kalerkantho

শনিবার । ১৬ ফাল্গুন ১৪২৬ । ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ৪ রজব জমাদিউস সানি ১৪৪১

আর গ্রেপ্তারের ভয়ে নয়, এবার বাঁচার লড়াইয়ে ম্যারাথনে!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৮ জানুয়ারি, ২০২০ ২১:১৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আর গ্রেপ্তারের ভয়ে নয়, এবার বাঁচার লড়াইয়ে ম্যারাথনে!

অন্ধকার পথ ছেড়ে দিয়ে চলতি বছরের টাটা মুম্বাই ম্যারাথনে দৌড়নোর টিকিট জোগাড় করে ফেলেছেন ৪৩ বছর বয়সী রাহুল যাদব। একসময় মুম্বাইয়ের ডম্বিভ্যালির বাসিন্দা রাহুলের নাম গ্যাংস্টার হিসেবে পুলিশের হিটলিস্টে ছিল। এই কারণে জীবনে অনেকবারই তাকে দৌড়াতে হয়েছে। তবে এবার পুলিশের খপ্পড় থেকে নিজে বাঁচার জন্য নয়; গ্যাংস্টার দৌড়াবেন ম্যারাথনে।

ম্যারাথনে দৌড়নোর সুযোগ পেয়ে আহ্লাদিত রাহুল। তিনি বলেন, ১৯ বছর ধরে দৌড়েই চলেছি। প্রথম দশটা বছর পুলিশের খপ্পড় থেকে নিজে বাঁচার জন্য। আর এখন নিজের বাকি জীবনটা বাঁচার জন্যই ছুটব বলেই মনস্থির করেছি। ম্যারাথনে ডাক পেয়ে বললেন, এটা আমার চতুর্থ বার। ২০১৬ সাল থেকে লাগাতার চার বার চেষ্টা করার পর মুম্বাই ম্যারাথনে এবার ডাক পেলাম। আমার চোখ দুটো যখন বন্ধ করি, তখন মনে হয় যেন যে ফাঁদে পড়ে গিয়েছিলাম সেখান থেকে একটা পুণর্জন্ম হল।

মুম্বাই এবং থানে-তে পুলিশের হিটলিস্টে বহুদিন ধরেই নাম ছিল রাহুল যাদবের। বহু বারই তাকে ধাওয়া করেছিল পুলিশ। কিন্তু এই গ্যাংস্টারকে ধরতে বারবারই নাজেহাল পুলিশ। একবার তো তার পিছু ধাওয়া করতে গিয়ে গুলিও চালিয়েছিল। গুলি লেগে জখমও হয়েছিলেন রাহুল এবং তার দলের বেশ কিছু লোক।

একটি প্রাইভেট কম্পানিতে চাকরি করতেন রাহুল যাদবের বাবা। মা ঘরের কাজই সামলাতেন। পরিবারে এক দাদা এবং দিদি রয়েছেন। রাহুল তাদের সবার ছোট। কিন্তু কিভাবে আন্ডারওয়ার্ল্ড-এর রাস্তায় এসেছিলেন রাহুল? তার সোজা উত্তর, বাড়ির সবথেকে ছোট হওয়ার কারণে ছেলেবেলা থেকেই আমার মনের মধ্যে একটা প্রতিবাদী ভাবমূর্তি ছিল। স্কুলে সবার শেষ বেঞ্চে বসতাম। পড়াশোনাতেও মন লাগত না কোনো দিনই।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা