kalerkantho

বুধবার । ২৯ বৈশাখ ১৪২৮। ১২ মে ২০২১। ২৯ রমজান ১৪৪২

আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা, ৬৯ এর গণ অভ্যুত্থান এবং লেখক মওদুদ আহমেদ

এমরান আহম্মদ ভূঁইয়া    

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৩:২৪ | পড়া যাবে ৯ মিনিটে



আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা, ৬৯ এর গণ অভ্যুত্থান এবং লেখক মওদুদ আহমেদ

‘হোয়াই হ্যাভ ইউ কাম হোয়েন ইভেন ক্রোওস আর এফরেইড টু ফ্লাই ওভার আওয়ার হাউজ’- মওদুদ আহমেদের বই-‘বাংলাদেশঃ কন্সটিউশনাল কোয়েষ্ট ফর অটোনমি ১৯৫০-১৯৭১’ বইটিতে বঙ্গমাতা বেগম মুজিবের উপরোক্ত উদ্ধৃতি পাওয়া যায়, মওদুদ আহমেদের সঙ্গে বেগম মুজিবের প্রথম সাক্ষাতের সময়কার বর্ণনায়। সময়ঃ জানুয়ারী ১৯৬৮ সালের শেষের দিক। পাকিস্তান আর্মির হাতে বঙ্গবন্ধু আটক আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায়। বলা বাহুল্য কথাটি বলা হয়েছিল মওদুদ আহমেদকে উদ্দেশ্য করে। যদিও বইটিতে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার ঘটনা বর্ননায় যা লেখা রয়েছে তাতে কোনো পাঠক যদি বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিনী যে আক্ষেপ নিয়ে কথাটি বলে ছিলেন তার অন্য মানে খোঁজে তাতে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই।

বইটির লেখক মওদুদ আহমেদকে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার কিছু নেই। প্রশ্ন সাপেক্ষে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে তার অবদান রয়েছে, তার দাবী মতে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা চলাকালীন সময়ে বঙ্গবন্ধু তাকে পিএস হিসাবে নিয়োগ দিয়েছিলেন, বইটি প্রকাশিত হওয়ার পরে জিয়াউর রহমানের বিএনপি আমলে তিনি ছিলেন (বইটির প্রকাশ কাল ১৯৭৬ - হাইডেলবার্গ ইউনিভার্সিটির সাউথ এশিয়ান ইন্সটিটিউট এবং ১৯৭৯ ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড, বাংলাদেশ) ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী, এরশাদ সরকারের জাতীয় পার্টি আমলে তিনি প্রধানমন্ত্রী পরবর্তীতে ভাইস প্রেসিডেন্ট আবার ২০০১ এর খালেদা জিয়ার বিএনপি সরকারে তিনি ছিলেন আইনমন্ত্রী বর্তমানে বিএনপির সর্বোচ্চ ফোরাম স্থায়ী কমিটির সদস্য, তুখোড় আইনজীবি, ভাল লেখক, পল্লীকবি জসীমউদদীনের মেয়ের স্বামী, দক্ষ পার্লামেন্টেরিয়ান, চমত্কার ইংরেজি এবং শুদ্ধ বাংলায় কথা বলেন। ওমর খৈয়াম বলেছেন রুটি, মদ ফুরিয়ে যায়, প্রিয়ার মায়াবী চোখও ঘোলাটে হয় কিন্ত বই অনন্ত যৌবনা-লেখক মওদুদ আহমেদের এই অনন্ত যৌবনা বইটির ৬ এবং ৭ নং অধ্যায়ে ‘আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা’ এবং ঊনসত্তরের গনঅভ্যুত্থানের ইতিহাস বিবৃত রয়েছে। বইটিতে বিবৃত আছে পাকিস্তান সরকার ১৯৬৮ সালের ১৮ জানুয়ারি প্রেসনোটের মাধ্যমে প্রথম স্বীকার করেন  পূর্ব পাকিস্তানকে পাকিস্তান থেকে বিচ্ছিন্ন করার ষড়যন্ত্রের কথা এবং তাদের কাছে বিশ্বাসযোগ্য সাক্ষ্য রয়েছে যে শেখ মুজিবুর রহমান এই ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িত। 

উল্লেখ্য ১৯৬৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে লাহোরে বিরোধী দলসমুহের জাতীয় সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু ঐতিহাসিক ছয়দফা দাবী পেশ করেন। অতঃপর তিনি ছয়দফার প্রতি জনমত তৈরির জন্য পূর্ব বাংলায় সাংগঠনিক তত্পরতা শুরু করেন এবং জনগন তাতে অভাবনীয় সাড়া প্রদান করলে পাকিস্তান শাসকগোষ্ঠী তাকে ঢাকা, চট্টগ্রাম, যশোর, ময়মনসিংহ, সিলেট, খুলনা, পাবনা, ফরিদপুরে বারংবার গ্রেপ্তার করেন এবং তিনি প্রতিবার জেল খেটে জামিনে বের হয়ে আসেন। এই ঘটনা গুলো সব ঘটে ছয় দফা দাবী করার মাত্র তিন মাসের মধ্যে। সর্বশেষ ৮ মে ১৯৬৬ সালে নারায়নগঞ্জে পাটকল শ্রমিকদের জনসভায় বক্তৃতা শেষে গভীর রাতে দেশ রক্ষা আইনে তাঁকে গ্রেফতার করা হয় তারপর ১৭ জানুয়ারি ১৯৬৭ সালে তাকে মুক্তি দিয়ে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আর্মির হেফাজতে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরবর্তীতে তাঁকে সহ ৩৫ জনকে আসামী করে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় আটক দেখানো হয়। তবে বঙ্গবন্ধু তাঁকে এরকম কোনো দুরভিসন্ধিমূলক মামলায় জড়ানো হতে পারে তা বুঝতে পেরেছিলেন। ( সুত্রঃ কারাগারের রোজনামচা- শেখ মুজিবুর রহমান এবং ডিক্লাসিফাইড ডকুমেন্টস ১৯৫৩-১৯৭৩ ইউএস স্টেটস ডিপার্টমেন্ট)। বইটিতে আরও পাওয়া যায় সেসময়কার সুপ্রিম কোর্ট বারের পরিস্থিতি তার বিবৃত মতে আওয়ামী লীগ এর সঙ্গে জড়িত বা বঙ্গবন্ধুকে ব্যক্তিগত ভাবে চিনেন এমন আইনজীবিগণ বিষয়টিকে গুরুত্ব দিচ্ছিলেন না আর তাই যখন পাকিস্তান সরকার স্পেশাল ট্রাইবুনাল গঠন করেন তখন বঙ্গবন্ধুকে আইনি সহায়তা দেওয়ার মত আইনজীবিও পাওয়া যাচ্ছিল না। সর্বপ্রথম তিনজন তরুন আইনজীবি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধুকে আইনি সহায়তা দেওয়ার জন্য। তাদের একজন লেখক স্বয়ং, অন্য দুজন কে.জেড. আলম এবং সাখাওয়াত হোসেন যদিও তাদের কথা বইয়ের ফুটনোট ব্যতীত আর কোথাও পাওয়া যায় না। যাহোক তিনি বারংবার অধ্যায় দুটিতে বঙ্গবন্ধুকে একজন আপসকামী নেতা হিসাবে চিত্রিত করার চেষ্টা করেছেন তিনি লিখেছেন ১৯৬৮ সালের ডিসেম্বর থেকে তিনি, আমীর-উল-ইসলাম এবং ড. কামাল হোসেন এর সঙ্গে বঙ্গবন্ধু প্রতিনিয়ত দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলাপ করতেন এবং তিনি যেকোনো মুল্যে আটকাবস্থা থেকে বের হতে চাচ্ছিলেন কেননা তিনি আতংকিত ছিলেন তার অবর্তমানে পার্টির নেতৃত্ব অন্য কারও হাতে চলে যায় কি না এই ভেবে। অথচ তিনি একবারও লিখেননি সরকারের চরম দমন-পীড়ন, মামলা হামলা উপেক্ষা করে অক্টোবর ১৯৬৮ সনে আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে বঙ্গবন্ধু কে সর্বসম্মতভাবে পরবর্তী দুই বছরের জন্য পুনরায় পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ এর সভাপতি নির্বাচিত করা হয় আর সেই কাউন্সিলের প্রধান সিদ্ধান্ত ছিল আটক সব বন্দীর নিঃশর্ত মুক্তি যা সেসময়ের পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল। আর তাই ভাবনার অবকাশ থাকে। কেননা লেখকের স্মৃতিকথার আলোকে বইটি রচিত নয়, রচনার সময় সেসময়কার পত্রিকার রেফারেন্স তিনি প্রায়সই নিয়েছেন। উল্লেখ্য বঙ্গবন্ধুসহ আরও চারজন আটক নেতাও ছিলেন সেই কমিটিতে তার মধ্যে একজন তাজউদ্দিন আহমদ যিনি ছিলেন সেই কমিটির নির্বাচিত সাধারন সম্পাদক (তথ্য সুত্রঃ ডিক্লাসিফাইড ডকুমেন্টস ১৯৫৩-১৯৭৩ ইউএস স্টেটস ডিপার্টমেন্ট)। 

১৯৬৮ সালের ডিসেম্বর থেকে সারা বাংলাদেশে যখন আন্দোলন তুঙ্গে; ছাত্র, জনতা, শ্রমিক কারফিউ, ১৪৪ ধারা, হত্যা, বুলেট, গ্রেপ্তার, নির্যাতন উপেক্ষা করে ‘জয় বাংলা’, ‘তোমার আমার ঠিকানা পদ্মা, মেঘনা-যমুনা’, ‘জেলের তালা ভাঙ্গবো শেখ মুজিব কে আনবো’, ‘ঢাকা না পিন্ডি, ঢাকা ঢাকা’, ‘পাঞ্জাব না বাংলা, বাংলা বাংলা’, ‘আমার দেশ তোমার দেশ, বাংলাদেশ বাংলাদেশ’ স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত রাজপথ। মৃত্যুর পরোয়া করছে না জনগন এরকম একটি পরিস্থিতিতে মহাপ্রতাপশালী স্বঘোষিত ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব তাঁর বিবেচনায় ‘স্বাধীনতার অযোগ্য খুদ্র অন্তঃকরনের বাঙালি’র মার খেয়ে গোলটেবিল বৈঠকের মাধ্যমে পরিস্থিতি সামাল দিতে চাইলেন। তবে ১০ বছরের দাম্ভিক স্বৈরশাসক জালিম আইয়ুব কুট চাল দিতে ভুললেন না তিনি বললেন ৬৬ সাল থেকে বন্দী-নির্যাতিত বাঙালি নেতা শেখ মুজিবকে তিনি প্যরোলে মুক্তি দিবেন গোলটেবিল বৈঠকে তাঁর উপস্থিতির প্রয়োজনীয়তার জন্য (তথ্য সুত্রঃ সিরাজুল আলম খান, স্বাধীনতা, সশস্ত্র সংগ্রাম এবং আগামীর বাংলাদেশ, মাহফুজা খানমের ডায়েরি দ্বিতীয় খণ্ড, আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর-আবুল মনসুর আহমদ, ডায়ারিজ অব ফিল্ড মার্শাল মোহাম্মদ আইয়ুব খান ১৯৬৬-১৯৭২, বাংলাদেশ কোয়েস্ট ফর ফ্রিডম এন্ড জাস্টিস- কামাল হোসেন)। লেখক মওদুদ আহমেদ সেই প্রস্তাবের পরবর্তী ঘটনা বর্ননা করছেন এভাবে ‘মুজিব রিকোয়েস্টেড আস টু অ্যারেঞ্জ আ প্যরোল ফর হিম অ্যাস হি বিকেইম ইমপ্যাসেন্ট টু জয়েন দ্য কনফারেন্স’ এবং তার ভাষ্য মতে ১৯৬৯ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেছিলেন আইয়ুবের সঙ্গে আপোষ করে জামিন বা প্যরোল নিয়ে বের হয়ে গোলটেবিল বৈঠকে বসবেন যদিও ইতিমধ্যেই একই মামলায় আটক সার্জেন্ট জহুরুল হক খুন হয়েছেন ১৫ তারিখ ক্যান্টনমেন্টে, মাওলানা ভাসানী ডাক দিয়েছেন ক্যান্টনমেন্ট ঘেরাও করে মুজিবকে ছিনিয়ে আনার, রাজশাহী ভার্সিটির প্রক্টর জোহা স্যারকে বেয়নেটে খুঁচিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে, বুকের দুধ পান করানো অবস্থায় গুলিতে মারা গিয়েছে মা, রক্তে মাখামাখি হয়ে তার পাশে পরে আছে শিশু, সরকারি মুল কৌশলি আর ট্রাইবুনালের প্রধান বিচারপতি পালিয়ে গিয়েছেন পশ্চিম পাকিস্তান আর ফিরবেন না বলে দিয়েছেন, ট্রাইবুনালের বাঙালি বিচারপতিদের বাসা আক্রান্ত হয়েছে, মামলার নথি পর্যন্ত পুড়িয়ে দিয়েছে ক্রুদ্ধ জনতা, প্রাদেশিক কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের বাসা তছনছ, খান এ সবুরের খুলনার বাসায় আগুন, ভুট্টো, তাজউদ্দিন আহমদকে মুক্তি দিয়েও পরিস্থিতি  সামাল দিতে পারছে না আইয়ুব সরকার। পাকিস্তানি ইতিহাসবিদ পাঞ্জাব ভার্সিটির শিক্ষক মাহবুব হোসেন তাঁর লেখা ‘বেঙ্গলি ন্যাশনালিজম অ্যান্ড এন্টি আইয়ুব মুভমেন্ট’ নামক গবেষনা পত্রে (ভলিউম ৭, নং-২, ডিসেম্বর ২০০৬, পাঞ্জাব ইউনিভার্সিটি, লাহোর) যে হিসাব দিয়েছেন তাতে দেখা যায় সরকার বিরোধী আন্দোলনে ডিসেম্বরে  মৃত্যুর সংখ্যা ১১ জন, ১৩৫০ জন গ্রেপ্তার, জানুয়ারিতে মৃত ৫৭ জন, ৪৭৭০ জন গ্রেফতার আহতের সংখ্যা ১৪২৪, ফেব্রুয়ারি ২০ তারিখের মধ্যে মৃত্যুর সংখ্যা ৫৭, আহত অগুনিত আর লেখকের ভাষ্যমতে তিনি বঙ্গবন্ধুর নির্দেশ ক্রমে জামিন বা প্যরোলের দরখাস্ত লিখছেন। কেবল তাই নয় ২০ তারিখ সন্ধায় তিনি এয়ারপোর্টে অপেক্ষায় ছিলেন বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে একটি চার্টার্ড বিমানে করে পাকিস্তান যাওয়ার জন্য। কিন্ত তার পরামর্শে বেগম মুজিব বঙ্গবন্ধু কে পরিস্থিতি বোঝাতে সক্ষম হওয়ায় ২০ তারিখে তিনি সকল রাজবন্দীর মুক্তি ব্যাতিরেকে গোল টেবিল বৈঠকে অংশ নিবেন না বলে জানান যার পরিপ্রেক্ষিতে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করতে সরকার বাধ্য হয় বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দী মুক্তি পান ২২ তারিখে।

অথচ ১৫ ফেব্রুয়ারির ব্রিটিশদের তারবার্তায় (সুত্র  ডিক্লাসিফাইড ডকুমেন্টস ১৯৬২-১৯৭১ ইউকে ফরেন এন্ড কমনওয়েলথ অফিস রিপোর্ট) পাওয়া যায় বঙ্গবন্ধু প্যরোলের মুক্তির প্রস্তাব বাতিল করেছেন, ডঃ কামাল হোসেন তার প্রবন্ধ "শেখ মুজিব কোয়ালিটি অব লিডারশীপ" প্রবন্ধে পরিস্কার ভাবে  লিখেছেন বঙ্গবন্ধুর প্রধান কৌশলী আব্দুস সালাম খান যখন আইয়ুবের প্রস্তাবের কথা কোর্টরুমে তাকে জানান তখন বঙ্গবন্ধু ডঃ কামাল হোসেন কে  বলেছিলেন  তিনি  তখনি গোল টেবিল বৈঠকে অংশ নিবেন যখন তিনি এবং আসামির ডকে দাড়ানো সকলে মুক্ত হবেন। 
মওদুদ আহমেদের লিখিত বক্তব্য মতে ব্রিটিশ তারবার্তা ভুল সাক্ষ্য দেয়, বাঙালি/পাকিস্তানি লেখক, ইতিহাসবিদ-গবেষকদের গবেষনা সত্য নয়, ড. কামাল হোসেন মিথ্যা কথা বলেছেন, আমেরিকান তারবার্তা ভুয়া, আইয়ুব খান তার ডায়েরিতে ভুল লিখেছেন, তত্কালীন সংবাদপত্রের সংবাদ সত্য নয়। বইটি পড়ে বিভ্রান্ত পাঠকদের স্মরনে রাখা উচিত্ মওদুদ আহমেদকে প্রথম দেখে বঙ্গমাতার প্রশ্নটি ‘হোয়াই হ্যাভ ইউ কাম হোয়েন ইভেন ক্রোওস আর অ্যাফরেইড টু ফ্লাই ওভার আওয়ার হাউজ’।
 

লেখক: ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল,বাংলাদেশ এবং কলামিস্ট



সাতদিনের সেরা