kalerkantho

রবিবার । ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ৫ ডিসেম্বর ২০২১। ২৯ রবিউস সানি ১৪৪৩

করোনা আইসিউতে হিমুর পাশেই থাকে ৭ বছরের ভাই! সঙ্গে বাবা-মা

অনলাইন ডেস্ক   

১ অক্টোবর, ২০২১ ০০:০৪ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



করোনা আইসিউতে হিমুর পাশেই থাকে ৭ বছরের ভাই! সঙ্গে বাবা-মা

করোনা আক্রান্ত হয়ে আইসিইউতে ভর্তি বড় ভাই হাসানুজ্জামান হিমু। শ্বাসকষ্ট থাকায় অক্সিজেন সাপোর্টসহ তার চিকিৎসা চলছে। ঢাকায় থাকার জায়গা নেই; আর্থিক সঙ্গতিও নেই। অগত্যা পিতামাতা সহ চারজন সেই আইসিইউতেই দিন-রাত ভাইয়ের পাশে থাকছে সাত বছর বয়সী ছোট শিশু সোবহান। করোনা সংক্রমণ কতোটা ভয়ঙ্কর-এটা বোঝার মতো বয়স হয়নি তার। সংসারে বড়ে ছেলের এমন অসুখে করোনার ভয় উবে গেছে হিমুর পিতামাতারও। তাদের আশা, সন্তান দ্রুত সুস্থ হোক। মর্মান্তিক এই দৃশ্যটি মহাখালিস্থ কভিড হাসপাতালের আইসিইউ'র।

জানা গেছে, পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ার দৌলত পাড়া গ্রামের উচ্চমাধ্যমিক পড়ুয়া ১৯ বছর বয়সী তরুণ হাসানুজ্জামান হিমু ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত। মহাখালিস্থ জাতীয় ক্যান্সার হাসপাতালে গত দেড় বছর ধরে কেমোথেরাপি চলছিলো তার। মাঝখানে মোটামুটি ভালোই হয়ে গিয়েছিলেন হিমু। বাড়িতে গিয়ে স্বাভাবিক চলাফেরাও করছিলেন। মাসখানেক আগে ক্যান্সার হাসপাতালে ভর্তি করে সর্বশেষ কেমোথেরাপি  চলছিলো। গত রবিবার হিমুর করোনা পজিটিভ হলে রিলিজ নিয়ে দ্রুত ডিএনসিসি কভিড হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। 

হিমুর বাবা জাকির হোসেন কালের কণ্ঠকে বলেন, 'ক্যান্সার হাসপাতালেও ছোট বাচ্চাটিকে নিয়ে আমরা এক সঙ্গেই থাকতাম। অনন্যোপায় হয়ে এই করোনা হাসপাতালের আইসিইউতেই এখন দিন-রাত কাটাতে হচ্ছে। তবে এখানকার চিকিৎসকগণ বেশ গুরুত্ব দিয়েই চিকিৎসা দিচ্ছেন।' 

করোনাকে ভয় করেন কি না? এমন প্রশ্নের জবাবে জাকির হোসেন বলেন, নিজের সন্তান এখন করোনা আক্রান্ত। আমরা ছাড়া তো এখানে তাকে দেখার কেউ নেই। মাঝখানে টাকার অভাবে বাড়িতে চলে যেতে চেয়েছিলাম। এখন ওষুধ কেনারও টাকা নেই।'

হিমুর মা হোসনে আরা কালের কণ্ঠকে বলেন, 'পরীক্ষায় এসেছে ক্যান্সার এখনো নাকি রয়ে গেছে ৬০ ভাগ। ওখানকার চিকিৎসকগণ বলছেন, বোনম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট করালে নাকি ভালো হয়। কারণ কেমোথেরাপির ধকল অনেকে নিতে পারে না। বাংলাদেশে এ চিকিৎসা করালেও কমপক্ষে ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা দরকার। কিন্তু এতো টাকা আমাদের পক্ষে কোনভাবেই যোগার করা সম্ভব নয়। ইতিমধ্যে চিকিৎসা করাতে গিয়ে আমরা পুরোপুরি সর্বস্বান্ত। বাড়ির ভিটে ছাড়া এখন আর কিছু নেই আমাদের।' 

সার্বিক পরিস্থিতিতে সন্তানের চিকিৎসায় সমাজের হৃদয়বান মানুষের কাছে আর্থিক সাহায্য চেয়েছেন হিমুর বাবা-মা। তাদের বিশ্বাস, আল্লাহর রহমতে তাদের হিমু শিগগিরই করোনামুক্ত হবে। তবে সামর্থবানগণ আর্থিক সহায়তায় এগিয়ে এলে বোনম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট করাতে চান তারা। 

হিমুকে আর্থিকভাবে সাহায্য করা যাবে নিচের ব্যাংক একাউন্ট ও বিকাশ নাম্বারে। 

Md. Jakir Hossain
A/C no 2191570002250
Dutch Bangla Bank Limited.
Panchagarh Branch.

বিকাশ নাম্বার : 01734804881 (personal)



সাতদিনের সেরা