kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০২২ । ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ১৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

শেখ হাসিনার জন্মদিন পালন করল বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট

অনলাইন ডেস্ক   

২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ২২:৫৭ | পড়া যাবে ৪ মিনিটে



শেখ হাসিনার জন্মদিন পালন করল বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন পালন করেছে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট। জোটের কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে আজ বুধবার সকাল ১০টায় রাজধানীর ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু ভবনে আনন্দ সমাবেশ ও কেক কাটা হয়। কলাবাগানে জননেত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। পরে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ধানমণ্ডির বিভিন্ন পথ প্রদক্ষিণ করে।

বিজ্ঞাপন

বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সহ-সভাপতি অভিনেত্রী অরুনা বিশ্বাসের সভাপতিত্বে ও জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুন সরকার রানার সঞ্চালনায় জোট নেতাদের মধ্যে বক্তব্য দেন জোটের সহসভাপতি রোকেয়া প্রাচী, চিত্রনায়ক ফেরদৌস, অভিনেত্রী তানভিন সুইটি, চিত্রনায়িকা শাহনুর, সাবেক ছাত্রনেতা আশ্রাফউজ্জামান মিতু মাদবর, সুজন হালদার, রাজ সরকার, চিত্রপরিচালক শাহ আলম কিরন, চিত্র প্রযোজক খোরশেদ আলম খসরুসহ নাট্য, চলচ্চিত্র ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, দেশরত্ন থেকে আজ বিশ্বদর্পণে বিশ্বরত্ন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত জাতিসংঘের 'চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ' পুরস্কারে পুরস্কৃত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাঁর বিচক্ষণতা ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বের কারণেই বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে আজ উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদায় উন্নীত হয়েছে। শেখ হাসিনার সাহসী পদক্ষেপের কারণেই বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের বিচার, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তিনি একজন সাংস্কৃতিকবান্ধব প্রধানমন্ত্রী। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাংস্কৃতিক অঙ্গনে  বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলেন, বঙ্গবন্ধুর পরে তাঁর কন্যা শেখ হাসিনার পৃষ্ঠপোষকতায় সাংস্কৃতিক অঙ্গনের এ সব প্রতিষ্ঠানের ব্যাপকভাবে উন্নয়ন হয়েছে। সাংস্কৃতিক অঙ্গন এবং শিল্পীদের জন্য যে কাজ তিনি করেছেন কোনো সরকার, কোনো ব্যক্তি তার ষোল ভাগের দুই ভাগ কাজও করে নাই।

বক্তারা বলেন, দেশ এবং জাতির এক সংকটময় সময়ের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট। ৭৫ পরবর্তীতে ১৯৭৬ সালের দিকে চলচ্চিত্রকার আলমগীর কুমকুম, চিত্রনায়িকা কবরী, চিত্রনায়ক আলমগীর, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব অরুন সরকার রানা’র নেতৃত্বে একঝাঁক মুজিব আদর্শের সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের নিয়ে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট গঠিত হয়। বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের বিচার, জনগণের ভোট ও ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠা, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিসহ জাতীয় নানা স্বার্থে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট গঠিত হয়। প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে এই সংগঠনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

বক্তারা আরো বলেন, মাঝপথ থেকে এসে আজ অনেকেই বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের নেতা হিসেবে দাবি করেন, যাদের রাজপথের সাথে কোনো প্রকার সম্পর্ক ছিল না। এই সংগঠনের সাথেও কোনো সম্পর্ক ছিল না তাদের। তারা কেউই বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি আলমগীর কুমকুম, সাধারণ সম্পাদক কবরী সারওয়ার, সিনিয়র সহসভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ আলমগীর ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অরুণ সরকার রানার কমিটির সদস্য ছিলেন না। আমরা চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি তারা কেউ আলমগীর কুমকুম এবং সারাহ বেগম কবরী কর্তৃক স্বাক্ষরিত কোনো চিঠি দেখাতে পারবেন না। নব্য আওয়ামী লীগার এবং কিছু সুযোগ সন্ধানীরা বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের নাম ব্যবহার করছে এবং বিভিন্ন জায়গায় বাণিজ্যে লিপ্ত রয়েছে। বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট চিত্রনায়ক আলমগীরের নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সব সাংস্কৃতিক কর্মী ঐক্যবদ্ধ ছিল, আছে এবং থাকবে ইনশা আল্লাহ। শুধু মুষ্টিমেয় কিছু ধান্দাবাজ বাদে আমরা বাকি সবাই ঐক্যদ্ধ। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে তাঁর উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে তুলে ধরার জন্য চিত্রনায়ক আলমগীরের নেতৃত্বে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

পরে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের উদ্যোগে কলাবাগানে জননেত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া মাহফিলে জোটের সহ-সভাপতি চিত্রনায়িকা রোজিনা, অরুনা বিশ্বাস, উর্মিলা কর শ্রাবন্তী, বৃষ্টি রাণী সরকার, মাধবী সরকার, চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক, পরিবেশক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশ নেন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।  



সাতদিনের সেরা