kalerkantho

রবিবার। ১৬ কার্তিক ১৪২৭ । ১ নভেম্বর ২০২০। ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

করোনা প্রতিরোধী হাইড্রক্সি ক্লোরোকুইনের রপ্তানি নিষিদ্ধ করল ভারত

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৫ মার্চ, ২০২০ ১৮:৩০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



করোনা প্রতিরোধী হাইড্রক্সি ক্লোরোকুইনের রপ্তানি নিষিদ্ধ করল ভারত

ভারতে করোনাভাইরাসের দ্রুত সংক্রমণের পরিপ্রেক্ষিতে হাইড্রক্সি ক্লোরোকুইনের রফতানি নিষিদ্ধ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। যাতে ঘরোয়া বাজারে হাইড্রক্সি ক্লোরোকুইনের অভাব না হয় তার জন্য গত কাল  বুধবার থেকেই এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়েছে।
 
আজ বুধবার আনন্দ বাজার পত্রিকার খবরে বলা হয়েছে , ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ (আইসিএমআর)-এর ডিরেক্টর জেনারেল বলরাম ভার্গব গত সোমবার জানান, ম্যালেরিয়া প্রতিরোধী ওষুধ হাইড্রক্সি ক্লোরোকুইন করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রাথমিক ভাবে কমাতে পারে। তাই যাঁরা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বা করোনায় আক্রান্ত হতে পারেন বলে যাঁদের সন্দেহ করা হচ্ছে, তাঁদের চিকিত্সায় থাকা স্বাস্থ্যকর্মীরা এই ওষুধ ব্যবহার করতে পারেন। 
 
এরপর ঘরোয়া বাজারে হাইড্রক্সি ক্লোরোকুইনের ঘাটতি হতে পারে অনুমান করে কেন্দ্রীয় বাণিজ্য মন্ত্রকের আওতায় থাকা বৈদেশিক বাণিজ্য সংক্রান্ত ডাইরেক্টরেট  জেনারেলের (ডিজিএফটি) কার্যালয় বুধবার একটি বিজ্ঞপ্তিতে অবিলম্বে এই ওষুধের রফতানি নিষিদ্ধ করতে বলেছে।
 
বিজ্ঞপ্তিতে অবশ্য এও বলা হয়েছে, এখন থেকে হাইড্রক্সি ক্লোরোকুইন শুধুই রফতানি করা যাবে মানবিকতার কারণে। আপত্কালীন প্রয়োজনে। বিদেশে কোনও ভারতীয় নাগরিকের খুব প্রয়োজন হলে, তখনই। তবে সেটাও করা যাবে একমাত্র বিদেশ মন্ত্রকের সুপারিশের ভিত্তিতেই।
 
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবর, করোনার সংক্রমণ রুখতে ক্লোরোকুইন ও হাইড্রক্সি ক্লোরোকুইন কার্যকর হতে পারে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই ঘোষণার পরেই আমেরিকায় এই দু’টি ওষুধের চাহিদা খুব  বেড়ে গিয়েছে।
 
আইসিএমআর-এর ন্যাশনাল টাস্ক ফোর্স গত সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে করোনা  মোকাবিলায় কোনও কোনও ক্ষেত্রে হাইড্রক্সি ক্লোরোকুইন খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। প্রথমে দিনে দুটো করে ও তার পর সপ্তাহে একটা করে সাত সপ্তাহ ধরে ‘ডোজ’ মেনে খেতে হবে এই ওষুধ। যেমন ম্যালেরিয়া ঠেকাতে, বিশেষ করে জঙ্গলে যাওয়ার আগে, অনেকেই এই ওষুধ খান, ঠিক তেমনই।
 
ভারতের আইসিএমআর-এর ডিরেক্টর জেনারেল এও জানান,  গণহারে নয়, খাবেন শুধু সেই সব মানুষ যাঁরা সরাসরি করোনা রোগীর সংস্পর্শে এসেছেন, কিন্তু এখনও রোগের উপসর্গ দেখা দেয়নি তাঁরা ।  যেমন, করোনা রোগীর চিকিত্সা করছেন এমন ডাক্তার, নার্স, অন্যান্য সেবাকর্মী এবং কেয়ার গিভার;  অর্থাত্ হোম আইসোলেশনে থাকা রোগীর সেবা করছেন যিনি। তবে তাঁদের বয়স হতে হবে ১৫-র বেশি এবং তাঁদের হার্টের কোনও সমস্যা থাকলে চলবে না। তবে তার জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকের পরামর্শ নিতে হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা