kalerkantho

মঙ্গলবার ।  ১৭ মে ২০২২ । ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ১৫ শাওয়াল ১৪৪৩  

ক্যান্সারের কাছে পরাজয়, বিয়ের ১১ দিনেই চলে গেলেন ফাহমিদা

অনলাইন ডেস্ক   

২১ মার্চ, ২০২২ ১২:৫১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ক্যান্সারের কাছে পরাজয়, বিয়ের ১১ দিনেই চলে গেলেন ফাহমিদা

ফাহমিদা কামাল

মাত্র কয়েকদিন আগেই তাদের বিয়ে হয়েছিল। গত ৯ মার্চ রাত সাড়ে ৮টায় চট্টগ্রাম মেডিক্যাল সেন্টার হাসপাতালে ক্যানসার আক্রান্ত প্রেমিকা ফাহমিদা কামালকে বিয়ে করে ভালোবাসার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন প্রেমিক মাহমুদুল হাসান। বিয়ের ১১ দিনে বা ১২ দিনের মাথায় মারা গেলেন গেলেন ফাহমিদা কামাল নামের ওই তরুণী।

সোমবার (২১ মার্চ) সকাল ৭টার দিকে বেসরকারি হাসপাতাল মেডিক্যাল সেন্টারে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

মেডিক্যাল সেন্টারের জেনারেল ম্যনেজার শাহ আলম ভূইঁয়া বলেন, সকালে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। মরদেহ স্বজনদের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।   

তিনি বলেন, সোমবার বাড়ি ফিরলেও তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় মঙ্গলবার (১৫ মার্চ) ভোরে ফাহমিদাকে আবারও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

২৬ বছর বয়সী ফাহমিদা চট্টগ্রামের বেসরকারি চট্টগ্রামের ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি থেকে এমবিএ করেন। শিক্ষাজীবনেই ঢাকার নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি থেকে পড়ালেখা শেষ করা মাহমুদুলের সঙ্গে ফাহমিদার পরিচয় হয়। দুই পরিবারের মধ্যে তাদের সম্পর্কের বিষয়ে জানাজানি ছিল। বিয়ের কথাবার্তাও হয় ২০২০ সালের শেষ দিকে। কিন্তু গত বছরের জানুয়ারি মাসে ফাহমিদার রেকটাম ক্যানসার ধরা পড়ে।

এর আগে নগরের মেডিক্যাল সেন্টারে মৃত্যুপথ যাত্রী এই মেয়েকে বেনারসি পরিয়ে, বউ সাজিয়ে ১ টাকা কাবিনে বিয়ে করেন মাহমুদুল হাসান। সেসময় মাহমুদুল বলেন, ‌‘আমি ফাহমিদাকে অনেক ভালোবাসি। দীর্ঘদিন ধরে ফাহমিদা ক্যানসার আক্রান্ত। সবকিছু জেনে বুঝে তাকে বিয়ে করেছি। এমনকি স্ত্রীর যাবতীয় সব চিকিৎসার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছি। আমাদের জন্য দোয়া করবেন। ’
 
চকরিয়ার ছেলে মাহমুদুল হাসান নর্থ সাউথ থেকে এমবিএ আর চট্টগ্রাম নগরের দক্ষিণ বাকলিয়াতে জন্ম নেওয়া ফাহমিদা কামাল ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি থেকে বিবিএ ও এমবিএ শেষ করেন। ফাহমিদা কামাল ব্যবসায়ী কামাল উদ্দিন ও শিউলি আক্তারের মেজ সন্তান। তারা দুই বোন, এক ভাই। বড় বোন থাকেন চীনে। ছোট ভাইটি বিবিএ পড়েন। ফাহমিদা চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক কর্মকর্তা সাইফুদ্দিন সাকীর নাতনি।



সাতদিনের সেরা