kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৩ আশ্বিন ১৪২৮। ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১। ২০ সফর ১৪৪৩

শেখর ধাওয়ান-আয়েশার ৯ বছরের সংসার ভাঙল যে কারণে

অনলাইন ডেস্ক   

৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ১২:৫৮ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



শেখর ধাওয়ান-আয়েশার ৯ বছরের সংসার ভাঙল যে কারণে

১০ বছরের বড় ডিভোর্সি আয়েশা মুখার্জিকে দুই সন্তানসহ বিয়ে করেছিলেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের ওপেনার ব্যাটসম্যান শেখর ধাওয়ান। সেটা ছিল প্রেম থেকে পরিচয় বা পরিচয় থেকে প্রেম । তাদের বিয়ের ৯ বছরের মাথায় ভেঙে গেল সংসার। স্ত্রী আয়েশা মুখার্জিকে ডিভোর্স দিয়েছেন শেখর ধাওয়ান। আয়েশা সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেই এ তথ্য জানিয়েছেন। নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে ডিভোর্স নিয়ে লম্বা একটা স্ট্যাটাস দিয়েছেন তিনি। দুবার বিবাহবিচ্ছেদের পর আপাতত তিনি ঠিক কী রকম অনুভব করছেন, সেটাও জানিয়েছেন। ২০০৯ সালে শেখর এবং আয়েশার বাগদান হয়েছিল। তার তিন বছর পর তাঁদের বিয়ে হয়। এর আগে  আয়েশা প্রথম স্বামীকেও ডিভোর্স দিয়েছিলেন। তাঁদের দুই কন্যাসন্তান ছিল।

আইপিএল ২০২১ টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় ভাগ শুরু হতে আর কয়েক দিনই হাতে বাকি রয়েছে। তার আগে ভারতীয় ক্রিকেট দলের সিনিয়র ওপেনার শেখর ধাওয়ান এবং তাঁর স্ত্রী আয়েশা আট বছরের বৈবাহিক সম্পর্কের ইতি টানলেন। এই দম্পতির এক পুত্রসন্তান রয়েছে। ২০১৪ সালে জোরাভর ধাওয়ান নামে এক পুত্রসন্তানের জন্ম দিয়েছিলেন আয়েশা। তার আগে বহু সাক্ষাৎকারে শেখর স্বীকার করেছিলেন, বিয়ের পর আয়েশা কিভাবে তাঁর গোটা জীবনটাই একেবারে বদলে দিয়েছিল।
 
এই পোস্টে আয়েশা নিজের মুখেই স্বীকার করেছেন দ্বিতীয়বার ডিভোর্স হওয়ার পর তাঁর ঠিক কেমন অনুভব হচ্ছে। ২০০৯ সালে আয়েশা এবং শেখর একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নিজেদের বাগদান পর্ব সম্পন্ন করেন। এর তিন বছর পর তাঁরা সাত পাকে বাঁধা পড়েন। আয়েশার প্রথম পক্ষে দুই কন্যাসন্তান রয়েছে। আবেগঘন পোস্টে আয়েশা লিখেছেন, ‘আমার মনে হয়েছিল বিচ্ছেদ একটা খুব খারাপ শব্দ। আমার দ্বিতীয়বার বিয়ে ভেঙে যাওয়ার পর আর তা মনে হয় না। প্রথমবার বিয়ে ভাঙার সময় আমি খুব ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। আমার মনে হয়েছিল, আমি বোধ হয় কিছু ভুল করে ফেলেছি। নিজেকে স্বার্থপর মনে হয়েছিল। মনে হয়েছিল, বাবা-মায়ের সম্মান নষ্ট করছি। বিচ্ছেদ এতটাই খারাপ শব্দ বলে মনে হতো তখন।’

তিনি আরো লেখেন, ‘দ্বিতীয়বার এই ভয় আরো বেড়ে গিয়েছিল। মনে হচ্ছিল, দ্বিতীয়বারও আমি পারলাম না। বিয়ে, সম্পর্ক আমার কাছে এসবের মানে কী?’ যদিও আয়েশা এবং শেখর এই বিষয়ে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেননি কিংবা বিবৃতি দেননি। শোনা গিয়েছিল যে আয়েশা এবং শেখর একে অপরকে ইনস্টাগ্রামে আনফলো করেছিলেন। দুজনের সম্পর্ক নিয়ে এর আগে গোলমাল শোনা যায়নি কখনোই। শেখরের সঙ্গে দেশে এবং বিদেশে বহু সফরে গিয়েছিলেন আয়েশা। সুখী কাপল বলেই জানতেন সবাই।

সম্প্রতি শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে শেখর ধাওয়ান ভারতীয় ক্রিকেট দলকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ভারতীয় ব্যাটিং লাইন আপকে ১০ বছর ধরে তিনি সমৃদ্ধ করেছেন। আপাতত আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতীয় ক্রিকেট দলে জায়গা পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন এই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার। কারণ রোহিত শর্মা একদিক থেকে নিশ্চিতভাবেই ওপেনার হিসেবে দলে সুযোগ পাবেন। সে ক্ষেত্রে কে এল রাহুল এবং ধাওয়ানের মধ্যে কে সুযোগ পাবেন সেটা নিয়ে কঠিন লড়াই হবে।



সাতদিনের সেরা