kalerkantho

রবিবার । ২৬ মে ২০১৯। ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ২০ রমজান ১৪৪০

অর্জন সন্তোষজনক, এখন গণতন্ত্র সংহত করা দরকার

৩০ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ১১ মিনিটে



অর্জন সন্তোষজনক, এখন গণতন্ত্র সংহত করা দরকার

বাংলাদেশ স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ৪৮ বছর আগে। অনেক বাধাবিপত্তি অতিক্রম করতে হয়েছে এ সময়ে। স্বাধীনতার লক্ষ্যের বিপরীতমুখী যাত্রাও দেখতে হয়েছে মানুষকে। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বাধা কাটিয়ে এগোচ্ছে বাংলাদেশ। মানবসম্পদ সূচকে অগ্রগতি প্রশংসনীয়; শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খাদ্যসংস্থান, নারীর ক্ষমতায়ন প্রভৃতিতে লক্ষণীয় উন্নতি হয়েছে। আয়-আয়ু বেড়েছে, উন্নয়নশীল দেশের কাতারে পৌঁছেছে বাংলাদেশ। এসব ব্যাপারে বর্তমান সরকারের ভূমিকা কেউ অস্বীকার করে না। স্বাধীনতার অন্যতম মূল লক্ষ্য গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা এখনো কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় অর্জিত হয়নি, গণতান্ত্রিক সহাবস্থান নেই। সরকারকে এবং সব নাগরিককে এখন সে লক্ষ্যে কাজ করতে হবে। টেলিফোন ও ই-মেইলে কালের কণ্ঠ’র পাঠকরা এ অভিমত জানিয়েছেন

 

► শিক্ষা খাতে, চিকিৎসা খাতে, পণ্য উৎপাদন খাতে আমরা তুলনামূলকভাবে অনেক পিছিয়ে। আমরা কয়েক শ কোটি টাকা খরচ করে আকাশে স্যাটেলাইট পাঠালাম অথচ আমাদের সেনাবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসের আধুনিক সরঞ্জাম নেই। স্বাধীন দেশে আমরা স্বাধীনতা খুঁজে পাই না।

কে ডি মিজানুর রহমান

পাংগা, রাজারহাট, কুড়িগ্রাম।

 

► স্বাধীনতা অর্জনের ৪৮ বছর পরও মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করেছি বলে মনে হলেও দেশ এখনো পূর্ণ স্বাধীন হয়নি। দেশে প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়নি। স্বাধীনভাবে রাজনীতি চর্চার পথ বন্ধ হয়ে আছে। মানুষের অধিকার নিয়ে কথা বললেই মামলা, হামলা, নির্যাতন, গুম, হত্যা চলছে। স্বাধীন বিচার বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

এস এম ছাইফুল্লাহ খালেদ

কুতুবদিয়া, কক্সবাজার।

 

► স্বাধীনতার এত বছর পরও মুক্তিযোদ্ধা বিতর্ক থামছেই না। নতুন মুক্তিযোদ্ধা তালিকা বাস্তবায়নের পাশাপাশি ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের চিহ্নিত করা দরকার বলে মনে করি।

নাদিম খান

ভাইজোরা, পিরোজপুর।

 

► গণতন্ত্রের অন্যতম প্রাথমিক যে শর্ত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচনী ব্যবস্থা, তার গুরুতর অবক্ষয় ঘটে গেছে। মত প্রকাশের স্বাধীনতা সংকুচিত হয়ে চলেছে, রাজনৈতিক সংস্কৃতি গণতন্ত্রের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ও বৈরিতামূলক, সুশাসন দুর্বলতর, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার বেড়েই চলেছে। এভাবে চলতে থাকলে আমাদের অর্থনৈতিক অগ্রগতির ধারাবাহিকতা রক্ষা করা সত্যি দুরূহ হয়ে পড়বে। স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের সর্বাঙ্গীণ উন্নতির জন্য গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের পথেই এগিয়ে যেতে হবে আমাদের।

বিলকিছ আক্তার

সরকারি ম্যাটস, টাঙ্গাইল।

 

► দেশ এগিয়ে যাচ্ছে বঙ্গবন্ধুর যোগ্য কন্যার নেতৃত্বে। আমরা আশাবাদী। দেশ ভবিষ্যতে আরো বহুদূর এগিয়ে যাবে।

কুমারেশ চন্দ্র

বাস শ্রমিক, ঝিনাইদহ।

 

► বাংলাদেশে উন্নয়নের রোল মডেলের জন্য আরো বেশি কাজ করতে হবে। বিজয়ের ৪৯তম বছরে আমাদের প্রত্যাশা হবে—ন্যায়বিচার, জনগণের স্বাধীনভাবে চলাফেরা, মতামত প্রকাশের অধিকার, আইনি অধিকার, সুষ্ঠু বিচারের অধিকার, বেঁচে থাকার অধিকার। বাংলাদেশ যাতে বিশ্বের মধ্যে উন্নত রাষ্ট্রের মধ্যে থাকতে পারে। বাংলাদেশ ৪৯তম বিজয়ের দিনে আমাদের প্রত্যাশা হোক একটি স্বচ্ছ গণতান্ত্রিক দেশ; যাতে সবাই মিলেমিশে বেঁচে থাকতে পারি। প্রতিহিংসামূলক কোনো রাজনীতি থাকবে না।

মাহফুজুর রহমান খান

চিনিতোলা, মেলান্দহ, জামালপুর।

 

► স্বাধীনতা আমাদের এসেছে। একটা সময় অন্য দেশের সঙ্গে আমরা ভাষা নিয়ে যুদ্ধ করেছি, স্বাধীনতার জন্য মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছি আর স্বাধীনতাকে ছিনিয়েও আনতে সক্ষম হয়েছি। কিন্তু এখন আমরা নিজেরা নিজেরা সভ্যতা আনয়নে যুদ্ধ করি। আমরা মানবিকতার প্রশ্নেও দ্বিধাবিভক্তি তৈরি করি কখনো কখনো, অন্যের কাজের সমালোচনা করতে গিয়ে দেশের বঞ্চনার কথা সামনে নিয়ে আসি। এভাবে হলে স্বাধীনতার মূল্যায়ন কতটুকু রাখতে পারব আমরা, এমন প্রশ্ন কিন্তু এসেই যায়। নৈতিকভাবে দেশকে সঠিক পথে এগিয়ে নিতে পারাই হবে স্বাধীনতার আসল স্বাদ।

সাঈদ চৌধুরী

শ্রীপুর, গাজীপুর।

 

► অনেক রক্তের বিনিময়ে স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে। তবু ৪৮ বছরেও স্বাধীনতার মূল লক্ষ্যের অনেক কিছু অর্জিত হয়নি। জুলুম, অন্যায়, অবিচার, সুদ, ঘুষ, চুরি, ডাকাতি, লুণ্ঠন, অপহরণ, অশান্তি, অমানবিকতা—এসব এখনো বিদ্যমান। অথচ এগুলো থেকে রক্ষার জন্যই স্বাধীনতার লড়াই, এত রক্তক্ষয়, এত মেহনত। আসুন, কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা পাওয়ার লক্ষ্যে দেশের সবাই সজাগ হই, সক্রিয় হই।

মাওলানা নুর মুহাম্মদ ওবাইদি

মীরগঞ্জ, ফেনী।

 

► স্বাধীনতার ৪৮ বছর পরও কাঙ্ক্ষিত গণতন্ত্র আসেনি। সরকার স্বেচ্ছাচারী আচরণ করে। এমন উন্নয়ন দিয়ে আমরা কী করব, যেখানে আগুনে মানুষ মরে, চিকিৎসার জন্য বিদেশ যেতে হয়! মুক্তিযোদ্ধারা স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন; কিন্তু সেই স্বাধীনতার স্বাদ পেতে কিশোর-তরুণসমাজকে রাস্তায় নামতে হয়, নিরাপদ সড়কের জন্য মিছিল করতে হয়; শিক্ষার জন্য, বেতন-ভাতার জন্য আন্দোলন করতে হয়। স্বাধীনতার ৪৮ বছরেও উন্নয়নের ফল বণ্টনে সুষমতা আসেনি।

হোসাইন শাহাদাত

নোয়াখালী।

 

► বঙ্গবন্ধুকন্যার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে চলেছে। ২০৪১ সাল পর্যন্ত যদি তাঁরা ক্ষমতায় থাকেন, দেশ অনেক দূর এগিয়ে যাবে, বিশ্বাস করি।

কামরুজ্জামান

কলাবাগান, ঝিনাইদহ।

 

► স্বাধীনভাবে আমরা বেঁচে আছি—এটিই সবচেয়ে বড় অর্জন। ৪৮ বছরে পাওয়ার পরিমাণই বেশি, না পাওয়া কম। পাকিস্তানি হানাদাররা দেশটিকে শেষ করে দিয়েছিল। একটি দেশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছিল। সেখান থেকে আমরা মাথা তুলে দাঁড়িয়েছি। পাকিস্তানি হানাদারদের দোসরদের বিচার হচ্ছে। অর্থনৈতিকভাবে আমরা এখন উদীয়মান বাঘ। কৃষি, রপ্তানি, কর্মসংস্থান, আবিষ্কার, নারীর ক্ষমতায়ন—সব কিছুতে দেশ এগিয়েছে। হানাদার লুটেরা পাকিস্তান সব দিক থেকে আমাদের চেয়ে পিছিয়ে। তৈরি পোশাক শিল্পে বাংলার নারী অসামান্য সফলতা দেখাচ্ছে। কিছু পাওয়ার আশায় মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধ করেননি। তাঁরা দেশের জন্য লড়েছেন। মুক্তিযোদ্ধা ও যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের প্রতি নজর দিতে হবে। যানজট, গ্যাস, পানি, যৌতুক, বাল্যবিবাহ—এসব সমস্যার সমাধান আশু দরকার। শতভাগ গণতন্ত্র হয়তো আসেনি, তবে পরিবেশ সৃষ্টি হচ্ছে। এটিও বড় অর্জন।

মুহাম্মদ শফিকুর রহমান

বানারীপাড়া, বরিশাল।

 

► আমদানি-রপ্তানিতে আশাতীত অগ্রগতি হয়েছে। যুদ্ধাপরাধ ও জাতির পিতা হত্যার বিচার হয়েছে। সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ সাঁতার কেটে পাকিস্তানের উপকূলে পৌঁছেছে। লুটপাটের দল দেশ ছেড়ে পালাচ্ছে। দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা এসেছে। খেটে খাওয়া জনগোষ্ঠী অনুকূল পরিবেশ পেয়ে উৎপাদনে মনোযোগী হয়েছে। গার্মেন্ট সেক্টরে আশানুরূপ সফলতা অর্জিত হয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রাভাণ্ডার সন্তোষজনক। বেকার সমস্যা সমাধানের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। দেশ শিল্প-বাণিজ্যে এগিয়ে যাচ্ছে। রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে মানবতাবাদী দেশ হিসেবে সম্মানিত হচ্ছে বাংলাদেশ। জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার চেষ্টা অব্যাহত আছে। ধনী-গরিব ব্যবধান কমাতে পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হচ্ছে। সমাজে শান্তি স্থাপন করা হয়েছে। মাদক ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। লাইনচ্যুত বাংলাদেশ নামক রেলগাড়ি আবার লাইনে উঠেছে—শেখ হাসিনার বিচক্ষণ নেতৃত্বে। পারস্পরিক সম্পর্কোন্নয়নের মাধ্যমে সবার মৌলিক চাহিদা নিশ্চিত করে দ্রুত কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব হবে।

এইচ কে নাথ

পাহাড়তলী, চট্টগ্রাম।

 

► স্বাধীনতার ৪৮ বছরে আমাদের গর্ব করার মতো অনেক বিষয় রয়েছে; ব্যর্থতা এবং গ্লানিও রয়েছে। এখনো আমাদের নিরাপদ সড়কের জন্য আন্দোলন করতে হয়। অপরিকল্পিত নগরায়ণের ফলে অহরহ ঢাকা শহরে ঘটছে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। এমন আরো কিছু সমস্যা রয়েছে। এসবের কার্যকর সমাধান দরকার।

আফিয়া ফারজানা ইরিন

খটখটিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, রংপুর।

 

► স্বাধীনতার ৪৮ বছরে অর্জন কম নয়। দুর্ভাগ্য ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর থমকে গিয়েছিল বাংলাদেশ, পিছিয়ে ছিল ২১ বছর। ১৯৯৬ সাল থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নপূরণে কাজ করে যাচ্ছেন। ৪৮ বছরে যে অর্জন হয়েছে, তা হয়েছে জনগণ, প্রকৃতি ও শেখ হাসিনার অবদানে। পরগাছা, দুর্নীতিবাজ দলীয় কর্মীদের বিতাড়ন করতে পারলে এবং রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাকে দুর্নীতিমুক্ত করতে পারলে দেশ আরো এগিয়ে যাবে।

আসাদুল্লাহ মুক্তা

মহেশপুর, উল্লাপাড়া, সিরাজগঞ্জ।

 

► ৪৮ বছর আগের ও পরের অবস্থায় রাত-দিন তফাত। ৩০ লাখ মানুষের প্রাণের বিনিময়ে, দুই লাখ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে স্বাধীনতা পেয়েছি। অনেক অগ্রগতি আমাদের হয়েছে। এখন দরকার কার্যকর গণতন্ত্র ও সুশাসন।

শ্রী চাঁদ

কুলিয়ার চর, কিশোরগঞ্জ।

 

► একটি জাতির জীবনে ৪৮ বছর কম সময় নয়। এত বছরেও কি স্বাধীন হতে পেরেছি সত্যিকার অর্থে? লাখ লাখ শহীদের রক্তের কতটা মূল্যায়ন আমরা করেছি? সঠিকভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা করতে পারিনি আজও। অর্জনের পাল্লা খুব একটা ভারী নয়। আজও আমাদের দেশে মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনারা আছেন, আমরা তাঁদের যথাযথ মূল্যায়ন করতে পারছি না। দুর্নীতি মহাসমস্যা হয়ে জেঁকে বসেছে। আমাদের সন্তানদের মানসম্মত শিক্ষা চাই, যাতে ওরা সুন্দর দেশ উপহার দিতে পারে।

সাবিনা সিদ্দিকী শিবা

ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ।

 

► অনেক কষ্টে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি। কিন্তু আমরা খুব একটা স্বাধীন নই। আমাদের নানা ধরনের সংকট ও দুঃখ আছে। বৈষম্য আছে। দুর্নীতি ও অভাবের দায় আছে। এগুলো দূর করতে হবে।

সৈয়দ আজিজুল হক

স্টেডিয়ামপাড়া, মাগুরা।

 

► বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশের আধুনিকায়ন, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, রাস্তাঘাট ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন, উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে উন্নীতকরণ ইত্যাদি ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অগ্রগতি অনস্বীকার্য। একটি দেশের উন্নয়নের প্রধান হাতিয়ার হচ্ছে তরুণ ও যুবসমাজ। আমাদের দেশে শিক্ষিত তরুণ ও যুবসমাজের মুষ্টিমেয় অংশের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারছি না। বেকারত্ব দূর করতে না পারলে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে না।

মাজহারুল ইসলাম লালন

নকলা, শেরপুর।

 

► স্বাধীনতার ৪৮ বছর পরও আমরা স্বাধীনতার অবাক প্রান্তে দাঁড়িয়ে আছি। আজ স্বাধীন পেয়েছে নৈরাজ্য, খুন, ধর্ষণ, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, ঘুষ। চলছে অমানবিকতার মহড়া। স্বাধীনতার সংস্কৃতিকে গলা টিপে হত্যা করেছি আমরা। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের স্বপ্নের সোনার বাংলা আজও তেমনভাবে গড়ে ওঠেনি। বাংলাদেশে আর্থিক উন্নয়ন হয়েছে সত্যি; কিন্তু মানবতার উন্নয়ন কম। ডিজিটাল বাংলাদেশ হয়েছে; কিন্তু মানুষের স্বাধীনতা কোথায়? স্বাধীনতার ৪৮ বছর পর আমাদের দেশের অবস্থান কোথায়?

অনিক রায়

হাতীবান্ধা, লালমনিরহাট।

 

► ৪৮ বছরে নানা ঘাত-প্রতিঘাত পেরিয়ে বাংলাদেশ একটি সম্মানজনক অবস্থানে এসে দাঁড়িয়েছে। নানা দিকে নানা কর্ম ও পরিকল্পনায় দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। এখনো অনেক পথ বাকি। মানবাধিকার ও জবাবদিহি বিষয়ে আরো সচেতন হতে হবে। দুর্নীতির মাত্রা সহনীয় পর্যায়ে নেই। সার্বিকভাবে বাংলাদেশ ইতিবাচক গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। এই ধারা অব্যাহত রাখতে হলে আমাদের আরো সজাগ ও সচেতন হতে হবে।

কাজী ফরিদউদ্দিন আখতার

মাইজভাণ্ডার শরিফ, চট্টগ্রাম।

 

► স্বাধীনতার এত বছরে দেশ ভালো এগিয়ে গেছে। তবে আরো অনেক দূর যেতে হবে। বর্তমান সরকার সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। আমরা আশাবাদী।

মো. জামরুল ইসলাম

দক্ষিণগাঁও, সবুজবাগ, ঢাকা।

 

► দেশ স্বাধীনের ৪৮ বছর ধরে বাংলাদেশের মানুষ স্বাধীনতা ভোগ করছে। এটি বর্তমান সরকারের অবদান। আগামী দিনে মানুষ আরো স্বাধীনতা ভোগ করবে, বিশ্বাস করি।

ফারুক আহমেদ

বাগমারা, রাজশাহী।

 

► বঙ্গবন্ধু ছিলেন বলেই দেশ স্বাধীন সম্ভব হয়েছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে আরো অনেক দূর এগিয়ে যাবে।

রাশেদুল হাসান

ভাঙ্গুড়া, পাবনা।

 

► চোখের সামনে দৃশ্যমান হয়ে উঠছে পদ্মা সেতু, মেট্রো রেল। সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ সরবরাহ—এসবই উন্নয়নের স্মারক। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য যত ধরনের পরিকল্পনা নেওয়া দরকার নেওয়া হচ্ছে। সরকার সব অর্জন ধরে রাখতে এবং দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে অবিরাম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। দুর্নীতিবাজ, দখলবাজদের শাস্তি দিতে পারলে দেশের অগ্রগতি আরো ত্বরান্বিত হবে।

লিয়াকত হোসেন খোকন

রূপনগর, ঢাকা।

 

► দেশ এগিয়ে যাচ্ছে বর্তমান মুক্তিযুদ্ধের চেতনার শক্তির সরকারের হাত ধরে। আরো অনেক দূরে এগিয়ে যাবে। এই গতি ও যাত্রা অব্যাহত থাকুক।

মো. তৈয়ব আলী

ফরিদগঞ্জ, চাঁদপুর।

 

► আমাদের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের মূল লক্ষ্যই ছিল একটি গণতান্ত্রিক, ধর্মনিরপেক্ষ, অসাম্প্রদায়িক ও শোষণহীন বাংলাদেশ গঠন করা। কিন্তু দীর্ঘ ৪৮ বছরেও আমরা এই লক্ষ্য অর্জনে কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছতে পারিনি। এখনো দেশে সুস্থ ধারার রাজনীতি প্রতিষ্ঠিত হয়নি, গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা নানাভাবে প্রশ্নবিদ্ধ, সাম্প্রদায়িকতা, ধর্মের নামে অপরাজনীতি, জঙ্গিবাদ প্রভৃতি জাতির অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করছে। মুক্তিযুদ্ধের লক্ষ্য, আদর্শ ও চেতনায় সব রাজনৈতিক দল পরিচালিত হওয়া উচিত।

বিপ্লব বিশ্বাস

ফরিদপুর।

 

► বহু ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে আমাদের এই বাংলাদেশ। স্বাধীনতা যেমন ছিল রক্তপিচ্ছিল, ঠিক তেমনি গৌরবেরও। স্বাধীনতার সূত্র ধরে যা পাওয়ার কথা ছিল তার সবটুকু পাইনি। ব্যাপক ও গভীরতম অর্থে মানুষের মুক্তিসংগ্রামের সমাপ্তি হলো না।

মো. মিজানুর রহমান

রাজারহাট, কুড়িগ্রাম।

 

► আমাদের সরকারপ্রধান জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন গৌরবজনক স্থানে নিজে এবং সঙ্গে সঙ্গে জাতিকে অধিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছে। আইন, বিচার ও শাসন বিভাগের অপূর্ব সমন্বয় সাধন করে নিজ নিজ বিভাগের স্বাতন্ত্র্য ও স্বাধীনতা বজায় রেখে, সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় কোনো প্রকার হস্তক্ষেপ না করে অবাধে কাজ করার সুযোগ দিয়ে এবং বিভিন্ন মেগা প্রজেক্টের পাশাপাশি আর্থ-সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নে যুগোপযোগী ও কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে জাতি গঠনে অবদান রাখবে। 

ভূঁইয়া কিসলু বেগমগঞ্জী

হাজীপুর, বেগমগঞ্জ, নোয়াখালী।

 

► বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র—এই শুধু আমাদের সান্ত্বনা। সরকারকে কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে, যেমন—খাদ্যে ভেজাল দেওয়া বন্ধ করা, যখন-তখন হঠাৎ করে দ্রব্যমূল্য বাড়ানো যাবে না, খুনখারাবির যেকোনো অপরাধীকে কঠোর শাস্তি দিতে হবে, যাতে যেকোনো মানুষ অপরাধ করতে ভয় পায় এবং আইনের শাসন চাই।

ফোরকান আক্তার চৌধুরী

আরজতপাড়া, তেজগাঁও, ঢাকা।

মন্তব্য