kalerkantho

বুধবার । ২৯ জুন ২০২২ । ১৫ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৮ জিলকদ ১৪৪৩

‘আহা রে জীবন, কোথায় গেল সেই সময়...’

অনলাইন ডেস্ক   

৮ এপ্রিল, ২০২২ ১৪:৫৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘আহা রে জীবন, কোথায় গেল সেই সময়...’

চৈতী ও মোশাররফ রুবেল

২০১৯ সালে ব্রেন টিউমার ধরা পড়ে রুবেলের। সে সময় সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে নিউরো সার্জন এলভিন হংয়ের তত্ত্বাবধানে সফল অস্ত্রোপচার হয় তাঁর। চিকিৎসার পর সুস্থ হয়ে ওঠেন। কিন্তু কয়েক বছর না যেতেই ফের দেখা দিয়েছে টিউমারটি।

বিজ্ঞাপন

আবার কেমোথেরাপি দিতে হচ্ছে এই ক্রিকেটারকে। গত মাসের মাঝামাঝির দিকে আইসিইউতেও নেওয়া হয়েছিল।

খুব কঠিন এই সময়টাতে রুবেলকে আগলে রেখেছেন স্ত্রী চৈতী ফারহানা রুপা। হাসপাতালে অসুস্থ স্বামীর সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। মাঝে মাঝে উঁকি দিয়ে যাচ্ছে পুরনো সময়। ভোগেন নস্টালজিয়ায়। এখন যে সময়টা পার করছেন সেটা কতটা কঠিন সেটা রূপাই ভালো বলতে পারবেন। সম্প্রতি নিজেদের প্রথম তোলা একটি ছবি পোস্ট করেছেন রূপা। সেই ছবির পেছনের গল্প বলতে গিয়ে যেন অলক্ষ্যে ছাড়লেন দীর্ঘশ্বাস।

ছবি প্রোফাইলে দিয়ে ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘এটা আমাদের দুজনের প্রথম ছবি। বিয়ের মাত্র এক দিন আগে তোলা। সেসব দিনগুলোকে মিস করছি, ভালোবাসা মাখানো দিনগুলো, চমকে দেওয়া দিনগুলো, মিষ্টিতে পরিপূর্ণ দিনগুলো... আহা রে জীবন, কোথায় গেল সেই সময়। ’

২০১৯ সালে রুবেলের ব্রেন টিউমার শনাক্ত হয়েছিল। এরপর তিনি পাড়ি জমান সিঙ্গাপুরে। সেখানে দফায় দফায় চলছিল কেমোথেরাপি। তখন বিসিবিসহ অনেক ক্রিকেটার তাকে সহযোগিতা করেছিলেন।

মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে রুবেলের অস্ত্রোপচার করা হয়েছিল। এরপর দেশে ফিরে আসেন। কিন্তু কেমো এবং রেডিও থেরাপির জন্য তাকে নিয়মিত সিঙ্গাপুর যাওয়া-আসার মধ্যে থাকতে হতো। ওই বছরের ডিসেম্বরে সর্বশেষ কেমো দেওয়া হয়। এক বছর ফলোআপে ছিলেন তিনি।

২০২০ সালে সুস্থ, স্বাভাবিক হয়ে মাঠে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কিন্তু নভেম্বরে আবার অসুস্থ হন। ২০২১ সালের জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে এমআরআই করার পর দেখা গেছে, পুরনো টিউমারটি আবার নতুন করে বাড়ছে। তার পর থেকে আবার শুরু হয়েছে কেমোথেরাপি। সব মিলিয়ে ২৪টি কেমোথেরাপি নিয়েছেন রুবেল। বর্তমানে রাজধানীর একটি হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি।



সাতদিনের সেরা