kalerkantho

শুক্রবার । ৩০ শ্রাবণ ১৪২৭। ১৪ আগস্ট ২০২০ । ২৩ জিলহজ ১৪৪১

বন্ধুত্বের আকাশে শুকতারা হয়ে ঋদ্ধ ফিরে আসে

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ১০:৫৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বন্ধুত্বের আকাশে শুকতারা হয়ে ঋদ্ধ ফিরে আসে

১৮টি প্রদীপ জ্বলে ওঠে। সম্মিলিত কণ্ঠে অভ্যাগত সবাই গেয়ে ওঠেন, ‌ 'আগুনের পরশমণি ছোঁয়াও প্রাণে/ এ জীবন পূর্ণ করো'। হৃদয়ঙ্গম ঋদ্ধের ১৮ তম জন্ম দিন। বাঁধ না মানার ব্যগ্রতা ছিলো বেহালা, বাঁশি, ছবি, কবিতা, ভাস্কর্য আর সঙ্গীতে মত্ত কিশোরের। কিন্তু হঠাৎ হারিয় যায় সে জলের কুহকে। ছায়ানটের শিক্ষার্থঅ হৃদয়ঙ্গম ঋদ্ধের নামে ওয়েবসাইট এবং ফাউন্ডেশন শুরু করে তাকে ফিরিয়ে এনেছ তার বিভিন্ন স্তরের বন্ধুরা। চিত্রাঙ্কন উৎসব, গান, নাচ, কবিতা পাঠ, চিঠি পাঠ কিংবা বেহালা বাজিয়ে অকালপ্রয়াত ঋদ্ধের বন্ধুরা।

বেলা সাড়ে তিনটায় দিন শুরু হয়েছিলো ৬৮ শিশু কিশোরের ইচ্ছেমতো ছবি আঁকার মধ্য দিয়ে। অসাধারণ ভঙ্গিতে নালন্দা, সহজপাঠ আর সুরভীর কচিকাঁচার দল আঁকে না স্বাদের ছবি। যেখানে  রং তলিতে কেবলই ঋদ্ধকে স্মরণ। এরপর ছবিগুলো নিয়ে চলে ঘন্টাখানেকের প্রদর্শনী।
সন্ধ্যায় নীল শাড়ি আর নীল পাঞ্জাবী পরে ছায়ানট মিলনায়তনে ভাই আর বন্ধু হারানোর  বেদনাকে শক্তি করে গান করে শ্রেষ্ঠা, হৃদারা, তৌসিফ, পূর্ণাশা, মেঘা, রোদসী, হিরণ্যসহ বোন আর বন্ধুরা।
তার আগে শোনা যায় প্রয়াতহ ঋদ্ধের কণ্ঠের গান আকাশটা বড় নীল/ আজ আমায় পিছু ডেকোনা/ বন্ধুত্বের বয়স বাড়েনা। তারপর বন্ধুরাই সেই গান গেয়ে ওঠে।
বাজে বেদনার বেহলা। মঞ্চস্থ হয় গান, কবিতা আর চিঠি পাঠ।  ঋদ্ধ ফাউন্ডেশন (wriddhofoundation.com) প্রসঙ্গে মা উন্নয়ন ও সংস্কৃতিকর্মী তৃষ্ণা সরকার বলেন,
সবাই বলল- সবাই বলল- খুব ভালো উদ্যোগ, আমি যদি শুরু করি সবাই যে যার মতো পাশে থাকবে। খুব অনুভব করলাম, এই কাজটাতে হাত দেওয়ার পর আমি সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারছি, আমি চেষ্টা চালাচ্ছি নতুনভাবে সব ঋদ্ধকে নিয়ে বেঁচে থাকবার। অন্য শিশুদের সঙ্গে আমার স্বপ্ন এক করে কীভাবে কাজটি নিয়ে পথ চলা যায়? একা পারা সম্ভব নয়, তাই সবাইকে পাশে চাই।'

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা