kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৭ জুন ২০১৯। ১৩ আষাঢ় ১৪২৬। ২৩ শাওয়াল ১৪৪০

অভিনন্দনযোগ্য সিদ্ধান্ত

৪ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



অবশেষে বিএনপির পাঁচ সদস্য শপথ নিলেন। শপথ নেওয়ায় জাহিদুর রহমানকে বহিষ্কারও করেছিল দলটি। দেশের মানুষ বিএনপির এই রাজনৈতিক রোমাঞ্চ উপভোগ করছে পুরোদমে। বোঝা গেল, রাজনীতি একই সরলরেখায় চলে না। বিএনপির রাজনীতি কোন পথে চলবে তা বলা কঠিন। বিএনপির সংসদে যোগদান ইতিবাচক। এ কাজ তিন মাস আগেই করা দরকার ছিল। বিএনপির এমপিদের শপথ নেওয়ায় বিলম্ব করায় নিজেদেরই ক্ষতি হয়েছে। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ না নিয়ে দলটি নিজের যে ক্ষতি করেছে তা কোনোভাবে পূরণীয় নয়। দেরিতে হলেও বিএনপির সদস্যরা শপথ গ্রহণ করে সঠিক কাজটিই করেছেন। সরকারেরও উচিত বিরোধী দল হিসেবে বিএনপিকে যথাযোগ্য রাজনৈতিক পরিবেশ দেওয়া। একটি দলের একচেটিয়া প্রভাব থাকলে গণতন্ত্র প্রশ্নবিদ্ধ হবে। নানা দিক বিবেচনায় সংসদীয় রাজনীতিতে প্রাসঙ্গিক থাকতে চাওয়ার এই সিদ্ধান্ত যৌক্তিক বলেই প্রতীয়মান হয়। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির ছয়জন জয়লাভ করে এসেছেন। ভোটারদের প্রতি তাঁদের অঙ্গীকার আছে। সংসদে বসে তাঁদের নেতারা বিভিন্ন ইস্যুতে সরকারের ওপর কিছুটা হলেও চাপ প্রয়োগ করতে পারেন, যা সংসদের বাইরে বসে করা কঠিন। গণতন্ত্র চর্চা অব্যাহত রাখার মূল শর্ত শক্তিশালী ও যোগ্য বিরোধী দল থাকা। আমরা চাই দেশের স্বার্থে, গণতন্ত্রের স্বার্থে সরকারের আচরণ নমনীয় ও ন্যায়ের পক্ষে হবে।

মাজহারুল ইসলাম লালন

নকলা, শেরপুর।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা