kalerkantho

শনিবার । ৯ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৪ জুলাই ২০২১। ১৩ জিলহজ ১৪৪২

‘আমাদের মেরে ফেলুন নইলে পুলিশে দিন’

অনলাইন ডেস্ক   

২২ জুন, ২০২১ ১৪:৫৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘আমাদের মেরে ফেলুন নইলে পুলিশে দিন’

ঢাকার অদূরে ধামরাইয়ে জনতার হাতে দুদিন ধরে আটক প্রেমিক যুগল অভুক্ত থাকার যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে। অসামাজিক কার্যকলাপের অপরাধে গ্রাম্য মাতবররা তাদের অনাহারে রেখে এ অমানবিক শাস্তি দিচ্ছে। শুধু তাই নয় তাদের সঙ্গে আত্মীয় স্বজন কিংবা সংবাদকর্মীদেরও সাক্ষাত করতে দিচ্ছে না সমাজপতিরা। ক্ষুধার যন্ত্রণায় তারা চিৎকার করে বলছে- হয় খেতে দিন না হয় মেরে ফেলুন অথবা আমাদেরকে পুলিশে সোপর্দ করুণ। তবু ক্ষুধার যন্ত্রণা দিয়ে এমন শাস্তি দেবেন না। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার পশ্চিম সূত্রাপুর গ্রামে।

গ্রামবাসী জানান,উপজেলার পশ্চিম সূত্রাপুর গ্রামের মো. সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে বাবু মিয়া বছর খানেক ধরে ঢাকা হযরত শাহজালাল (রহঃ) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কার্গোবিমানের লেবার পোস্টে চাকরি করেন। এ সুযোগে তার স্ত্রী ১ সন্তানের জননী জাহাঙ্গীর আলম নামে এক তরুণের সঙ্গে গভীর পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন।

বিষয়টি স্থানীয় লোকজনের দৃষ্টিগোচর হলে তারা রবিবার ভোররাতে ঘরের ভেতর ওই প্রেমিক যুগলকে মেলামেশারত অবস্থায় আটক করে। এর পর ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী তাদেরকে মারধর করে আটকে রাখে। ওই প্রেমিক যুগলকে দুদিন ধরে একটি ঘরের ভেতরে আটকে রাখা হয়েছে। তাদেরকে কোনো খাবার খেতে দেয়া হচ্ছে না। এমনকি কারও সঙ্গে দেখা সাক্ষাৎ করতে দেয়া হচ্ছে না।

ওই গৃহবধূর পিতা চৌহাট ইউনিয়নের ভাকুলিয়া গ্রামের মো. আব্দুল বাছেত মিয়া এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে তার মেয়েকে নিতে আসলেও সমাজপতিরা ওই গৃহবধূকে যেতে দেয়নি। তাদের সাফ কথা মেয়েটির স্বামী বাড়ি না আসা পর্যন্ত প্রেমিকযুগলকে আটকে রাখা হবে।

ওয়ার্ড মেম্বার মো. আবুল হাসেম বকুল বলেন, ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে ছুটে এসেছি। গৃহবধূর স্বামী বাবু মিয়া না আসার কারণে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া যাচ্ছে না।



সাতদিনের সেরা