kalerkantho

রবিবার । ২২ চৈত্র ১৪২৬। ৫ এপ্রিল ২০২০। ১০ শাবান ১৪৪১

৫ দিনের ডায়েরিতে তরুণী জানালেন করোনার সঙ্গে লড়াইয়ের অভিজ্ঞতা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২০ মার্চ, ২০২০ ২২:১১ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



৫ দিনের ডায়েরিতে তরুণী জানালেন করোনার সঙ্গে লড়াইয়ের অভিজ্ঞতা

 বিশ্বজুড়ে ভয়াবহ আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে মহামারি করোনা। তবে করোনায় আক্রান্ত হলে শরীরে আসলে কী অনুভূতি হয় সেটা আমরা অনেকেই জানি না। এবার নিজের সেই অভিজ্ঞতার কথাই শেয়ার করলেন করোনা থেকে সেরে ওঠা ২২ বছর বয়সী তরুনী বিজন্ডা হালিথি।

করোন নিয়ে তার অভিজ্ঞতা, লক্ষণগুলি এবং এ সময় শরীরে কেমন অনুভূতি হয় সেসব বিস্তারিত জানালেন ক্যালিফোর্নিয়ার ওই তরুণী।

প্রথমে তার মাঝে হালকা শুষ্ক কাশির লক্ষণ ছিল। পরের দিন তার মাথা ব্যথা এবং চোখের ব্যাথা শুরু হয়েছিল। এরপর জ্বর এবং তারপরে শ্বাসকষ্টের দিকে এগিয়ে যায় এবং প্রায় ১০ দিন ধরে তিনি অসুস্থ ছিলেন। পরে করোনভাইরাস পরীক্ষা দেখা যায় তিনি পজেটিভ। এরপর তিনি নিজেকে কোয়ারেন্টিনড করে ফেলেন এবং এখন প্রায় সুস্থ হয়ে উঠেছেন। করোনা সম্পর্কে তিনি নিজের অভিজ্ঞতা এখন সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে চান। যাতে আতঙ্ক না ছড়িয়ে সকলে সচেতন হতে পারেন। 

তার লক্ষণগুলি নিয়ে আলোচনায় হালিতি বলেছিলেন:

প্রথম দিন: এটি একটি হালকা শুষ্ক কাশি এবং কিছুটা গলা শুকিয়ে আসা দিয়ে শুরু হয়েছিল। রাতে আমি খুব ক্লান্ত ছিলাম।

দ্বিতীয় দিন: আমি আমার মাথায় প্রচণ্ড চাপ অনুভব করেছি, যেহেতু অস্বস্তি এড়াতে আমাকে রাতে নরমভাবে কাশি দিতে হবে। এসময় আমার প্রচন্ড ঠান্ডা লাগলো এবং জ্বর হয়েছিল। এটি করোনার একটি প্রধান লক্ষণ।এদিন আমার চোখ ও শারীরে হালকা ব্যাথা অনুভূত হচ্ছিল।

তৃতীয় দিন: আমার শরীরে শক্তির মাত্রা খুব কমে আসছিল, আমি কেবল ঘুমাতাম এবং তখনও প্রচণ্ড জ্বর ছিল। এই মুহুর্তে আমার লক্ষণগুলি হল- শুকনো কাশি, মাইগ্রেন, জ্বর, সর্দি, কিছুটা বমি বমি ভাব। আমি এদিন ডাক্তারের কাছে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।

চতুর্থ দিন: এদিন আর কোন জ্বর থাকবে না। তবে একটি নতুন লক্ষণ প্রকাশ পেয়েছে, সেটা হচ্ছে শ্বাসকষ্ট। এটি খুবই অস্বস্তিকর ছিল, মনে হয়েছিল আমার বুকে ইট বাঁধা রয়েছে। এসময় আমি অনলাইন থেকে কিভাবে এটা থেকে মুক্তি পাওয়া যায় সেটার তথ্য পাওয়ার চেষ্টা করছিলাম। একটি তথ্য আমার খুব কাজে দিয়েছিল, শ্বাস বন্ধ রেখে ১ থেকে ১০ পর্যন্ত গণনা করা। এটা আমার জন্য খুব কাজে দিয়েছিল।

অবশেষে আমি নিজেকে আইসোলেট করে নিজের যত্ন নেওয়া শুরু করলাম। এদিন আমি নিজেকে দুর্দান্ত ও সুস্থ বোধ করছি! পুরোপুরি করোনাভাইরাস মুক্ত হতে আমাকে আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে। যদি আমি কোনও ডাক্তারকে খুঁজে পাই তাহলে পরীক্ষা করার ইচ্ছা আছে। তবে আমার এখনও ডাক্তার দেখানোর সৌভাগ্য হয়নি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা