kalerkantho

সোমবার ।  ১৬ মে ২০২২ । ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ১৪ শাওয়াল ১৪৪৩  

মানবদেহে শূকরের হার্ট বসানো নৈতিকভাবে কতটা সমর্থনযোগ্য?

অনলাইন ডেস্ক   

১২ জানুয়ারি, ২০২২ ২১:৩৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মানবদেহে শূকরের হার্ট বসানো নৈতিকভাবে কতটা সমর্থনযোগ্য?

গত সপ্তাহে বিশ্বের প্রথম ব্যক্তি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের একজন রোগীর দেহে জেনেটিকক্যালি রূপান্তরিত শূকরের হৃৎপিণ্ড প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। এ ধরনের অস্ত্রোপচারের জন্য ইউনিভার্সিটি অব মেরিল্যান্ড মেডিক্যাল সেন্টারকে বিশেষ অনুমতি দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের চিকিৎসা তদারকি কর্তৃপক্ষ।

কিন্তু মানবদেহে শূকরের হার্ট প্রতিস্থাপন নৈতিকভাবে কতটা সমর্থনযোগ্য, এখন সেই প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।

অনেকেই ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে শূকরের অঙ্গ ব্যবহারের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।

বিজ্ঞাপন

আবার প্রাণী অধিকারকে সামনে রেখেও নৈতিকতার প্রশ্ন রাখছেন কেউ কেউ।

চিকিৎসকদের যে দলটি এই অস্ত্রোপচার করেছে, তারা বহু বছর ধরেই বিষয়টি নিয়ে গবেষণা করছিল। তারা মনে করে, এই অস্ত্রোপচার সফল হলে বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের জীবন বদলে যাবে।

ধর্মীয় বিশেষজ্ঞরা যা বলছেন

ইসলাম ও ইহুদি ধর্মে শূকর পালন করা বা খাওয়া কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। কিন্তু জীবন-মৃত্যুর প্রশ্নে শূকরের অঙ্গপ্রতঙ্গ ব্যবহার করা যেতে পারে বলে মনে করছেন ধর্মবিষয়ক বিশেষজ্ঞরা। মিশরে ধর্মীয় বিধি আরোপের কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ দার আল-ইফতা এক ফতোয়ায় বলেছে, রোগীর জীবনের ঝুঁকি বা অতিরিক্ত স্বাস্থ্যহানির আশঙ্কা থাকলে শূকরের হৃৎপিণ্ডের ভাল্ব ব্যবহার অনুমোদন করা যেতে পারে।  

জরুরি প্রয়োজনে মানবদেহে শূকরের হৃৎপিণ্ড ব্যবহার করা ইহুদি আইনের পরিপন্থী নয়, কারণ ইহুদি ধর্মের প্রাথমিক দর্শন হচ্ছে মানবজীবন রক্ষা করা। এমনটিই মনে করছেন ড. মোশ ফ্রিডম্যান। তিনি লন্ডনের একজন বিশিষ্ট ইহুদি পাদরি।

সূত্র : বিবিসি



সাতদিনের সেরা