kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০২২ । ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

গোঁপাল পালের প্রসিদ্ধ মন্ডার দোকানে সুইডিশ রাষ্ট্রদূত

অনলাইন ডেস্ক   

৬ অক্টোবর, ২০২২ ২০:০৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গোঁপাল পালের প্রসিদ্ধ মন্ডার দোকানে সুইডিশ রাষ্ট্রদূত

গোঁপাল পালের প্রসিদ্ধ মন্ডার দোকানের সামনে তোলা ছবি পোস্ট করেন অ্যালেক্স বার্গ ফন লিন্ডে। ছবি : সংগৃহীত

গোঁপাল পালের প্রথম মন্ডা তৈরি নিয়ে একটা গল্প প্রচলিত আছে। তিনি এক রাতে স্বপ্ন দেখেন, শিয়রে দাঁড়িয়ে এক সন্ন্যাসী তাকে মন্ডা তৈরির আদেশ দিচ্ছেন। তারপর কয়েক রাতে সন্ন্যাসী তাকে মন্ডা বানানোর পদ্ধতি শিখিয়ে দেন। শেষ নিয়মটি শেখানোর পর আশীর্বাদ করেন, ‘তুই এই মন্ডার জন্য অনেক খ্যাতি অর্জন করবি।

বিজ্ঞাপন

তোর মন্ডার সুখ্যাতি সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়বে। ’

সেই গোঁপাল পালের মন্ডার জন্য বিখ্যাত হয়েছে ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলা। প্রায় ২০০ বছর আগে থেকে সেখানে শুরু হয় মন্ডার ব্যবসা। এখনো চলছে সুখ্যাতির সঙ্গে। এবার সেই গোঁপাল পালের মন্ডা খেতে মুক্তাগাছা গিয়েছিলেন সুইডিশ রাষ্ট্রদূত অ্যালেক্স বার্গ ফন লিন্ডে।

তিনি তাঁর ব্যক্তিগত টুইটার হ্যান্ডেলে গোঁপাল পালের মন্ডার দোকানের সামনে তোলা একটি ছবি পোস্ট করেন। সঙ্গে লেখেন, ‘ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার মন্ডা! না থেমে উপায় আছে? যখন আপনি ময়মনসিংহে তখন আপনাকে মুক্তাগাছার মন্ডায় থামতেই হবে। এটি ক্লাসিক। ’

একই ছবি তিনি সুইডিশ দূতাবাসের অফিশিয়াল পেজেও শেয়ার করেন।

শোনা যায়, এর আগেও মুক্তাগাছার মন্ডার স্বাদ নিয়েছিলেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, ব্রিটেনের রানি এলিজাবেথ, পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বিধানচন্দ্র রায়, পাকিস্তানের সাবেক রাষ্ট্রপতি আইয়ুব খান, ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধি, প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী আলাউদ্দিন খাঁ, রাশিয়ার কমরেড জোসেফ স্তালিন, চিনের কমরেড মাও সে তুংসহ অনেকে।

এর আগেও বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বিখ্যাত এবং সুস্বাদু খাবার চেখে দেখেছেন এই সুইডিশ রাষ্ট্রদূত। সেসব ছবিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দিয়েছেন অ্যালেক্স বার্গ ফন লিন্ডে।

গত ৩০ আগস্ট ঢাকার সুইডিশ দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে রাষ্ট্রদূতের ফুচকা খাওয়ার ছবি পোস্ট করা হয়। দূতাবাসের তিনটি পোস্ট করা ছবিতে দেখা গেছে, রাজধানীর বনানীর ফুচকা-ওয়ালী দোকানে ফুচকা খাচ্ছেন রাষ্ট্রদূত। একটি ছবিতে ফুচকা খাওয়ার পাশাপাশি আরেকটি ছবিতে ফুচকা বানানোর প্রক্রিয়া দেখছেন লিন্ডে।



সাতদিনের সেরা