kalerkantho

বুধবার । ২৬ জুন ২০১৯। ১২ আষাঢ় ১৪২৬। ২৩ শাওয়াল ১৪৪০

বিএনপির সংসদে যোগদানের সিদ্ধান্ত ইতিবাচক

৪ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ১১ মিনিটে



বিএনপির সংসদে যোগদানের সিদ্ধান্ত ইতিবাচক

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিলেও অনিয়মের অভিযোগে ফল বর্জন করেছিল বিএনপিসহ কয়েকটি দল। শেষ পর্যন্ত বিএনপির পাঁচ সদস্য সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সংসদে যোগদানের নির্দেশ দেন। বিএনপির সংসদে যোগদান সার্বিক বিবেচনায় ইতিবাচক। আগেই তাদের এ সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত ছিল। এখন তাদের দায়িত্ব হলো, জনগুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়ে সংসদে কথা বলা, সরকারের সমালোচনা করা এবং গণতন্ত্রের চর্চাকে বিকশিত করা। সরকারপক্ষের উচিত, বিএনপিসহ বিরোধীদলীয় সদস্যদের কথা বলার সুযোগ দেওয়া এবং তাদের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনায় নেওয়া। টেলিফোনে ও ই-মেইলে কালের কণ্ঠ’র পাঠকরা এ অভিমত জানিয়েছেন

 

► টানা ১২ বছর ক্ষমতার বাইরে বিএনপি। সর্বশেষ নির্বাচনে চরমভাবে বিপর্যস্ত। না মাঠে, না কৌশলে—কোনোভাবেই প্রতিপক্ষের সঙ্গে কুলিয়ে উঠতে পারেনি। কারণ বিপুল জনসমর্থন থাকার পরও বিএনপি সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। স্বাভাবিকভাবেই দলটির নেতাকর্মীদের অনেকেই হতাশ। বিশেষ করে যাঁরা ক্ষমতাবলয়ের কাছাকাছি থেকে সুবিধা লাভের চিন্তা করেন। কিন্তু যাঁরা প্রকৃতই রাজনীতিবিদ, তাঁরা এখান থেকে নতুন দিনের দিশা খুঁজে পাচ্ছেন। সরকারের ওপর জনসাধারণ সন্তুষ্ট নয়। কিন্তু বিএনপি সরকারের অজনপ্রিয়তার সুযোগও নিতে পারেনি। বিএনপির নেতৃত্বের দুর্বলতা, সময়কে অনুধাবনের অক্ষমতা, একগুঁয়েমি, বিভিন্ন পর্যায়ে যোগ্য ও দক্ষ নেতা নির্বাচনে ব্যর্থতার কারণেই দীর্ঘ সময় ধরে দলটি ক্ষমতার বাইরে। বিএনপি সরকারে নেই, সংসদে নেই, মাঠেও নেই। প্রশ্ন হচ্ছে, রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপির অবস্থান কোথায়? শুধু ঘরোয়া বৈঠক ও বিবৃতির জোরে বিএনপি এ অবস্থায় কী করতে পারবে? সে ক্ষেত্রে তাদের সংসদে যোগদান সঠিক সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে আমি মনে করি।

বিলকিছ আক্তার

সরকারি ম্যাটস, টাঙ্গাইল।

 

► বিএনপি সংসদে যোগ দিয়ে ভালো করেছে। এটা অত্যন্ত ইতিবাচক সিদ্ধান্ত। তারা কোনো কিছুতে মাথাভারী না করে কাজ করবে এবং মানুষের ভালোবাসা অর্জন করবে—এটাই আশা করি।

হুমায়ুন কবির বাবু

বেলকুচি, সিরাজগঞ্জ।

 

► সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে ২৯ এপ্রিল সন্ধ্যায় বিএনপির নির্বাচিত চার সংসদ সদস্য শপথ গ্রহণ করেছেন। অল্পবিস্তর আলোচনা-সমালোচনা হলেও সব কিছুই চলছে নিয়মমাফিক অথবা লোক-দেখানো। একটা কথা সবাইকে বুঝতে হবে যে সংসদ সদস্যরা নির্বাচিত হয়েছেন জনসাধারণের ভোটে। সে অবস্থায় শপথ গ্রহণের ব্যাপারে এলাকার জনগণের চাপ এমনকি দাবি থাকা স্বাভাবিক ও সংগত। নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা জাতীয় সংসদে থেকে এলাকার জনগণের সুখ-দুঃখ, সমস্যা ও বরাদ্দ নিয়ে বক্তব্য তুলে ধরবেন। এ ক্ষেত্রে তাঁরা অবশ্যই জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ। সরকারের এ ক্ষেত্রে কিছুই করার নেই। প্রধানমন্ত্রী বরং বলছেন, বিরোধী দলের নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা জাতীয় সংসদে যোগ দিয়ে প্রাণ খুলে কথা বলুন। কোনো বাধা দেওয়া হবে না। বিএনপি শেষ পর্যন্ত জাতীয় সংসদে যোগ দিয়ে বিবেচনার পরিচয় দিয়েছে। অতীতের ভুল ও দায় স্বীকার করে দলটির উচিত রাজনীতির সুষ্ঠু ও সুস্থ ধারায় ফিরে আসা।

মেনহাজুল ইসলাম তারেক

মুন্সিপাড়া, পার্বতীপুর, দিনাজপুর।

 

► অনেক নাটকীয়তার পরে বিএনপি সংসদে এসেছে, এটা ইতিবাচক ঘটনা। এতে সংসদে ইতিবাচক ভূমিকা তৈরি হবে বলে মনে করি। কারণ সংসদে সরকারি দল যেমন দরকার, বিরোধী দলও জরুরি এবং বিএনপি মহাসচিবের সংসদে না যাওয়াটা ভুল হয়েছে বলে মনে করি।

আসাদুল্লাহ মুক্তা

উল্লাপাড়া, সিরাজগঞ্জ।

 

► এটা ইতিবাচক। সরকার লাভবান হলো, বিএনপিও লাভবান হবে। সব মিলিয়ে বিষয়টি ইতিবাচক। দেশে-বিদেশে সংসদের ভাবমূর্তি বাড়বে। বিএনপি এখন নানাভাবে বিপর্যস্ত, তাদের উঠে দাঁড়ানোর সুযোগ ঘটবে।

জাহাঙ্গীর কবির পলাশ

শ্রীধরপুর, মুন্সীগঞ্জ।

 

► সরকারের ভালো-মন্দের হিসাব নিতে যদি শক্ত প্রতিপক্ষ না থাকে, তাহলে কোনোভাবেই দেশের সুফল বয়ে আনবে না। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল বিএনপি কিছুতেই মেনে নিতে পারেনি। তাই ভোটের ফলাফল তারা প্রত্যাখ্যান করেছে। তাই কেউ শপথও নেয়নি। এখন তাদের শুভ বুদ্ধির উদয় হয়েছে দেখে দেশের জনগণ স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে, কিন্তু তাদের মতিগতি এখনো বোঝা যাচ্ছে না। কিছুদিন আগে একজন সংসদ সদস্য শপথ নিলে তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। আবার হঠাৎ চারজন শপথ নিলেন—এটা কি তাদের কোনো কৌশল? যা-ই হোক না কেন, শপথ নিয়ে ভালো করেছেন। তাঁরা সংসদে সরকারের সব সিদ্ধান্তের সমালোচনা করলে দেশের জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন। যেহেতু তাঁদের শুভ বুদ্ধি হয়েছে, তাঁদের সিদ্ধান্ত বদলেছে। এটাকে এখন পজিটিভ হিসেবে দেখতে হবে। সংসদের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তাঁদের কথা বলতে সুযোগ দিতে হবে। তাঁদের সুযোগ দেওয়া না হলে এটা জনগণও ইতিবাচকভাবে দেখবে না। আমরা চাই, সবাই মিলেমিশে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশটি এগিয়ে নেবে।

সাবিনা সিদ্দিকী শিবা

ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ।

 

► বিএনপি অনেকবার সংসদে যাবে না বলার পরও শেষ পর্যন্ত সংসদে গেছে। এটা অবশ্যই ইতিবাচক দিক। এই ইতিবাচক পদক্ষেপের মাধ্যমেই দেশ এক নতুন পথে এগিয়ে যাবে। দেশ যে উন্নয়নের রাস্তায় উঠেছে, সেই রাস্তায় বিএনপির পদচারণা দেশের জন্য অবশ্যই সুফল বয়ে আনবে। বিএনপির উচিত মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী অপশক্তির সাহচর্য ত্যাগ করে সত্য সুন্দরের পথে এগিয়ে চলা।

ঋতা

চট্টগ্রাম।

 

► সংসদ আছে, কিন্তু বিরোধী দল নেই—এটা দুঃখজনক। গত কয়েক বছর বিরোধী দল সংসদে থাকেনি। এবার নির্বাচন হলো। কমবেশি যা-ই হোক বিরোধী দল কিছু আসন পেয়েছে। তারা সংসদে যাবে। সংসদ মাতিয়ে তুলবে। এটাই কাম্য ছিল। কিন্তু টালবাহানা করে তারা শপথ নিচ্ছিল না। অবশেষে শপথ নিয়েছে। শুভ বুদ্ধির উদয় হয়েছে। এখন কয় দিন সংসদে থাকে, সেটাই দেখার বিষয়। কারণ বিরোধী দল সংসদে উপস্থিত না থাকা একটা সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে, যা সত্যিই দুঃখজনক। সংসদীয় গণতন্ত্রে দাবিদাওয়া, পাওয়া, না পাওয়া যা-ই হোক সংসদে বসেই তারা বলতে পারে। সরকারের নানা কর্মকাণ্ডের সমালোচনা বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা করতে পারেন। এটা তাঁদের দায়িত্বের মধ্যেও পড়ে। তাঁরা জনগণের কথা সংসদে বলবেন না, ভাবা যায়? অন্যদিকে বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যরা যেন কথা বলতে পারেন, তাঁদের সময় দিতে হবে। এটা দেখভাল করা সরকারের কাজ। গঠনমূলক সমালোচনা খুব দরকার।

মুহাম্মদ শফিকুর রহমান

বানারীপাড়া, বরিশাল।

 

► বিএনপি অবশেষে সংসদে যোগ দিয়েছে। দলের নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা সংসদে যেতে চান, সেটি গণমাধ্যমেই আসেনি, তাঁদের বক্তব্যে উঠে এসেছিল। কিন্তু দলের নেতৃত্ব সংসদে যোগদানে সিদ্ধান্ত গ্রহণে দূরে থাক, কেউ শপথ নিলে বহিষ্কার করা হবে বলেও দলের স্থায়ী কমিটির নেতারা বলেছিলেন এবং নিষেধাজ্ঞাও আরোপ করেছিলেন। স্পিকারের কাছে শপথ গ্রহণের জন্য সময় চেয়ে ৩০ এপ্রিলের মধ্যে আবেদন না জানালে এবং তা গৃহীত না হলে কিংবা শপথ না নিলে সাংবিধানিকভাবে সদস্য পদ থাকবে না। অবশেষে বিএনপির চার সংসদ সদস্য শপথ নেন। দলের এই সিদ্ধান্তে মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীরা বেশ অবাক হয়েছে। এখন প্রয়োজন সব ভেদাভেদ ভুলে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করা।

এ কে এম আলমগীর

ওআর নিজাম রোড, চট্টগ্রাম।

 

► অনেক দিন পর বিএনপি সংসদে গেল। তাদের উচিত আগের সব নীতি ও ধারা পরিবর্তন করে জনগণের জন্য রাজনীতি করা। সংসদকে সব রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র ভাবতে হবে। কথায় কথায় সংসদ বর্জনের নীতি পরিহার করতে হবে। গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে হবে।  সংসদকে কার্যকর করতে হবে।

আফিয়া ফারজানা ইরিন

খটখটিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, রংপুর। 

 

► বিএনপি সংসদে যোগ দিয়েছে, এটা ভালো। কাজ করতে হবে। কাজই বড় কথা।

মোমিন হৃদয়

কাজীপুর, সিরাজগঞ্জ।

 

► সংসদে আসায় সংসদ প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে। দেশ আরেক ধাপ এগিয়ে গেল। ধন্যবাদ। সংখ্যায় কম হলেও তাদের কথা বলতে হবে।

কুমারেশ চন্দ্র

বাস শ্রমিক, ঝিনাইদহ।

 

► বিএনপির সংসদে যাওয়ার ব্যাপারটা ইতিবাচকই মনে হচ্ছে। আশা করি, দেশে যে ইতিবাচক পরিবর্তন সংঘটিত হয়েছে গত কয়েক বছরে, তার সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করবে বিএনপি। নিয়মিত সংসদে গিয়ে সরকারের কর্মকাণ্ডের গঠনমূলক সমালোচনা করার পাশাপাশি দেশের উন্নয়নে কাজ করবে। যদিও সংসদে বিএনপির সদস্যসংখ্যা খুবই কম, কিন্তু তাঁরা সংসদে গিয়ে তাঁদের মতামত জানানোর সুযোগ পাবেন। জনগণের স্বার্থবিরোধী কোনো কাজ হলে প্রতিবাদ করতে পারবেন। বিএনপির যেসব সংসদ সদস্য আছেন, তাঁরা সংসদে যাওয়ার পাশাপাশি যদি যোগ্য নেতৃত্বের মাধ্যমে দলকে সুসংগঠিত করে আগামী নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত করতে পারেন, তাহলে দল ও দেশ—সবার উপকার হবে।

প্রশান্ত ভৌমিক

চৌমুহনী, নোয়াখালী।

 

 

► শুরুতেই বিএনপির সংসদে যোগ দেওয়া উচিত ছিল। এখন সরকারপক্ষের উচিত হবে বিএনপির সংসদ সদস্যদের সংসদে কথা বলার সুযোগ দেওয়া। তা না হলে সংসদ প্রাণবন্ত হবে না।

মো. মোকাদ্দেস হোসাইন

গ্রাম পাঙ্গাশী, সিরাজগঞ্জ।

 

► বিএনপি সংসদে যোগ দেওয়ায় সংসদীয় রাজনীতিতে নতুন মোড় নিয়েছে। ক্ষমতাসীন পক্ষ স্বস্তি বোধ করছে আগামী পাঁচ বছর সংসদ বৈধ হিসেবে টিকে যাওয়ার আশা নিয়ে। নির্বাচন নিয়ে যত বিতর্ক ছিল তার আপাত অবসান ঘটেছে বলে সরকার ও তার হিতাকাঙ্ক্ষীরা মত পোষণ করছে। বিরোধী শক্তি ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে গণ ও হয়রানিমূলক মামলা অহরহ দায়ের হচ্ছে। এভাবে সরকার চালানো যায়, কিন্তু কল্যাণধর্মী রাষ্ট্রব্যবস্থা কায়েম করা যায় না। শেয়ারবাজারে ধস ঠেকাতে, বেকার সমস্যার সমাধানকল্পে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া, শিল্পায়নের দিকে ধাবিত না হওয়া, ফোরজি বা ফাইভজি চালুর দিকে যতটুকু নজর দেওয়া হচ্ছে তার সিকি ভাগ সিলিকন ভ্যালি সৃষ্টিতে না দেওয়া, পাইকারি হারে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন দেওয়া, উচ্চশিক্ষার মানের দিকে নজর না দেওয়া, লাইট ইঞ্জিনিয়ার শিল্প ক্ষেত্রে বিশ্বে যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে তার ছিটেফোঁটা পরিবর্তনও আমাদের দেশে পরিলক্ষিত না হওয়া, আমদানি খাত কমিয়ে রপ্তানি খাতকে বেগবান করার জন্য নজর না দেওয়া, ব্যাংকিং সেক্টরে নৈরাজ্য ইত্যাদি অর্থনীতি ও সমাজনীতির জন্য সুখকর নয়। কাজেই বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলোর উচিত সংসদে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরে ক্ষমতাসীনদের সঠিক পথে পরিচালিত করা। একমাত্র বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য হয়েও ট্রেজারি বেঞ্চের সব সদস্যের ঘুম হারাম করে দেওয়ার বহু নজির আছে। আমরা আশা করব, বিএনপিসহ বিরোধী সংসদীয় দলগুলো সেই দায়িত্ব পালন করবে। 

ভূঁইয়া কিসলু বেগমগঞ্জী

চৌমুহনী, হাজীপুর, বেগমগঞ্জ, নোয়াখালী।

 

► বিএনপি সংসদে গেছে। এটি ইতিবাচক সিদ্ধান্ত। মির্জা ফখরুলেরও যোগ দেওয়া উচিত ছিল। তাঁরা সংসদে ভূমিকা পালন করলে সংসদ প্রাণবন্ত হবে, গণতন্ত্রের চর্চা জোরালো হবে।

নাদিম খান

ভাইজোড়া, পিরোজপুর।

 

► বিএনপির সংসদ সদস্যরা সংসদে যোগ দেওয়ায় দেশের রাজনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। তাঁরা সংসদে তাঁদের দাবিদাওয়া জোরালোভাবে বলতে পারবেন। বহুদিন তাঁরা সংসদের বাইরে ছিলেন। আর কিছু না হলেও বিএনপির সংসদ সদস্যরা অন্তত কথা বলার জায়গা পেলেন।

লায়ন মো. শামীম সিকদার

বেতাগী, বরগুনা।

 

► বিএনপি সংসদে এসেছে। এটা ভালো দিক। কোনো প্রভাব পড়বে বলে মনে করি না।

শহীদুল মোড়ল

দাকোপ, খুলনা।

 

► বিএনপিকে ধন্যবাদ ও সাধুবাদ। জনগণের কল্যাণে তারা মন ও প্রাণ দিয়ে কাজ করবে—এটাই আশা করি।

রাশেদুল ইসলাম

ভাঙ্গুড়া, পাবনা।

 

► রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ হলো। সংসদের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ল। দেশ ও জাতির কল্যাণে সবাই একযোগে কাজ করবে—এটাই প্রত্যাশা করি।

কামরুজ্জামান

কলাবাগান, ঝিনাইদহ।

 

► অবশেষে বিএনপির নির্বাচিতরা সংসদে যোগ দিলেন। একজন শপথ নেননি, এতে কিছু হয় না। শূন্য পদ কিছুদিনের মধ্যে পূরণও হয়ে যাবে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত সবাই এখন সংসদে রয়েছেন, এটাই ইঙ্গিত দেয় বাংলাদেশের রাজনীতিতে এখন ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে সক্ষম হলো। সংসদে এখন দেশের নির্বাচিত প্রতিটি রাজনৈতিক দল রয়েছে। দেশের মানুষ দেখতে পাচ্ছে, চারদিকে উন্নয়ন হচ্ছে। এটা যে বিএনপির নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা অনেক পরে হলেও বুঝতে পেরেছেন, এ জন্য দেশবাসীও অত্যন্ত আনন্দিত। সব দলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সংসদ প্রাণবন্ত হয়ে উঠল। দেশের রাজনীতিতে এখন বইবে সুন্দর পরিবেশ এবং তা অব্যাহত থাকুক, এটাই আমরা প্রত্যাশা করি।

লিয়াকত হোসেন খোকন

রূপনগর, ঢাকা।

 

► বিএনপির শুভবোধ জেগেছে, এটা দেখে আমরা আনন্দিত। তারা কাজ করবে এবং জনগণের পাশে দাঁড়াবে, এটাই চাই। এতে দেশে কোনো প্রভাব পড়বে না।

ফারুক আহমেদ

বাগমারা, রাজশাহী।

 

► জনগণের ভোটে নির্বাচিত বিএনপির পাঁচজন সংসদ সদস্যের সংসদে যোগদানকে সাধুবাদ জানাই। জনপ্রতিনিধি হয়ে সংসদকে তাঁরা প্রাণবন্ত করবেন, এটি আশা করি। জনস্বার্থে পজিটিভ চিন্তাচেতনা দিয়ে মূল্যবান যুক্তিতর্কের মাধ্যমে তাঁরা সংসদে অবদান রাখবেন বলে বিশ্বাস করি। তাঁরা সংসদের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখুন, এটা আমরা চাই। তাঁদের সংসদে যোগদান যথাসময়ে যথাসিদ্ধান্ত। জনগণ ভোট দিয়েছে সংসদে তাঁদের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য। তাদের স্বার্থ আদায় করার জন্য। বিএনপির সংসদ সদস্যদের সংসদে যোগদানকে গণতন্ত্রের বিজয় বলে মনে করি।

এইচ কে নাথ

পাহাড়তলী, চট্টগ্রাম।

 

► সব দলের সদস্যদের সংসদে গিয়ে ইতিবাচক ও গঠনমূলক আলোচনা করা উচিত। বিএনপির সদস্যদের যোগদানে ভালোই হলো। তাঁদের আরো আগেই যোগ দেওয়া উচিত ছিল। জনগণের পক্ষে কথা বলা দরকার। বিএনপির জন্য সে সুযোগ এলো। স্পিকার বলেছেন, তাঁদের বেশি সময় দেওয়া হবে। ফখরুলের যে অবস্থা হয়েছে তা দলের কারণেই হয়েছে। সংসদে যোগদানের সিদ্ধান্ত সার্বিক বিচারে ইতিবাচক।

মো. তৈয়ব আলী

ফরিদগঞ্জ, চাঁদপুর।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা