kalerkantho

বুধবার। ১৯ জুন ২০১৯। ৫ আষাঢ় ১৪২৬। ১৫ শাওয়াল ১৪৪০

ব্যবসায়ী ও ভোক্তাদের সৎ হতে হবে

১১ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রমজান মাস আগমনের সঙ্গে সঙ্গে ভোগ্যপণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে নেমে আসে। ক্রেতা ও রোজাদার নানা সুযোগ-সুবিধা পেয়ে থাকে। কিন্তু বাংলাদেশের চিত্র সম্পূর্ণ আলাদা ও বিপরীত। এখানে রমজান শুরু হলে প্রতিটি ভোগ্যপণ্যের দাম বেড়ে যায়। ব্যবসায়ীরা নানা মিথ্যা অজুহাত দেখিয়ে ক্রেতাদের বিভ্রান্তিতে ফেলে দেয়। বেড়ে যায় তাদের অবৈধ মজুদদারি। সরবরাহ ও আমদানির অপ্রতুলতা দেখিয়ে দাম বাড়িয়ে দেয় দশ গুণ। তৈরি করে কৃত্রিম সংকট। ব্যবসায়ীদের এই অতিরিক্ত মুনাফালিপ্সা চলতে থাকে রমজানজুড়ে। ফলে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের দরিদ্র পরিবারগুলোর ভোগ্যপণ্য ক্রয়ের ক্ষমতা সাধ্যের বাইরে চলে যায়। এ অবস্থায় পবিত্র রমজানে দ্রব্যমূল্যের মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখতে ও ঊর্ধ্বগতি রোধে সরকারকে কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে—নিয়মিত বাজার তদারকি ও নজরদারি বাড়াতে হবে; অবৈধ মজুদদারি কালোবাজারিদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে হবে; প্রতিটি ভোগ্যপণ্যের বিক্রয়মূল্যের তালিকা নির্ধারণ করে দিতে হবে। ভ্রাম্যমাণ আদালত চালু করতে হবে। প্রতিটি পণ্যের আমদানি অব্যাহত রাখতে হবে। সরকারিভাবে দুস্থ ও দরিদ্রদের মধ্যে স্বল্পমূল্যে পণ্য বিক্রয় চালু রাখতে হবে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। ব্যবসায়ী ও ভোক্তাদের আরো সৎ ও নিষ্ঠাবান হতে হবে। অতিরিক্ত মুনাফালিপ্সা ত্যাগ করে ব্যবসায়ে ফিরে আসতে হবে।

মো. ইলিয়াছ হোসেন

খটখটিয়া, মহানগর, রংপুর।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা