kalerkantho

শনিবার । ১ অক্টোবর ২০২২ । ১৬ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

গন্তব্য বাংলাদেশ! অনুব্রত, সতীশ, এনামূলদের দুর্ধর্ষ ‘গরু চক্র’

অনলাইন ডেস্ক   

১৩ আগস্ট, ২০২২ ১৭:০৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গন্তব্য বাংলাদেশ! অনুব্রত, সতীশ, এনামূলদের দুর্ধর্ষ ‘গরু চক্র’

অনুব্রত মণ্ডল

গরুপাচার মামলায় গ্রেপ্তার অনুব্রত মণ্ডলকে নিজাম প্যালেসে জিজ্ঞাসাবাদ করছে সিবিআই। এই মামলায় এর আগেও কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে গরুপাচারের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছে সিবিআই। সেসব তথ্য সামনে রেখেই অনুব্রতকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

কিন্তু কিভাবে পরিচালিত হতো বিপুল টাকার ওই গোরুপাচার কাজ? কোথায় যেত এসব টাকা? কারা পেত ভাগ? এসব নিয়ে চলছে জল্পনা-কল্পনা।

জানা যাচ্ছে, ২০১৫ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত মালদহ-মুর্শিদাবাদ সীমান্তের দায়িত্বে ছিলেন বিএসএফ আধিকারিক সতীশ কুমার। সেই সময় মোট ২০ হাজার গরু ধরা পড়ে। কিন্তু পাচারের জন্য কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। বরং আটক করা গরুগুলো বাছুর হিসেবে দেখানো হয়। ওই সব গরু কম দামে নিলামে বিক্রি করা হতো গরুপাচারের মূল অভিযুক্ত এনামূল হকের কাছে। এর জন্য গরুপ্রতি সতীশ কুমার পেতেন দুই হাজার টাকা। শুল্ক দপ্তরের কর্মকর্তা পেতেন ৫০০ টাকা। এমনটাই দাবি করা হয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম জি২৪ ঘণ্টায়।

নিলামে যেসব গরু বিক্রি হতো তা চলে যেত ইলামবাজারের হাটে। এখান থেকে দুইভাবে লাভবান হতেন অনুব্রতর মতো প্রভাবশালীরা বলে অভিযোগ রয়েছে। গরুর লরি জেলাতে প্রবেশ করতে দেওয়া বাবদ এবং সেখান থেকে সীমান্ত পার করতে সেফ প্যাসেজ করে দেওয়া বাবদ টাকা পেতেন তারা। এসব গরু আসত বাংলাদেশে। গরুপাচারের ক্ষেত্রে যাতে কোনো সমস্যা না হয় সে কাজ দেখভালের দায়িত্বে থাকতেন সায়গল হোসেন।

অনুব্রত মণ্ডলের আগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল এনামূল হককে। এই এনামূলকেই গরুপাচারের মূল হোতা বলে মনে করা হচ্ছে। পাচারের টাকা এই এনামূলের কাছ থেকেই প্রভাবশালীদের কাছে যেত বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।  

সূত্র : জি২৪ ঘণ্টা



সাতদিনের সেরা