kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৭ জুন ২০১৯। ১৩ আষাঢ় ১৪২৬। ২৩ শাওয়াল ১৪৪০

রুখতেই হবে এ যৌন সন্ত্রাস

২০ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ১ মিনিটে



ঘরে-বাইরে নিপীড়ন-বৈষম্যের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের প্রত্যেক নারীকে কমবেশি জীবন পার করতে হয়। বখাটেদের হয়রানি-হামলার শিকার হতে হয়নি এমন নারী খুঁজে পাওয়া কঠিন। উৎসব-সমাবেশে নারীর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে মোবাইল ফোনে ভিডিওচিত্র ধারণ—এগুলো কি শুধুই শ্লীলতাহানি? এগুলো যৌন হয়রানি বা যৌন সন্ত্রাস। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও নিরাপদ নয়, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এ ধরনের নির্যাতনের খবর দেখে বিস্মিত হতে হয়। নিকট-অতীতে তনু, রাফিয়া, মিতু, সাগর-রুনি হত্যা নিয়ে দেশব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টি হলেও একটিরও বিচার হয়নি। পুলিশের পক্ষ থেকে তদন্তে অপরাধী চিহ্নিত না হওয়ার অজুহাত তোলা হয়েছে। কিন্তু অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে যে নুসরাত জীবন দিয়েছে, তার ক্ষেত্রে সেই অজুহাত তোলার সুযোগ নেই। আমাদের কোনো কান্না বা প্রতিবাদই নুসরাতকে আর ফিরিয়ে আনতে পারবে না। কিন্তু তার হত্যার বিচার হলে নুসরাতের স্বজনরা অন্তত এই সান্ত্বনাটুকু পাবে যে অপরাধীরা আইনের ঊর্ধ্বে নয়। বিচারহীনতার অবসান ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হোক।

মেনহাজুল ইসলাম তারেক

মুন্সিপাড়া, পার্বতীপুর, দিনাজপুর।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা