kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৭ জুন ২০১৯। ১৩ আষাঢ় ১৪২৬। ২৩ শাওয়াল ১৪৪০

সুষ্ঠু বিচারের একটি নজিরই নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধে যথেষ্ট

১৩ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ১১ মিনিটে



সুষ্ঠু বিচারের একটি নজিরই নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধে যথেষ্ট

নারীর প্রতি বিদ্বেষ ও সহিংসতা বাড়ছে। এ প্রবণতা নতুন নয়। কোনো প্রতিকার নেই। বিচারহীনতার সংস্কৃতি এ ধরনের অপরাধকে উত্সাহিত করে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে অপরাধীরা পায় প্রভাবশালী মহলের আশ্রয় ও প্রশ্রয়। নুসরাত জাহান রাফি হত্যার ঘটনায় সরকারপ্রধান বিচারের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, অঙ্গীকার করেছেন তার বাস্তব প্রতিফলন দেখতে চায় মানুষ। কঠোর শাস্তির একটি ঘটনা উদাহরণ সৃষ্টি করতে পারে। টেলিফোন ও ই-মেইলে কালের কণ্ঠ’র পাঠকরা এ অভিমত জানিয়েছেন

 

► যে নারীরা পুরুষকে জন্ম দেন, সেই পুরুষই নারীর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। বাবাতুল্য শিক্ষক যখন ছাত্রীর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে, আমাদের মাথা ফাঁকা হয়ে যায় কষ্টে। আমাদের সচেতন হতে হবে এবং প্রশাসনের আরো সজাগ হতে হবে।

কুমারেশ চন্দ্র

বাস শ্রমিক, ঝিনাইদহ।

 

► প্রথমে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধ হোক। অতীতে যারা খুন ও ধর্ষণে অভিযুক্ত হয়েছে, তাদের বিচার হয়নি। ফলে অপরাধীরা সাহস পায় নতুনভাবে অন্যায় করার। নারীদেরও সচেতন হতে হবে। আইনের ফাঁকফোকর বন্ধ করতে হবে।

রাজীব শেখ

নারায়ণগঞ্জ।

 

► কালক্ষেপণ না করে দ্রুত বিচারের রায় দিতে হবে এবং তা বাস্তবায়ন করতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই।

নীতেশ বৈদ্য

জগন্নাথপুর, সুনামগঞ্জ।

 

► প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী রাফির খুনিদের কঠোর শাস্তি দেওয়া হোক, সেটাই চায় দেশের মানুষ। দেশে খুন, ধর্ষণ, নির্যাতন বেড়েই চলছে, এসব অপরাধের বিচার হওয়া দরকার। অপরাধ করেও পার পায়, আইন থাকলেও প্রয়োগ কম।

ফোরকান আক্তার চৌধুরী

আরজতপাড়া, তেজগাঁও, ঢাকা।

 

► আর কত রাফির মৃত্যু হলে টনক নড়বে আমাদের? শিক্ষক হবেন বাবার মতো। মা-বাবার পরই যে শিক্ষকের স্থান, সেই শিক্ষক নিজের প্রতিহিংসা মেটাতে রাফির শরীরে আগুন লাগিয়ে দিলেন। এই বর্বর পৈশাচিক কাজে সেই অধ্যক্ষের সহযোগিতা যাঁরা করেছেন, তাঁদের প্রত্যেকের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছি। নির্যাতনের শিকার নারী যেন প্রশাসন থেকে তাত্ক্ষণিক দ্রুত সহযোগিতা পায় তার ব্যবস্থা করা দরকার। ধর্ষকের সামাজিক পরিচয়, সামাজিক অবস্থান না দেখে অপরাধীকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করে শাস্তির ব্যবস্থা করা দরকার। অপরাধীদের পৃষ্ঠপোষকদেরও কঠোর শাস্তির আওতায় আনুন। বর্বর ও পৈশাচিক অবস্থার উত্তরণে শাস্তি নিশ্চিত করার কোনো বিকল্প নেই।

মো. দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া

লাকসাম, কুমিল্লা।

 

► নতুন করে যেন এমন বিষয় আর না ঘটতে পারে, সে জন্য অপরাধীদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই।

ফারুক আহমেদ

বাগমারা, রাজশাহী।

 

► নুসরাতের মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটনা তেঁতুলিয়া থেকে টেকনাফ পর্যন্ত মানুষের চোখে জল নামিয়ে দিয়ে গেল। কত মানুষের আহাজারি আর কত প্রশ্ন—কবে দেখব এই নৃশংসতম হত্যাকাণ্ডের বিচার। বিচারের বাণী নিভৃতে যে কাঁদে এ কথা আর শুনতে চাই না। অপরাধী অমানুষের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। কষ্ট লাগে একের পর এক নৃশংসতম ঘটনা ঘটেই চলেছে। কত খবর মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়, আবার অনেক খবর অগোচরে থেকে যায়। দ্রুততম সময়ের মধ্যে নুসরাত হত্যাকাণ্ডের বিচার দেখতে চাই।

লিয়াকত হোসেন খোকন

রূপনগর, ঢাকা।

 

► ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনে সরাসরি সরকারের হস্তক্ষেপ দরকার বলে মনে করি।

আব্দুর রাজ্জাক ভুঁইয়া

শাহজাদপুর, সিরাজগঞ্জ।

 

► অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের শ্লীলতাহানি, আর্থিক দুর্নীতি, নাশকতা ও পুলিশের ওপর হামলার মতো গুরুতর অভিযোগ ছিল। তাঁকে তিনবার কারাবরণও করতে হয়েছে। কিন্তু দীর্ঘসূত্রতার কারণে বিচার এখনো সম্পন্ন হয়নি। তাঁকে কারা সাহস জোগায় সেটাই বড় প্রশ্ন। আমাদের দেশে অনেক প্রতিষ্ঠান জনসাধারণ ও ক্ষেত্রবিশেষে সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় প্রতিষ্ঠিত হয়। কিন্তু প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর এসবের প্রধানরা নিজস্ব গতিতে চলেন; ক্ষমতার নিজস্ব বলয় সৃষ্টি করেন। এই দুষ্ট বলয় ভেঙে দেওয়া নিয়ে সমাজকে ভাবতে হবে। শুধু সরকার সব দিক সামাল দিতে পারবে না, সমাজকেও এগিয়ে আসতে হবে।

ভূঁইয়া কিসলু বেগমগঞ্জী

চৌমুহনী, হাজীপুর, বেগমগঞ্জ, নোয়াখালী।

 

► মানুষের চিন্তা ও বোধশক্তির কতটা অধঃপতন ঘটলে কেউ অন্যায়কারীর পক্ষে মিছিলে নামতে পারে—জানি না। আজ সবচেয়ে বেশি দরকার মানুষের গোঁড়ামি দূর করা। শুধু সিরাজ উদ দৌলা নয়, এই নিকৃষ্ট ঘটনার সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় এনে বিচার করতে হবে। সুষ্ঠু তদন্ত সংঘটিত হবে এমন ব্যক্তির ওপর দায়িত্ব অর্পণ করতে হবে। আর পোশাকই যে ধর্ষণের একমাত্র কারণ নয়, সেটাও বুঝতে পারার কথা। কেউ নোংরা কাপড় পরে ঘুরে বেড়ায় আবার কেউ নোংরা চিন্তা নিয়ে ঘুরে বেড়ায় নোংরা সুযোগের অপেক্ষায়। আমাদের মানসিকতা ও বিচার ব্যবস্থায় সমান্তরালভাবে আমূল পরিবর্তন আনা সম্ভব না হলে সমাজে এমন ন্যক্কারজনক ঘটনা চলতেই থাকবে। পরিবর্তন জরুরি।

সোলায়মান শিপন

ঢাকা।

 

► ধর্ষণের শ্রেণিবিন্যাস করে রাফি ধর্ষণের মতো নিষ্ঠুর, জঘন্যতম, মর্মান্তিক, অমানবিক, সংঘবদ্ধ ও পরিকল্পিত ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে বিশেষ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি কার্যকরের ব্যবস্থা করতে হবে। ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক তৃণমূল নেতাদের ও তৃণমূল প্রশাসনের জরুরি ভূমিকা থাকতে হবে, যাতে কোথায়ও এমন ঘটনা আর ঘটতে না পারে। সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়িত হলে রাফিকে আজ আমরা হারাতাম না। তৃণমূল নেতাদের ও প্রশাসনে নিয়োজিতদের সজাগ থাকতে হবে। এদের মননশীলতা পরিবর্তন করে মানবিক সেবাধর্মী করা গেলে সমাজে ধর্ষণের মাত্রা যে শূন্যের কোঠায় আসবে তা সবাই অনুধাবন করে। কিন্তু বিড়ালের গলায় ঘণ্টা বাঁধার দায়িত্ব নিতে কেউ চায় না। সমাজের অবক্ষয় রোধে আমাদের নতুন করে ভাবতে হবে।

এইচ কে নাথ

পাহাড়তলী, চট্টগ্রাম।

 

► মানুষ হত্যা মহাপাপ। তাও আবার আগুন দিয়ে, এ কেমন বর্বরতা? নুসরাতের পর আমরা এমন নৃশংসতা আর দেখতে চাই না। এসব নৃশংসতা বন্ধের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে হবে, কর্তৃপক্ষকে কড়া পাহারাদারির ব্যবস্থা করতে হবে, দুষ্কৃতকারীদের তাত্ক্ষণিক শাস্তির আওতায় আনতে হবে, অভিভাবকদের সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। পাশাপাশি উত্ত্যক্তকারী ও অবৈধ সম্পর্কে জড়িত এমন শিক্ষকদের উচিত শাস্তি ও বহিষ্কার আইন প্রণয়ন করলে কিছুটা পরিত্রাণ পেতে পারি এমন অমানবিক নির্যাতন থেকে।

নুর মুহাম্মদ ওবাইদী

মীরগঞ্জ, ফেনী।

 

► পিতৃতুল্য শিক্ষক যখন ধর্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদরাসায়, তখন আমাদের নৈতিকতা কোথায়—তলানি খুঁজে পাই না। ফেনীর মাদরাসাছাত্রী নুসরাত আমাদের বোধে নাড়া দিয়ে গেল। এর পেছনে আমাদের বিচারহীনতাই দায়ী। পুরুষের মানসিকতার পরিবর্তন ও সমাজে বড় ধাক্কা ছাড়া পরিবর্তন সম্ভব হবে না। জরুরি ব্যবস্থা চাই এখনই।

আসাদুল্লাহ মুক্তা

উল্লাপাড়া, সিরাজগঞ্জ।

 

► ক্ষমতাশালী ব্যক্তিদের কারণে যথাযথ বিচারের আওতায় আনা যাচ্ছে না অপরাধীদের, ধর্ষণকারীদের। বিচার বিভাগ, আইন বিভাগ ও প্রশাসনের ত্রুটি-বিচ্যুতির কারণে নৃশংস ঘটনা ঘটছেই। প্রশাসনকে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করতে হবে; ধর্ষণকারীর যথাযথ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। সরকারকে কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে। ধর্ষণকারীর জন্য ফাঁসির শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। অপরাধী যে-ই হোক না কেন, বিচার সবার জন্য সমান। রাজনীতির আশ্রয় নিয়ে অপরাধী যেন পার না পায়।

মো. সোহেল মোল্যা

রামকান্তপুর, সালথা, ফরিদপুর।

 

► অনৈতিকতার বিরুদ্ধে সবাইকে সচেতন হতে হবে। চেতনার জাগরণ দরকার। অন্যায় প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলন করতে হবে।

কামরুজ্জামান

কলাবাগান, ঝিনাইদহ।

 

►যারা খুন ও ধর্ষণ করে, তাদের জনসমক্ষে নিয়ে এসে প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করলে এই অপরাধ করতে মানুষ একটু চিন্তা করবে। শাস্তি যত কঠোর হবে অপরাধ তত কম হবে। আর অপরাধী যে-ই হোক তার শাস্তি শতভাগ নিশ্চিত করতে হবে। কারণ আইনেরও একটা আইন আছে, আইন সবার জন্য সমান।

ফোরকান উদ্দীন

রামপুরা, বনশ্রী, ঢাকা।

 

► নুসরাতের ভাষ্য অনুযায়ী অধ্যক্ষ নুসরাতের স্পর্শকাতর স্থান স্পর্শ করেছেন, প্রশ্ন দেওয়ার প্রলোভনও দেখিয়েছেন। প্রশ্ন ফাঁসের প্রলোভন দেখিয়ে অধ্যক্ষ প্রমাণ করেছেন, তিনি প্রশ্ন ফাঁস চক্রের সঙ্গে জড়িত। একই সঙ্গে তিনি যৌন হেনস্তাকারী, প্রশ্ন ফাঁসের অপরাধেও অপরাধী। দেশের আইন অনুযায়ী আমি তাঁর সর্বোচ্চ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। মাদরাসার অধ্যক্ষ হয়ে কিভাবে ছাত্রীকে আগুনে পোড়াতে পারলেন! নুসরাতের বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অবগত আছেন। তিনি নুসরাত হত্যার সঙ্গে জড়িত সিরাজ উদ দৌলা ও অন্য অপরাধীদের এমন শাস্তি দেবেন যে ইতিহাসের পাতায় তা লেখা থাকবে। ‘নুসরাত জাগরণ’ সৃষ্টি হয়েছে। এ জাগরণ যেন থেমে না যায়। 

আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ যুবায়ের

কল্যাণপুর, ঢাকা।

 

► এ ধরনের ঘটনা যেন আর না ঘটে, সে জন্য সরকারকে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

রাশেদুল ইসলাম

ভাঙ্গুরা, পাবনা।

 

► ধর্ষক ও খুনির বিচার হলে আর কেউ এমন অপরাধ করার চেষ্টা করত না। প্রচলিত বিচারব্যবস্থার সংস্কার করতে হবে। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।

এস এম ছাইফুল্লাহ খালেদ

কুতুবদিয়া, কক্সবাজার।

 

► বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু পিছিয়ে যাচ্ছে সামাজিকভাবে। সামাজিক অবক্ষয়ের ফলে দেশ এখন ভরাডুবির দিকে। নারীর প্রতি সহিংসতা দিন দিন বাড়ছে। মা-বাবা তার মেয়েকে, ভাই তার বোনকে শিক্ষাক্ষেত্রে, কর্মক্ষেত্রে পাঠাতে ভয় পায়।

মো. ইমন মোল্লা

মনোহরদী, নরসিংদী।

 

► যখন কিছুসংখ্যক লোক ধর্ষকের পক্ষ নিয়ে পথে নেমেছিল, তখনো নুসরাত প্রতিবাদ করেছে। মাটির বুকে তার শেষ আশ্রয় হয়েছে। কিন্তু ধর্ষকের বিরুদ্ধে, ঘাতকের বিরুদ্ধে তার প্রতিবাদ আমাদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে আছে, অনাগত প্রজন্মকে তা উদ্বুদ্ধ করবে। বিচারের বাণী নিশ্চিত করতে হলে এই চক্রকে রুখতেই হবে আমাদের।

বিলকিছ আক্তার

সরকারি ম্যাটস, টাঙ্গাইল।

 

► ধর্ষক ও সন্ত্রাসীদের মানুষ হিসেবে কোনো পরিচয় নেই। তাদের অপকর্ম কঠোর হাতে দমন করতে হবে। প্রয়োজনে সংসদে গুরুত্ব দিয়ে এ বিষয়ে আইন করতে হবে।

মো. জামরুল ইসলাম

দক্ষিণগাঁও, সবুজবাগ, ঢাকা।

 

► এমন নৃশংসতা বন্ধে সরকারের বিশেষ আইন করা দরকার, যে শাস্তি দেখে অন্যরা শিক্ষা নেয় আর এমন অপরাধ করতে সাহস না পায়।   

মো. আলমগীর মিয়া

নবীগঞ্জ, হবিগঞ্জ।    

 

► যে শিক্ষকদের নামে যৌন হয়রানিবিষয়ক মামলা ছিল ও মামলা আছে তদন্তপূর্বক তাদের দ্রুত অপসারণ করা হোক। বিদ্যালয়, কলেজে রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় যে ম্যানেজিং কমিটি হয় এরাই অপরাধ ঘটানোর জন্য বেশি দায়ী। ম্যানেজিং কমিটি করতে নতুন কাঠামো ও নীতিমালা প্রয়োজন। নির্দিষ্ট যোগ্যতা ও সৎ মানুষ ছাড়া ম্যানেজিং কমিটি করা চলবে না।

সাঈদ চৌধুরী

শ্রীপুর, গাজীপুর। 

 

► কিছু দুর্বৃত্ত, দুরাচারীর কারণে দেশে প্রায়ই নানা ধরনের বিপত্তি দেখা যায়। তারা ধর্ষণ, নারী ও শিশুপাচার, খুনখারাবির সঙ্গে জড়িত। জঘন্য অপরাধী যারা, তাদের পক্ষে যেন কোনো আইনজীবী ওকালতি না করেন। ধর্ষণ ও নারীপাচারের মতো অপরাধ যারা করে তাদের দ্রুত বিচার আদালতে বিচার করতে হবে।

মো. হুমায়ুন কবীর বাবু

দক্ষিণ বানিয়াগাতী, বেলকুচি, সিরাজগঞ্জ।

 

► কিছু কর্মকর্তা আছেন, যাঁরা অপরাধীদের পৃষ্ঠপোষকতা করেন, তাঁদের কারণেই যত সমস্যা। ফেনীর মাদরাসা অধ্যক্ষ যে কাজ করেছেন তাঁর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া দরকার। প্রশাসন যদি রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় না থাকে, তাহলে সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব।

মো. তৈয়ব আলী

ফরিদগঞ্জ, চাঁদপুর।

 

► প্রশাসনের অবহেলা, স্থানীয় রাজনীতিকদের অনৈতিক কাজে সংশ্লিষ্টতা ও অপরাধীদের প্রশ্রয় দেওয়া, অভিযোগ আমলে নিতে পুলিশের গড়িমসি ও দুর্নীতি, আইনের যথাযথ প্রয়োগ না হওয়া, বিচার প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা ইত্যাদি কারণে অপরাধীরা যথাযথ শাস্তি পায় না। ফলে অপরাধের মাত্রা বাড়ছেই। মাদরাসার অধ্যক্ষ যে অপরাধ করেছেন তার সঠিক ও দ্রুত বিচার হতে হবে। তাঁর সর্বোচ্চ দণ্ড হওয়া উচিত।

মো. হাশিম উদ্দিন

লাকসাম রেলস্টেশন, কুমিল্লা।

 

► নুসরাতের হত্যাকারীর সঙ্গে রাজনৈতিক লোকজনের ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক সখ্য দেখা যাচ্ছে, এটা দুঃখজনক। পুলিশও অপরাধীর পক্ষে কাজ করে; তাদেরও মামলার আসামি করতে হবে, শুধু প্রত্যাহার নয়। বিদ্যালয়-কলেজে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নজরদারি দরকার।

নাদিম খান

ভাইজোড়া, পিরোজপুর।

 

► আইনের যথাযথ প্রয়োগ হয় না বলেই এমন অপরাধ বাড়ছে। কুমিল্লার তনু, চট্টগ্রামের মিতু হত্যার বিচার হয়নি বলেই হত্যাকারীরা আরো অপরাধ করার সাহস পাচ্ছে। রাফি হত্যার বিচার যেন দ্রুত সম্পন্ন হয়—অপরাধীর যেন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হয়।

জাহাঙ্গীর কবীর পলাশ

শ্রীধরপুর, বাড়ৈখালী, মুন্সীগঞ্জ।

 

► পুলিশ অপরাধীর প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ করে, তাই তারা সাহস পায়। দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন না হলে, অপরাধীকে সামাজিকভাবে বয়কট করতে না পারলে নুসরাতের মৃত্যুর মতো আরো অনেক ঘটনা দেখতে হবে।

এম সাক্কুর আলম

জিনজিরা, ঢাকা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা