kalerkantho

বুধবার । ২৯ বৈশাখ ১৪২৮। ১২ মে ২০২১। ২৯ রমজান ১৪৪২

করোনার থাবা, না ফেরার দেশে কবি শঙ্খ ঘোষ

অনলাইন ডেস্ক   

২১ এপ্রিল, ২০২১ ১২:২১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



করোনার থাবা, না ফেরার দেশে কবি শঙ্খ ঘোষ

মারা গেছেন পশ্চিমবঙ্গের কবি শঙ্খ ঘোষ। বুধবার বাংলা সাহিত্যের এই যুগাবসান ঘটে। গত সপ্তাহেই কভিডে আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এলো দুই বাংলার সাহিত্যমহলে।

কভিড সংক্রমণ ধরা পরার পর ঝুঁকি না নিয়ে বাড়িতেই কোয়ারেন্টিনে ছিলেন। তিনি নিজেও হাসপাতালে যেতে চাননি। তাই বাড়িতেই চিকিৎসা চলছিল। কিন্তু মঙ্গলবার রাতে হঠাত করেই তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে। বুধবার সকালে তাঁকে ভেন্টিলেটরে দেওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসকদের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে চলে গেলেন কবি। বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ ভেন্টিলেটর খুলে নেওয়া হয়।

কবির মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘‘শঙ্খদার মৃত্যুতে শোকজ্ঞাপন করছি। তাঁর পরিবার এবং শুভানুধ্যায়ীদের সকলকে সমবেদনা জানাই। কোভিডে মারা গিয়েছেন শঙ্খদা। তা সত্ত্বেও যাতে রাষ্ট্রীয় সম্মানের সঙ্গে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন করা যায়, মুখ্যসচিবকে তেমন নির্দেশ দিয়েছি। তবে শঙ্খদা গান স্যালুট পছন্দ করতেন না। সেটা বাদ রাখছি।’’

দুই দিন ধরে ধরেই জ্বরে ভুগছিলেন শঙ্খ ঘোষ। চিকিৎসকের পরামর্শে করোনা পরীক্ষা করান। গত বুধবার বিকেলে সেই রিপোর্ট আসে। তখনই জানা যায় যে, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত শঙ্খ ঘোষ। উপরন্তু বার্ধক্যজনিত সমস্যাতেও ভুগছিলেন তিনি। অতঃপর প্রবীণ কবির করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই চিন্তিত হয়ে পড়ে সাহিত্যমহল। এবার আর ধকল সামলাতে পারলেন না। এক বুধবারে পজিটিভ হলেন, আরেক বুধবারে না ফেরার দেশে চলে গেলেন কবি।

৯৭৭ সালে ‘বাবরের প্রার্থনা’ কাব্যগ্রন্থটির জন্য তিনি ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সাহিত্য পুরস্কার সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার পান।

১৯৯৯ সালে কন্নড় ভাষা থেকে বাংলায় ‘রক্তকল্যাণ’ নাটকটি অনুবাদ করেও সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার পান তিনি। এ ছাড়াও রবীন্দ্র পুরস্কার, সরস্বতী সম্মান, জ্ঞানপীঠ পুরস্কার পেয়েছেন। ২০১১ সালে তাঁকে পদ্মভূষণে সম্মানিত করে তৎকালীন ভারত সরকার।



সাতদিনের সেরা