kalerkantho

শনিবার । ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৮ নভেম্বর ২০২০। ১২ রবিউস সানি ১৪৪২

জলবায়ু পরিবর্তনেও করোনা

ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম   

২১ অক্টোবর, ২০২০ ১৪:৫০ | পড়া যাবে ৮ মিনিটে



জলবায়ু পরিবর্তনেও করোনা

মানবজাতি প্রাণঘাতী করোনার বন্দিদশা থেকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে। করোনাভাইরাসের চরিত্র বিশ্লেষণে দেখা যায়, সারা পৃথিবীর সব জায়গা থেকে ভাইরাসটি বিতাড়িত হলেই শুধু মানুষ স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারবে। তা না হলে আবার ভাইরাসটির সংক্রমণের শঙ্কা পৃথিবীতে থেকে যাবে। আবার দেখা যাচ্ছে, বিশেষজ্ঞরা করোনার বিপরীতে মানুষের হার্ড ইমনিউটির ওপর নজর রাখছেন। যদিও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বিষয়টির ওপর কম গুরুত্ব দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে। গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, করোনাসহ সব মহামারির সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের যোগসূত্র রয়েছে। মানবজাতি কর্তৃক প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণে পরিবেশ বিপর্যয়ের গুরুত্ব না দেওয়ায় প্রকৃতির ভারসাম্যহীনতা দিন দিন বেড়েই চলেছে। উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে, একটি দাঁড়িপাল্লার এক পাশে পুরো পৃথিবী এবং অন্য পাশে অনেক গোল্ড বার রাখা হলো। এমতাবস্থায় মানুষকে যদি বলা হয়, গোল্ড বার অথবা পৃথিবী এই দুটির যেকোনো একটি পছন্দ করতে হবে। স্বাভাবিকভাবেই মানুষ গোল্ড বারের দিকে নজর দেবে। দুঃখজনক হলেও সত্য, মানুষ কখনো চিন্তাই করবে না যে পৃথিবী না থাকলে কখনো গোল্ড উত্পন্নই হবে না। এইভাবে মানুষ ‘পরিবেশ বিপর্যয়’ প্রতিনিয়ত উপেক্ষা করে প্রাকৃতিক সম্পদ সংগ্রহে মগ্ন। ফলে প্রাকৃতিক সম্পদের ভারসাম্যহীনতা জলবায়ু পরিবর্তনকে উৎসাহিত করতে দেখা যাচ্ছে। 

আজ জলবায়ু পরিবর্তনে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাপন হুমকির সম্মুখীন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, জলবায়ু পরিবর্তনে সারা পৃথিবীতে মানুষ পানিদূষণ, বন্যা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও পুষ্টিকর খাবারের অভাবসহ বিভিন্ন ধরনের মহামারির সম্মুখীন হচ্ছে, যা স্বাস্থ্যঝুঁকি লাগামহীনভাবে বাড়িয়ে দিচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনে উন্নয়নশীল দেশগুলো উন্নত দেশের তুলনায় বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা উপস্থাপিত তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণে বলা যেতে পারে, জলবায়ু পরিবর্তনে ২০২০-৫০ সালের মধ্যে বছরে দুই লাখ ৫০ হাজার মানুষ স্বাভাবিক হিসাবের চেয়ে অতিরিক্ত মারা যাবে। এর মধ্যে বেশির ভাগ মানুষই পুষ্টিহীনতা, ডায়রিয়া, ম্যালেরিয়া ও বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধিতে মারা যাবে। ফলে স্বাস্থ্য খাতে বছরে দুই-চার বিলিয়ন ডলার ব্যয় বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধিতে কার্ডিওভাসকুলার ও শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত রোগের প্রাদুর্ভাবও বেড়ে যাবে। এ ক্ষেত্রে বয়স্ক মানুষ বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। 

বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধিতে বায়ুতে দূষিত উপাদান ও পোলেনসহ অন্যান্য ক্ষতিকর পদার্থের উপস্থিতি দিন দিন বেড়েই চলেছে। ফলে মানুষ অ্যাজমা ও শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত জটিল রোগের শিকার হচ্ছে। অন্যদিকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বৃষ্টিপাতের ধরনও পরিবর্তিত হচ্ছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বছরে প্রায় ৬০ হাজার অতিরিক্ত লোক মারা যাচ্ছে। এমতাবস্থায় একুশ শতকে সারা পৃথিবীতে বন্যা, খরা ও সাইক্লোনের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। 

পৃথিবীতে সব প্রাণীর বেঁচে থাকার জন্য অজৈব উপাদানের গুরুত্ব অপরিসীম। তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, বৃষ্টিপাত, বাতাসসহ সব অজৈব উপাদানের সঙ্গে প্রাণিকুলের যোগসূত্র রয়েছে। বন্য প্রাণীসহ সব প্রাণীই বেঁচে থাকার জন্য নির্দিষ্ট মাত্রার অজৈব উপাদানের উপস্থিতিতে টেকসই জীবন যাপন করে থাকে। যদি জলবায়ু পরিবর্তনে অজৈব উপাদানগুলো সহনীয় মাত্রার চেয়ে বেশি বা কম বিদ্যমান থাকে, তাহলে প্রাণীগুলো তাদের নির্দিষ্ট বাসস্থান থেকে অন্যত্র স্থানান্তরের চেষ্টা করে।

যা হোক, বিজ্ঞানসম্মতভাবে দেখা যাচ্ছে, প্রতিটি প্রাণীরই বেঁচে থাকার জন্য ইকোসিস্টেমের গুরুত্ব অপরিসীম। অন্যদিকে জলবায়ু পরিবর্তনে প্রাণিকুলের বেঁচে থাকার জন্য ইকোসিস্টেম ব্যাপক বিপর্যয়ের শিকার হচ্ছে। গবেষণার তথ্য অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে, করোনাভাইরাস বন্য প্রাণী থেকে মানুষের শরীরে স্থানান্তরিত হয়েছে। অনেকের মতে, ভাইরাসটি চীনের হুবেই প্রদেশে বন্য প্রাণী বেচাকেনার জন্য অনুমোদিত ওয়েট মার্কেটের সাপ অথবা বাঁদুড় থেকে মানুষের দেহে প্রবেশ করেছে। আবার অন্য তথ্যে দেখা যাচ্ছে, ভাইরাসটি পেঙ্গুলিন থেকে মানুষের শরীরে প্রবেশ করেছে। ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যাচ্ছে, মাইগ্রেটরি পাখিগুলোই এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জাসহ অন্যান্য ভাইরাস মানুষের শরীরে স্থানান্তরে ভূমিকা রেখেছে। 

এমতাবস্থায় প্রকৃতিতে প্রাণিকুলের বেঁচে থাকার জন্য জৈব ও অজৈব উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত সহনশীল স্বাস্থ্যসম্মত ইকোসিস্টেমের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। যেহেতু ভাইরাসটি বন্য প্রাণী থেকে মানুষের শরীরে স্থানান্তরিত হয়েছে সেহেতু ধারণা করা যেতে পারে, করোনাভাইরাস বহনকারী শনাক্তকৃত বন্য প্রাণীর জন্য উপযুক্ত বাসস্থান, তাপমাত্রাসহ অন্যান্য অজৈব ও জৈব উপাদানের ঘাটতি ছিল। ফলে ওই প্রাণীগুলো তাদের নিজস্ব পরিবেশ থেকে স্থানান্তরিত হয়ে মানুষের কাছাকাছি চলে আসায় খাদ্যশৃঙ্খলের কোনো এক মাধ্যমে মানুষের দেহে প্রবেশের বিষয়টি উড়িয়ে দেওয়া যায় না। 

অজৈব ও জৈব উপাদানগুলোর ভারসাম্যহীনতার পেছনে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবই দায়ী। মোটাদাগে বলা যেতে পারে, জলবায়ু পরিবর্তনে সৃষ্ট প্রকৃতির ভারসাম্যহীনতার কারণে বন্য প্রাণী তাদের বাসস্থান পরিবর্তন করে মানুষের সংস্পর্শে চলে আসে। এ অবস্থায় মানুষের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বন্য প্রাণীর তুলনায় কম হওয়ায় করোনাভাইরাসের সংক্রমণে মানুষ অতি সহজেই মৃত্যুর শিকার হচ্ছে। 

বন্য প্রাণীর টেকসই জীবনযাপনের জন্য জৈব বৈচিত্র্যেরও গুরুত্ব রয়েছে। আবার জৈব বৈচিত্র্য ইকোসিস্টেম সার্ভিসের ওপর নির্ভর করে। বৈচিত্র্যময় জীবের উপস্থিতিতে প্রাণিকুলের মধ্যে পরিপূর্ণ খাদ্যশৃঙ্খল দৃশ্যমান থাকতে দেখা যায়। যদি কোনো এক প্রাণী পরিবেশ থেকে বিলুপ্ত হয়, তাহলে প্রাণীগুলোর খাদ্যশৃঙ্খলের মধ্যে খাদ্যের ঘাটতি দেখা দেয়। ফলে বিলুপ্ত প্রাণীর অনুপস্থিতিতে অন্যান্য প্রাণীর খাদ্যশৃঙ্খলের মধ্যে ভারসাম্যহীনতা পরিলক্ষিত হয়। এইভাবে যদি একের পর এক প্রাণী পরিবেশ থেকে বিলুপ্ত হতে থাকে, তাহলে ভবিষ্যতে দেখা যাবে, জীবিত অনেক প্রাণীই উপযুক্ত খাদ্য ও বাসস্থানের অভাবে নিজস্ব পরিবেশ পেরিয়ে অন্য পরিবেশে চলে আসার চেষ্টায় ব্রত থাকবে। প্রাণীগুলোর বিলুপ্তির পেছনে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবই বিদ্যমান। 

বিজ্ঞানীদের গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, জৈব বৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় করোনাভাইরাসের আগমনের বিষয়টিও উড়িয়ে দেওয়া যায়নি। ভবিষ্যতে করোনা ছাড়া অন্যান্য মহামারিও দেখা দিতে পারে। চলমান করোনার মহামারি থেকে পরিবেশ বিপর্যয়ের বিষয়টি গুরুত্বসহকারে নজরে আনা উচিত। জলবায়ু পরিবর্তন মানবজাতি কর্তৃক কার্যক্রমের ফলাফল। আজ এই জলবায়ু পরিবর্তনে গোটা পৃথিবীর পরিবেশ বিপর্যয়ের সম্মুখীন। অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও শিল্পায়ন, বনায়ন ধ্বংস, জমিতে যথেচ্ছ সার ও কীটনাশক প্রয়োগ, বন্য প্রাণী শিকার, জমিতে অপরিকল্পিত শস্য পরিবর্তন, জলাশয় ভরাটসহ বিভিন্ন কারণে জলবায়ু পরিবর্তন দিন দিন বেড়েই চলেছে।

এমতাবস্থায় পরিবেশ বিপর্যয়ের গুরুত্ব অনুধাবন করে জলবায়ু পরিবর্তন কমানোর ওপর বিশেষ নজর দেওয়া উচিত। এ ছাড়া জাতিসংঘের এজেন্ডা অনুযায়ী নিম্ন আয়ের দেশ থেকে মধ্যম ও উন্নত দেশে পরিণত হতে হলে জলবায়ু পরিবর্তন কমানোর ওপর বিশেষ নজর দিতে হবে। সে ক্ষেত্রে প্রতিটি দেশে পরিকল্পিত নগরায়ণ, শিল্পায়নসহ বনজসম্পদ বৃদ্ধির ওপর জোর দিতে হবে। প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট ম্যানগ্রোভ বনায়নসহ অন্যান্য বনায়নের ওপরও গুরুত্ব আরোপ করতে হবে। এ ছাড়া উদ্যোক্তাদেরও শিল্পায়ন ও নগরায়ণ বৃদ্ধির সময় পরিবেশ বিপর্যয়ের বিষয়টি প্রাধান্য দিয়ে জলবায়ু পরিবর্তন কমানোর ওপর নজর দিতে হবে। 

যা হোক, যেকোনো দেশের পরিবেশ বিপর্যয়ের বিষয়ে সরকারের পাশাপাশি জনগণকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় সারা বিশ্বকে একই ফ্রেমে দাঁড়িয়ে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। আবার আঞ্চলিকতার দিক দিয়েও প্রতিটি দেশের সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। এই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা মুজিববর্ষ উপলক্ষে এক কোটির ওপর গাছ লাগিয়েছেন, যা জলবায়ু পরিবর্তন কমিয়ে পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। 

জলবায়ু পরিবর্তনে বাংলাদেশ পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি হুমকির সম্মুখীন। এমতাবস্থায় উপকূলীয় অঞ্চলে বসবাসরত মানুষ প্রতিনিয়ত প্রাকৃতিক দুর্যোগের শিকার হচ্ছে। এরই মধ্যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৬০০ পরিবারকে জলবায়ু পরিবর্তনে টেকসই বাড়ি হস্তান্তর করেছেন। ভবিষ্যতে ওই সব আশ্রয়কেন্দ্রে আরো চার হাজার ৪০৯ জন ক্লাইমেট রিফিউজিকে পুনর্বাসন করার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন। জাতিসংঘ কর্তৃক ‘চ্যাম্পিয়ন্স অব দি আর্থ’ পুরস্কারে ভূষিত জননেত্রী শেখ হাসিনার জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় গৃহীত পদক্ষেপগুলো সারা বিশ্বে প্রশংসার দাবি রাখে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের প্রত্যেক মানুষ যদি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় সচেতন হয়, তাহলে বাংলাদেশের মতো স্বল্পোন্নত দেশ উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি দূরে নয়। পরিশেষে দেখা যাচ্ছে, ভিশন-২০২১ ও ভিশন-২০৪১ অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্ব জলবায়ু পরিবর্তনে সৃষ্ট করোনাসহ সম্ভাব্য অন্যান্য মহামারি মোকাবেলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং ভবিষ্যতে চিকিত্সাবিজ্ঞানে ব্যয় সংকোচনে সাহায্য করবে। 

সম্প্রতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংসদ অধিবেশনে বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সম্পর্কে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করেছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী বলা যেতে পারে, ভবিষ্যতে জলবায়ু পরিবর্তনে ১৯টি জেলার ৭০টি উপজেলার প্রায় চার কোটি মানুষ তাদের নিজস্ব এলাকা থেকে অন্যত্র স্থানান্তরিত হতে পারে। প্রধানমন্ত্রী আরো বলেছেন, সম্প্রতি জলবায়ু পরিবর্তনে তাপমাত্রা ০.৫ থেকে ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বেড়েছে। অন্যদিকে জলবায়ু পরিবর্তনে সৃষ্ট প্রাকৃতিক দুর্যোগে উপকূলীয় অঞ্চলে প্রায় ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত লবণাক্ততার প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। মোটাদাগে বলা যেতে পারে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় যুগপোযোগী পদক্ষেপ গ্রহণের নিমিত্তে সারা বিশ্বে প্রশংসার দাবি রাখেন। 

লেখক : সহযোগী অধ্যাপক, এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, সালনা, গাজীপুর

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা