kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২০ জুন ২০১৯। ৬ আষাঢ় ১৪২৬। ১৬ শাওয়াল ১৪৪০

এক মাসের মধ্যে বিচার সম্পন্ন করা

২০ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



যৌন পীড়ন ও নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটেই চলছে একের পর এক, থেমে নেই। না থামার আসল কারণ হলো, ধরা পড়লেও বিচারকার্য শেষ হতে দীর্ঘ সময় চলে যায়। নিম্ন আদালত, উচ্চ আদালতসহ আরো কত ধাপ—এসব অতিক্রম করতে দীর্ঘদিন সময় লাগে। বছরের পর বছর চলে যায়। অপরাধী মনে করে, তার ধনদৌলত, অঢেল টাকা রয়েছে, কে ঠেকাবে তাকে? অপরাধীও পায় আইনি লড়াই করার সুযোগ। এ রকম সুযোগ-সুবিধা থাকায় বিচারকার্য সম্পন্ন হতে বছরের পর বছর, কখনো বা যুগ পার হয়ে যায়। এই কারণে অপরাধীদের মনে কোনো ভয়ভীতি থাকে না। আর এ জন্যই দিকে দিকে চারদিকে সংক্রমণ রোগের মতো যৌন পীড়ন ও নারী নির্যাতনের ঘটনা থামছে না। অবিরাম বৃষ্টি বর্ষণের মতো চলছেই। নারী ধর্ষণ, বালক বলাৎকারের ঘটনা নিত্যদিন শুনতে হচ্ছে। আবার কি না অসংখ্য যৌন পীড়নের ঘটনা রক্তচক্ষুর ভয় দেখিয়ে কিংবা টাকা দিয়ে ধামাচাপা দেওয়া হচ্ছে। যে জন্য তা খবরের কাগজে প্রকাশ পায় না, থেকে যায় লোকচক্ষুর অন্তরালে। এ অবস্থায় আমরা মনে করি, যৌন পীড়ন ও নারী নির্যাতনের ঘটনা থামাতে পারে অপরাধী ধরা পড়ার এক মাসের মধ্যে বিচার শেষ করে শাস্তি কার্যকর করলে। এর বিকল্প কোনো কিছুই নেই।

লিয়াকত হোসেন খোকন

রূপনগর, ঢাকা।

মন্তব্য