kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২০ জুন ২০১৯। ৬ আষাঢ় ১৪২৬। ১৬ শাওয়াল ১৪৪০

অপরাধীর গ্রেপ্তার ও কঠোর শাস্তি বাঞ্ছনীয়

১৩ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নারী ও শিশু নির্যাতন, হত্যা-রাহাজানিসহ অনেক ফৌজদারি অপরাধ এখন নিত্যদিনের ব্যাপার। অপরাধের শিকার কোনো নারীর ন্যায়বিচার চাওয়া কিংবা প্রতিবাদ করাও বিপজ্জনক। এর সর্বসাম্প্রতিক দৃষ্টান্ত ফেনীর সোনাগাজীর একটি মাদরাসার এক ছাত্রীর গায়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার ঘটনা। গত ৬ এপ্রিল শনিবার ফেনীতে এমন লোমহর্ষক ও নৃশংস দৃশ্যের অবতারণা হয়। বাংলাদেশের নারীরা আজ পরিবার, সমাজ ও দেশের উন্নয়নে সমানভাবে অবদান রাখছেন। নারীরা আর চার দেয়ালের মধ্যে আবদ্ধ নেই। যে দেশে মোট জনসংখ্যার অর্ধেক নারী, যে দেশে খোদ প্রধানমন্ত্রী নারী, সংসদে স্পিকার নারী, মন্ত্রিসভা, সংসদ, সচিবালয়, পুুলিশ প্রশাসনসহ উচ্চপর্যায়ে নারীরা অধিষ্ঠিত; সে দেশে নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা বাড়ছে। দীর্ঘদিন এ অবস্থা চলতে দেওয়া যায় না। দেশে আইন আছে; কিন্তু তার যথাযথ প্রয়োগ নেই। আইনের প্রয়োগ বা বাস্তবায়নের অভাবে অপরাধীরা আরো বেশি অপরাধপ্রবণ হয়ে যাচ্ছে। এখনই সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এমন দোষী শিক্ষকদের অপসারণ করে বিচারের আওতায় আনতে হবে। নুসরাত জাহান রাফির হত্যাকাণ্ডের সুষুম তদন্ত করে এমন শাস্তি দিতে হবে, যাতে কেউ এ ধরনের ঘৃণ্য কাজের সূত্রপাত করার সাহস না পায়।

মো. ইলিয়াছ হোসেন

খটখটিয়া, মহানগর, রংপুর।

মন্তব্য