kalerkantho

শনিবার । ২৫ মে ২০১৯। ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৯ রমজান ১৪৪০

এমন লোভের আগুন আমরা দেখতে চাই না

৬ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মাত্র পাঁচ সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানী ঢাকায় তিনটি বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় একদিকে যেমন নাগরিক নিরাপত্তা বিষয়ে চরম উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে, একই সঙ্গে গভীর হতাশায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ছে অনেকে। অনিরাপদ সড়কপথে প্রতিদিন মৃত্যু ঘটছে। একের পর এক বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড মুহূর্তে ধ্বংস করে ফেলছে জীবন ও সম্পদ। এর দায়ভার কার ওপর বর্তাবে? গুলশানের অদূরে বনানী বাজারের কাছে একটি ভবনে কিছুদিন আগে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। আকাশছোঁয়া এ ভবন নির্মাণ প্রক্রিয়ায়ও মানা হয়নি আইন ও বিধি-বিধান। সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের ফায়ার সার্ভিস বিভাগের কর্মীদের দক্ষতা ও কারিগরি সক্ষমতা অনেক বেড়েছে। রাজধানী ও দেশের আরো অনেক স্থানে অগ্নিকাণ্ড ঘটছে নিয়মিত এবং ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা নিষ্ঠা ও আন্তরিকতায় তা মোকাবেলার চেষ্টাও করে যাচ্ছেন। তাঁদের সক্ষমতা বাড়ানোর তাগিদ রয়েছে। কিন্তু মানুষের লোভের আগুন যদি নিয়ন্ত্রণে আনা না যায়, বসবাসের স্থান এবং মার্কেট-অফিস ভবন নির্মাণের সময় যদি বিল্ডিং কোড ক্রমাগত উপেক্ষিত হতে থাকে, যদি সচেতনতা না বাড়ানো যায়, ফায়ার সার্ভিস বিভাগকে যত আধুনিক সরঞ্জামেই সজ্জিত করা হোক না কেন, অনাকাঙ্ক্ষিত আগুনের শিখা নির্বাপণ করা যাবে না। এ বিষয়ে নাগরিক সমাজের দায় অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষভাবে উদ্যোগী হতে হবে সরকারের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকেই। লোভের আগুন আত্মঘাতীই হয়ে থাকে, এটা অনুধাবন করতে হবে।

বিলকিছ আক্তার

সরকারি ম্যাটস, টাঙ্গাইল।

মন্তব্য