kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৩ মে ২০১৯। ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৭ রমজান ১৪৪০

পুরুষকে আন্তরিক হতে হবে

২০ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নারী নির্যাতন বন্ধে প্রথমেই দরকার পুরুষের আন্তরিক হওয়া। কারণ প্রায় সব নারী নির্যাতন পুরুষ কর্তৃক সংঘটিত হয়। নারী নারীকে নির্যাতন করে না। নির্যাতিত নারী থানা-পুলিশ যেখানেই যায়, সেখানেও পুরুষ কর্মকর্তাদের দারস্থ হতে হয়। তারা নির্যাতিত নারীকে কতটা সহায়তা করে—সেটাই প্রশ্ন। ঝামেলা, বিচার না পাওয়ার ঝুঁকি, বিচার চাইতে গেলে প্রাণনাশের ঝুঁকি—এসব কারণে বহু নির্যাতিত নারী থানায় যায় না। মামলা করে না। যত সংখ্যক নারী নির্যাতনের সংবাদ আমরা সংবাদপত্রে দেখি, বাস্তবে সংখ্যা আরো বেশি। পুলিশ মামলা নেয় বটে, তবে নির্যাতনকারী কিছুদিন পর জেল থেকে বেরিয়ে আসে। বিচার হয় না। ফলে অপরাধীরা আশকারা পেয়ে যাচ্ছে। আইন প্রণয়নই শেষ কথা নয়। আইনের প্রয়োগ হতে হবে। নির্যাতিত নারী যেন সহজে বিচার পায়, সেই ব্যবস্থা নিতে হবে। নারী নির্যাতন বন্ধে যত মুখরোচক কথা হয়, তার সিকিভাগও কাজ হয় না। এটাই দুঃখের বিষয়। ব্যক্তি সচেতনতাও নেই। পরিবারে একজন কর্তৃক নারী নির্যাতিত হয়, অন্যরা চুপ থাকে। কিংবা অপরাধী সদস্যকে সমর্থন দেয়। নারীবাদী সংগঠনগুলো ঐক্যবদ্ধ নয়। নারীর ক্ষমতায়নে তাদের তৎপরতা আশাপ্রদ নয়। অর্থনৈতিকভাবে নারী যেন স্বাবলম্বী হতে পারে, সেই ব্যবস্থা করা দরকার। নারী নির্যাতন সামাজিক ব্যাধি। এই ব্যাধি দূর করতে সবার আন্তরিক প্রচেষ্টা দরকার।

মুহাম্মদ শফিকুর রহমান

বানারীপাড়া, বরিশাল।

মন্তব্য