kalerkantho

বুধবার । ২৬ জুন ২০১৯। ১২ আষাঢ় ১৪২৬। ২৩ শাওয়াল ১৪৪০

প্রশাসনের কড়া নজরদারি প্রয়োজন

১১ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ১ মিনিটে



রমজানের অন্যতম শিক্ষা হচ্ছে সংযম। জীবনের সব ক্ষেত্রে সংযমী হওয়াই রমজানের শিক্ষা। অথচ আমাদের জীবনে এর ব্যতিক্রম বা কোনো কোনো ক্ষেত্রে উল্টোটা দেখতে পাই। যেমন রমজান এলে আমরা বেশি মুনাফা অর্জনের মনোবাসনা নিয়ে বসে থাকি। স্বাভাবিক কারণেই রমজানে খাবারের চাহিদা বেড়ে যায়। পাইকারি ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে একেবারে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সবাই প্রতিযোগিতায় নামে রমজানে কে কত বেশি লাভ করতে পারে। এর সঙ্গে যোগ হয় নিম্নমানের ও ভেজাল খাদ্য সরবরাহ এবং বিক্রি। এভাবে প্রকারান্তরে ওই সব ব্যবসায়ী রমজানের বিরুদ্ধেই অবস্থান নেয়। কারণ অহেতুক জিনিসপত্র ও খাদ্যদ্রব্যের মূল্য বাড়িয়ে তারা রোজাদারদেরই কষ্ট দেয়। আমরা চিরাচরিত ওই নিয়ম ভাঙতে চাই। আমরা চাই রমজানে দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে থাকুক। ব্যবসায়ী নেতাদের এবং পাইকারি ব্যবসায়ীরা উদ্যোগ নিলেই একটা ফল পাওয়া যেতে পারে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করতে হবে। ব্যবসায়ীদের মধ্যে সংযমী মনোভাব জাগ্রত করতে হবে। প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্টদের কড়া নজরদারি ও মনিটরিং করতে হবে।

মেনহাজুল ইসলাম তারেক

মুন্সিপাড়া, পার্বতীপুর, দিনাজপুর।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা