kalerkantho

বুধবার । ১৫ আশ্বিন ১৪২৭ । ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০। ১২ সফর ১৪৪২

মাত্র ১ মাস ৬ দিন পরে তিনিও চলে যাবেন, কে জানতো!

অনলাইন ডেস্ক   

২৭ জুলাই, ২০২০ ১৫:০৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মাত্র ১ মাস ৬ দিন পরে তিনিও চলে যাবেন, কে জানতো!

'আমার মা এসেদা রহমান ৭৭ বছর বয়সে আজ (২১ জুন) রাত ২.৩০ মিনিটে হৃদরোগ-কিডনীরোগ-ডায়াবেটিকস ও নিউমোনিয়ায় রোগে আক্রান্ত হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ও এই পৃথিবীর সবকিছু ত্যাগ করে  না ফেরার দেশে চলে গেছেন। তিনি অত্যন্ত পরহেজগার- -পরদানশীল,মানবদরদী ও দানশীল ছিলেন। বাসায় কোনও মেহমান এসে না খেয়ে চলে গেলে খুব কষ্ট পেতেন। এ বয়সে ও তার চুল কলো ছিলো,তার যে দুটো দাঁত পড়ে গিয়েছিল সেগুলো যেহেতু আল্লাহ প্রদত্ত সেহেতু সে দাঁত গুলো সযত্নে রেখে দিয়ে ওসিয়ত করে গেছেন ওগুলো যেন তার কবরে দেয়া হয়। তিনি খুব পড়ুয়া ছিলেন, প্রতিদিন তিনটি বাংলা পত্রিকা পড়তেন। তাহাজ্জুতসহ, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করতেন। সকল আত্মীয় স্বজনের খোঁজ খবর রাখতেন। তিনি একজন আদর্শ মুসলমান নারীর প্রতিকৃত। আল্লাহপাক যেন তাকে জান্নাত নসিব করেন এ জন্য আপনারা সকলেই দোয়া করবেন।

মায়ের জন্য দোয়া চেয়েছিলেন তিনি। অথচ মাত্র এক মাসের মধ্যেই তিনিও চলে যাবেন কে জানতো এটা? নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রানীনগর) আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) ইসরাফিল আলম তার মা'কে নিয়ে এমন কথা লিখেছিলেন। আজ মাত্র ১ মাস ৬ দিন পর তাঁকে নিয়েও এমন কথা কেউ কেউ লিখছেন। তিনি হয়তো জানতেন, মানুষ জানে না সে কখন মায়ার বন্ধন ত্যাগ করে চলে যাবে। 

আজ সোমবার সকাল ৬টা ২০ মিনিটে তিনি রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ইসরাফিল আলম। মাত্র ৫৪ বছ০র বয়সে কভিডের কাছে হার মানলেই এই জনপ্রিয় জনপ্রতিনিধি। 

বেশকিছু দিন ধরে শারীরিকভাবে অসুস্থতা বোধ করছিলেন এই সংসদ সদস্য। এর মধ্যে তিনি করোনায় আক্রান্ত হন। শারীরিক অসুস্থতা বাড়ায় ৬ জুলাই চিকিৎসার জন্য তাকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসা শেষে কিছুটা সুস্থ হলে ১২ জুলাই তাকে বাসায় নিয়ে আসা হয়।

বাসায় আনার পর ১৭ জুলাই তার কাশির সঙ্গে রক্ত আসে। ওইদিন তাকে আবার রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৪ জুলাই রাতে শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় গত ২৫ জুলাই তাকে লাইফ সাপোর্টে নেয়া হয়।

জাতীয় শ্রমিক লীগ নেতা ইসরাফিল আলম ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথমবার সংসদ সদস্য হন। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা