kalerkantho

রবিবার । ২ অক্টোবর ২০২২ । ১৭ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

পাকিস্তানির সঙ্গে বন্ধুত্ব, গল্প শেয়ার করে শিরোনামে বাঙালি কন্যা

অনলাইন ডেস্ক   

১২ আগস্ট, ২০২২ ১৭:১৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পাকিস্তানির সঙ্গে বন্ধুত্ব, গল্প শেয়ার করে শিরোনামে বাঙালি কন্যা

ভারত ও পাকিস্তানের দুই কন্যার বন্ধুত্বের গল্প। যে গল্প শুনে অনেকেই বলছেন, সীমান্তের কাঁটাতার বন্ধুত্বের খোলা হাওয়াকে বাধা দিতে পারে না।   এক অন্য গল্প শোনালেন একটি বেসরকারি সংস্থার সিইও স্নেহা বিশ্বাস। সেই বন্ধুত্বের গল্প মুহূর্তে ভাইরাল নেট দুনিয়ায়।

বিজ্ঞাপন

হার্ভার্ড বিজনেস স্কুলে গিয়ে বন্ধুর সঙ্গে প্রথম দেখা হয় স্নেহা বিশ্বাসের। লিংকে সেই বন্ধুত্বের গল্প শুনিয়েছেন আইটিটি খড়গপুরের প্রাক্তন ওই ছাত্রী।

বন্ধুত্বের শুরু যেভাবে
স্নেহা বিশ্বাসের নিজের কথায়, ছোট শহরে বড় হওয়া আর পাঁচজন ভারতীয়ের মতোই পাকিস্তান সম্পর্কে বেশি কিছু জানতাম না।  ক্রিকেট, ইতিহাস বই আর খবরে যা দেখানো হয়, শুধু সেটুকুই ছিল স্নেহার পাকিস্তান সম্পর্কে জানাশোনা। এই প্রথম দিন ইসলামাবাদ থেকে আসা মেয়েটির সঙ্গে পরিচয় হয়। মাত্র পাঁচ সেকেন্ডের মধ্যেই পরস্পরকে পছন্দ হয়ে যায় তাদের। আর প্রথম সেমিস্টারের শেষে ক্যাম্পাসে আমার অন্যতম প্রিয় বন্ধু হয়ে ওঠেন ওই পাকিস্তানি তরুণী।  

নিজের বন্ধু সম্পর্কে স্নেহা লিখেছেন, রক্ষণশীল পাকিস্তানি পরিবারে জন্মেও বাবা-মায়ের সাহায্য পেয়ে একের পর এক বাধা টপকেছে আমার বন্ধু। ওর লড়াইয়ের গল্প আমাকে অনুপ্রাণিত করে।  

নিজের পোস্টে স্নেহা আরো লিখেছেন, নিজের দেশের প্রতি গর্ববোধ দেশকালের সীমানা ছাড়িয়ে দুনিয়ার মানুষকে ভালোবাসতে শেখায়।

স্নেহার কথায়, মানুষে মানুষে ভেদ নেই। দেশ-কাল সীমানা মানুষের তৈরি। অনেক সময়ই মন এই বিভেদ মানতে চায় না।  

হার্ভার্ড বিজনেস স্কুলের ফ্ল্যাগ ডেতে নিজেদের প্রিয় জাতীয় পতাকা হাতে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে ছবি তুলেছিলেন স্নেহা এবং তার বন্ধু।  

হাসিমুখের সেই ছবি দেখিয়ে স্নেহা লিখেছেন, এই ছবিতে তাঁদের মুখে বাঁধ ভাঙা হাসি। এটা শুধু তাঁদের হাসি নয়, দুই দেশের অসংখ্য মেয়ের হাসি, যারা বড় হওয়ার স্বপ্ন দেখছে।

 সূত্র : এই সময়।



সাতদিনের সেরা