kalerkantho

সোমবার । ৯ কার্তিক ১৪২৮। ২৫ অক্টোবর ২০২১। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

ইঞ্জিনচালিত রিকশা বন্ধে এবার কাউন্সিলরের নেতৃত্বে জনতার প্রতিরোধ

নিজস্ব প্রতিবেদক    

৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ১৪:৫১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ইঞ্জিনচালিত রিকশা বন্ধে এবার কাউন্সিলরের নেতৃত্বে জনতার প্রতিরোধ

দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীতে চলছে ঝুঁকিপূর্ণ ইঞ্জিনচালিত রিকশা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঘোষণা দেওয়ার পরই বন্ধ হয়নি ইঞ্জিনচালিত এসব রিকশা, বরং দিনদিন এর সংখ্যা বাড়ছে। এবার ব্রেকবিহীন ইঞ্জিনচালিত এসব রিকশা বন্ধ করতে মাঠে নেমেছেন সচেতন জনগণ। 

শুক্রবার সকাল ১১টা থেকে ইঞ্জিনচালিত এসব রিকশা বন্ধ করতে সড়কে অবস্থান নিয়ে ব্যাটারির সঙ্গে  সংযোগ বন্ধ করে দিচ্ছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি কাজী জহিরুল ইসলাম মানিক। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন পল্লবী থানা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ জুয়েল রানা,৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হাজী আমান, আওয়ামী লীগ নেতা আমিনুল ইসলাম,২ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আবু ইসলাম রানা, ৯১ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি রওশন আলীসহ কয়েক হাজার নেতাকর্মী। 

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মিরপুর ১১ নম্বর সেকশনের এভিনিউ-৫ এলাকায় অবস্থান নিয়ে নেতাকর্মীরা ইঞ্জিনচালিত রিকশা আটক করে ইঞ্জিনের পাওয়ার তার বিছিন্ন করে দিয়ে চালকদের বুঝিয়ে বলছেন, আপনারা ভাড়ায় গাড়ি চালান, রিকশাটা মহানজনের কাছে জমা দিয়ে বলুন, আগামীকাল থেকে ইঞ্জিনচালিত রিকশা বের হলে পুলিশের সহাতায় এসব ডাম্পিং করা হবে। তার আগে রিকশা থেকে ইঞ্জিন খুলে আবার প্যাডাল রিকশায় রূপান্তরিত করুন।
 
 এ বিষয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর কাজী জহিরুল ইসলাম মানিক বলেন, বেল-ব্রেকবিহীন ইঞ্জিনচালিত রিকশাগুলো হচ্ছে দুর্ঘটনার মূল কেন্দ্র। প্রতিদিন শত শত দুর্ঘটনা ঘটছে। আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও এ ধরনের রিকশা বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু কিছু অতিলোভী মালিক স্থানীয় কতিপয় অসাধু রাজনৈতিক নেতাকে সুবিধা দিয়ে এগুলো চালু রেখেছেন। সমাজের একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে এমন মারণখেলা বসে বসে দেখতে পারি না। তাই বিবেকের তাড়নায় জনগণকে নিয়ে মাঠে নেমেছি। 

তিনি বলেন, আমরা আজ শুধু পাওয়ার বিচ্ছিন্ন করে চালকদের ফেরত পাঠিয়েছি। এরপর বন্ধ না হলে পুলিশের সহতায় রিকশাগুলো ডাম্পিংয়ে নিয়ে যাব। কয়েকজন লোভী রাজনৈতিক কর্মীর কারণে প্রধানমন্ত্রীর দুর্নাম হবে, মানুষ বিপদে পড়বে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন ক্ষুদ্র কর্মী হিসেবে এটা মানতে পারছি না বলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে মাঠে নেমেছি।



সাতদিনের সেরা