kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৫ জুন ২০১৯। ১১ আষাঢ় ১৪২৬। ২২ শাওয়াল ১৪৪০

আন্তরিকতা, দক্ষতা ও সততা প্রয়োজন

১১ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রোজাদারদের দুর্ভোগ বাড়িয়ে যারা ব্যবসা করার চক্রান্ত করছে তাদের ব্যাপারে সজাগ থাকতে হবে। বাজার মনিটরিংয়ে হতে হবে আরো বেশি সক্রিয়। পেঁয়াজ, ছোলা, চিনি, ডাল, খেজুর ও ভোজ্য তেলের কৃত্রিম সংকট যাতে দানা বেঁধে না ওঠে সে ব্যাপারে  সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। প্রয়োজনে সরকারি উদ্যোগে রোজা উপলক্ষে খোলাবাজারে পণ্য বিক্রির ব্যবস্থা করতে হবে। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির অন্যতম কারণ পরিবহনে চাঁদাবাজি। প্রশাসনকে কঠোর হতে হবে। সাধারণ মানুষকে এমন হয়রানি থেকে রক্ষা করতে হলে সরকারের আন্তরিক প্রচেষ্টার কোনো বিকল্প নেই। বাজারে মনিটরিং বাড়ানো, ভ্রাম্যমাণ আদালতের নিয়মিত অভিযান, অনিয়ম প্রমাণিত হলে বিক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ, নিত্যপণ্যের সরকারি মজুদ বাড়িয়ে তা ন্যায্যমূল্যে সরবরাহ করা, মনিটরিং ব্যবস্থাপনায় কোনো অবহেলা বা দুর্নীতি হচ্ছে কি না তা পর্যবেক্ষণ করা—তাহলেই দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। সরকারের মনিটরিং কমিটির মধ্যে আন্তরিকতা, দক্ষতা ও সততা থাকলে অবশ্যই বাজার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। অবশ্য আমাদের দেশে এমন রমজানও নিকট অতীতে দেখা যায়নি। জনগণের প্রতি দায়বোধ থেকে সরকার এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে—এটা একান্তভাবে প্রত্যাশা করি।

বিলকিছ আক্তার

সরকারি ম্যাটস, টাঙ্গাইল।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা