kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৯ শ্রাবণ ১৪২৭। ১৩ আগস্ট ২০২০ । ২২ জিলহজ ১৪৪১

চূড়ান্ত ধাপে অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৭ জুন, ২০২০ ০৮:৪৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চূড়ান্ত ধাপে অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন

করোনাভাইরাস (কভিড-১৯) প্রতিরোধে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও ওষুধ উৎপাদনকারী অ্যাস্ট্রাজেনেকার পরীক্ষামূলক ভ্যাকসিন প্রথম ভ্যাকসিন হিসেবে চূড়ান্ত ধাপে পৌঁছেছে। এ পর্যায়ে এটি কভিড-১৯ থেকে মানুষকে কতটা কার্যকরভাবে সুরক্ষা দিতে পারে, তা পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে।

বিশ্বের যে কয়টি ভ্যাকসিন এখন পরীক্ষাধীন, তার মধ্যে অগ্রগতি বিবেচনায় শীর্ষে রয়েছে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের তৈরি অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিনটি। 

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডাব্লিউএইচও) প্রধান বিজ্ঞানী সৌম্য স্বামীনাথম শুক্রবার এমন কথা জানিয়েছেন।

ব্রিটিশ ওষুধ কোম্পানি অ্যাস্ট্রাজেনেকা অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের তৈরি এই ভ্যাকসিনটি বৃহৎ ও মাঝারি পরিসরে এরই মধ্যে মানবদেহে পরীক্ষামূলকভাবে প্রয়োগ শুরু হয়েছে। 

ভ্যাকসিনটির উৎপাদন নিয়ে চলতি সপ্তাহে দশম কোম্পানির সঙ্গেও চুক্তি করা হয়েছে। এখন অপেক্ষা মানবদেহের পরীক্ষায় ভ্যাকসিনটির কার্যকারিতা প্রমাণিত হওয়ার।

প্রাথমিকভাবে অ্যাস্ট্রাজেনেকার লাইসেন্সকৃত সিএইচএডিওএক্সওয়ান এনকোভ-১৯ (ChAdOx1 nCoV-19) ভ্যাকসিনটি যুক্তরাজ্যে ১০ হাজার ২৬০ জন প্রাপ্তবয়স্ক ও শিশুকে দেওয়া হবে। এটি দক্ষিণ আফ্রিকা ও ব্রাজিলেও পরীক্ষা করা হচ্ছে।

ভ্যাকসিনটি তৈরিতে ব্যবহার হচ্ছে ‘সিএইচএডিওএক্সওয়ান’ভাইরাস, যা মূলত সাধারণ সর্দি-কাশির দুর্বল ভাইরাস (অ্যাডেনোভাইরাস) হিসেবে পরিচিত। এটি শিম্পাঞ্জিকে সংক্রমিত করে। গবেষকরা এ ভাইরাসের জিনেটিক পরিবর্তন করেছেন, যাতে তা মানুষের ক্ষতি না করে।

সৌম্য স্বামীনাথম বলেন, মার্কিন কোম্পানি ‘মডার্নার তৈরি ভ্যাকসিনটিও উন্নতির দিক দিয়ে অ্যাস্ট্রাজেনেকার চেয়ে খুব দূরে নেই। এ প্রসঙ্গে সৌম্য স্বামীনাথম বলেন, ‘আমরা জানি যে, মডার্নার তৈরি ভ্যাকসিনটিও তৃতীয় ধাপের ট্রায়াল শুরু করতে যাচ্ছে, সম্ভবত জুলাইয়ের মাঝামাঝি এবং সম্ভাব্য এই ভ্যাকসিনটিও  (অ্যাস্ট্রাজেনেকার থেকে) খুব বেশি দূরে নেই।’

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এখন করোনাভাইরাসের টিকা আবিষ্কারের লড়াই চলছে৷ এখন পর্যন্ত দুই শতাধিক ভ্যাকসিন বা টিকা নিয়ে গবেষণার খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চলছে ১৫টির। এরই মধ্যে মানবদেহে বেশ কয়েকটি ভ্যাকসিন প্রয়োগের পরীক্ষাও শুরু হয়েছে৷ তবে সেগুলো কবে চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছবে তা এখনো নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। সূত্র : রয়টার্স।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা