kalerkantho

শনিবার । ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৩০  মে ২০২০। ৬ শাওয়াল ১৪৪১

মানুষ বন্দি! আঙিনায় উন্মুক্ত হরিণের পাল

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২ এপ্রিল, ২০২০ ২২:২২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মানুষ বন্দি! আঙিনায় উন্মুক্ত হরিণের পাল

যুক্তরাজ্যেও করোনা কালো থাবা বসিয়েছে। প্রতিদিনই শত শত মানুষের প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে এই মারণ ভাইরাস। সারা বিশ্বের বিজ্ঞানীরা এখনো করোনার ওষুধ উদ্ভাবন করতে পারেনি। করোনা ঠেকানোর একমাত্র উপায় হলো সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা। আর এটি নিশ্চিত করার জন্য লন্ডনে ঘোষণা করা হয়েছে লকডাউন। প্রয়োজন হলে আরো কড়া বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে বলেও জানিয়েছেন দেশটির রাষ্ট্রপ্রধান বরিস জনসন।

কড়া বিধিনিষেধ আর করোনা ঠেকাতে বাড়ি থেকে বের হচ্ছেন না লন্ডনের বাসিন্দরা। লকডাউনের ফলে জনশূন্য রাস্তাঘাটও। কমে গেছে দূষণের মাত্রা। প্রাণ খুলে শ্বাস নেওয়ার সুযোগ মিলেছে বন্যপ্রাণীদের। তারা উঠে এসেছে রাস্তায়। শুধু রাস্তায় নয় বাড়ির আঙিনায়ও দেখা যাচ্ছে মায়া হরিণদের। যুক্তরাজ্যের ইস্ট লন্ডনের একটি হাউসিং এস্টেটে যেন বাড়ি বানিয়ে নিয়েছে ওই হরিণের দল।

দেশটির স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে বলা হয়, ধারণা করা হচ্ছে, ওই হাউসিং এস্টেটটির পাশের দাগনাম পার্ক থেকে দল বেঁধে চলে এসেছে হরিণগুলো। গত এক হাজার বছর ধরে ওই পার্কে হরিণ বাড়ি তৈরি করে নিয়েছে। প্রায়ই হাউসিং এস্টেটটিতে চলে আসতো তারা। কিন্তু স্থানীয়রা বলছেন, আগের তুলনায় এবার বেশি হরিণ এসেছে। 

করোনার কারণে ঘরবন্দি মানুষ। রাস্তা আর বাড়ির আঙিনা একেবারে ফাঁকা। মানুষ নেই বললেই চলে। তাই এই সুযোগে বাড়ির আঙিনা দখল করে রেখেছে হরিণগুলো। নিজেদের মতো করে চলাচল করছে এদিক-ওদিক। বাড়ির পাশের সবুজ ঘাস খাচ্ছে। স্থানীয় কাউন্সিল স্ট্রিট ওয়ার্কস ইন্সপেক্টর বলেন, আমি এসে দেখি অনেকগুলো হরিণ শুয়ে আছে। স্থানীয়রা তাদের বিরক্ত করছে না। কুকুরগুলো চিৎকার করছে না, তাদের কামড়ও দিচ্ছে না। এগুলো দেখে সুন্দর একটি দিন শুরু হলো।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা