kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৩ মে ২০১৯। ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৭ রমজান ১৪৪০

সততার সঙ্গে সামনে চলা

১০ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করার জন্য এ সময়ে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন সততা। বৈধ যত রাজনৈতিক দল আছে সবাই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে, যখন সবাই নির্বাচন কমিশন বা নির্বাচনসংশ্লিষ্টদের সততায় আস্থা রাখতে পারবে। সততা, বিশ্বাসযোগ্যতা সৃষ্টি করে অসততা, অবিশ্বাসের জন্ম দেয়। নির্বাচনী সততার মানে হলো, বিরোধী মতের নেতাকর্মীদের রাজনৈতিক কারণে হয়রানি না করা। রাষ্ট্রীয় বিধান ও নির্বাচন কমিশনের নীতিমালা অনুযায়ী প্রত্যেক দল যেন নির্বাচনী প্রস্তুতি সুষ্ঠুভাবে নিতে পারে, নির্ভয়ে এবং নির্বিঘ্নে সব মতের নেতাকর্মীরা কাজ করতে পারে, সেদিকে নজর দিতে হবে রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংলাপ শুরু করে সততার প্রদীপ জ্বালিয়েছেন। অন্যদিকে প্রধান বিরোধী জোটও লংমার্চ বাতিল করে উদারতার পরিচয় দিয়েছে। বিরোধী জোট শান্তিপূর্ণভাবে সমাবেশ করছে; শেখ হাসিনা সরকারবিরোধী জোটের সমাবেশসহ সব গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করায় সহযোগিতা করছেন, যা সত্যিই প্রশংসাযোগ্য। পারস্পরিক এমন সহানুভূতি ও ভালোবাসা দেখার অপেক্ষায় ছিল বাংলাদেশ। বর্তমান সন্তোষজনক অবস্থা সারা বিশ্বে প্রশংসিত হচ্ছে। বিতর্কমুক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ অবস্থা আরো সংহত হবে। সবাই গণতন্ত্রের মূর্তপ্রতীক শেখ হাসিনাকে সহযোগিতা করলে জনগণ শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দেওয়ার অধিকার পাবে। ভোট দেওয়ার মতো পরিবেশ পাবে। জনগণ তাদের পছন্দের দলকে বিজয়ী করতে পারবে। গণতন্ত্রের মানসকন্যা গণতন্ত্রের বিজয় চাইছেন, তাঁর দল বা জোটের বিজয় নয়। জনগণও গণতন্ত্রের বিজয় চায়।

আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ যুবায়ের

কল্যাণপুর, ঢাকা।

মন্তব্য