবে

১৮ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ১ মিনিটে



কৃষককে বাঁচাতে ও কৃষিকে টেকাতে হলে নিষ্প্রাণ তাত্ত্বিক আলোচনা নয়, এখনই কিছু করা দরকার। কৃষিমন্ত্রী রপ্তানির কথা বলেছেন। সরকার দ্রুত ধান-চাল কেনার ব্যবস্থা করলেই ধানের বাজার আবার চাঙ্গা হবে। মূলত ধান কেনে ফড়িয়ার মাধ্যমে চালকল মালিক আর বড় বড় চাতাল মালিক। চাল কেনার টাকা আসে গৌরীসেন তথা সরকারি-বেসরকারি ব্যাংক থেকে। যে উদারতায় আমরা ঋণখেলাপিদের ক্ষমা করে দিচ্ছি, তার এক আনারও কম উদারতায় বর্তমান সংকট উত্তরণের একটা ন্যায্য পথ বের করা সম্ভব। সরকার এখনই ব্যাংকগুলোকে তাদের খাতক চাতাল আর চালকল মালিকদের এই মাসের মধ্যে ধান কেনার শর্তে ৫ থেকে ৬ শতাংশ হারে সুদে বিশেষ ঋণ দিতে পারে। এই ঋণ শুধু ধান কেনার জন্য। শর্ত থাকবে, আমন ধান লাগানোর আগেই ঋণগ্রহীতাদের এই ঋণ শোধ করতে হবে। কৃষক পিতাদের পাশে তাঁদের সন্তানদের দাঁড়াতে হবে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা এরই মধ্যে এ বিষয়ে আন্দোলনে নেমেছে। তারা সংখ্যায় কম, কিন্তু বিষয়টি আশাজাগানিয়া।

মেনহাজুল ইসলাম তারেক

মুন্সীপাড়া, পার্বতীপুর, দিনাজপুর।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা