kalerkantho

শনিবার । ২৫ জানুয়ারি ২০২০। ১১ মাঘ ১৪২৬। ২৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

হত্যার হুমকিতে যৌনদাসী করে রাখা হয়েছিল ধর্ষিতাকে

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৬ ডিসেম্বর, ২০১৯ ২২:৪৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হত্যার হুমকিতে যৌনদাসী করে রাখা হয়েছিল ধর্ষিতাকে

পুলিশে খবর দিলে আবারো ধর্ষণ করা হবে এবং ধর্ষণের ভিডিও ছড়িয়ে দিয়ে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ভাইরালও করে দেওয়া হবে। এভাবে হুমকি দিয়ে দিনের পর দিন ভারতের উন্নাওয়ের ধর্ষিতাকে ভয় দেখানো হয়েছে। 

এমনকি 'যৌনদাসী' পর্যন্ত করে রাখা হয়েছিল নির্যাতিতাকে। রায়বেরিলির যে বাড়িতে তাকে রাখা হয়েছিল, সেই বাড়ি থেকে বাইরের দিকে কিছু তাকিয়ে পর্যন্ত দেখার অবকাশ তাকে দেওয়া হয়নি। লালগঞ্জে পুলিশের কাছে জমা দেওয়া অভিযোগে এভাবেই গুরুতর অভিযোগ করেছেন উন্নাও কাণ্ডের নির্যাতিতা।

অভিযোগের ন্যারেটিভে বেশ কয়েকটি বিষয় পরিষ্কার হয়ে গেছে। রায়বেরিলির ওই বাড়ি থেকে বাইরের দিকে তাকালেই তাকে বেধড়ক মারধর করা হত। সেই সঙ্গে চলত গণধর্ষণ। উন্নাওয়ের ধর্ষিতা আরো জানিয়েছেন, বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে দিনের পর দিন তাকে ধর্ষণ এবং অমানবিক নির্যাতন করে গেছে শিবম। মোবাইলে সবই তুলে রেখেছিল শিবম, এ কথাও জানিয়েছেন নির্যাতিতা। আর সেই ভিডিও ভাইরাল করার নামে দিনের পর দিন চলত আরো অত্যাচার।

বৃহস্পতিবার দুপুরে উত্তরপ্রদেশের রায়বরেলির আদালতে ধর্ষণ মামলার শুনানি ছিল। সাক্ষ্য দিতে আদালতেই যাচ্ছিলেন উন্নাওয়ের গণধর্ষিতা। সে সময় রাস্তায় তার ওপর অতর্কিতে হামলা চালানো হয়। যে পাঁচ জন নির্যাতিতার গায়ে আগুন দেয়, মাস কয়েক আগে তাদেরই গণলালসার শিকার হয়েছিল উন্নাওয়ের এই তরুণী। সম্প্রতি জামিনে ছাড়া পেয়েছিল অভিযুক্তরা।

ঘটনার দিন আগুনে পোড়ার জ্বলন উপেক্ষা করে এক কিলোমিটার ছুটেছেন নির্যাতিতা। বাঁচার অদম্য প্রয়াসে প্রাণপণ চিত্‍‌কার করেছেন। যদি কারো সাহায্য পান। অনেকেরই কানে গেছে সেই আকুল আর্তি। কিন্তু, ওই এক কিলোমিটার পথে এমন একজনকেও পাননি, যে এসে তার পাশে দাঁড়ায়। অগত্যা নিজেই ওই অবস্থায় ফোন করে অ্যাম্বুল্যান্স ডাকেন। নিজের মোবাইল নয়, ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের কারো একজনের মোবাইল চেয়ে নিয়ে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা