kalerkantho

শনিবার । ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৬ রবিউস সানি               

সবিশেষ

মঙ্গলে পোকা!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২২ নভেম্বর, ২০১৯ ১১:৩৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মঙ্গলে পোকা!

মঙ্গল গ্রহে পোকা? তা-ও আবার ডানাওয়ালা, ছয় পা সন্ধিপদ প্রাণী। সরীসৃপও আছে। তার মানে কি সত্যি প্রাণের অস্তিত্ব আছে মঙ্গলে! বহু বছরের খোঁজ কি তবে শেষ হলো? এতগুলো প্রশ্নের সঠিক উত্তর এখনই মিলবে কি না, জানা নেই। তবে লাল গ্রহের মাটিতে সন্ধিপদ প্রাণীদের জীবাশ্মের সন্ধান মিলেছে—এ কথা হলফ করে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইয়ো বিশ্ববিদ্যালয়ের এন্টোমোলজিস্ট অধ্যাপক ইমেরিটাস উইলিয়াম রোমোসা।

মঙ্গলযান কিউরিওসিটি রোভারের তোলা একাধিক ছবির চুলচেরা বিশ্লেষণ করে রোমোসা বলেছেন, মঙ্গলের মাটিতে ফসিল হয়ে আছে কিছু পতঙ্গের কঙ্কাল। সেই জীবাশ্মর গঠনে ফুটে উঠেছে এক জোড়া ডানার মতো আকার, মাথা-বুক-উদরের মতো গঠন। এক জোড়া শুঁড়ও ছিল সেই দেহে—এটিও স্পষ্ট। এর থেকেই আপাতদৃষ্টিতে মনে হচ্ছে, হয়তো একসময় লাল গ্রহের মাটিতে চলাফেরা করত এরা।

মার্কিন বিজ্ঞানী রোমোসার পর্যবেক্ষণ রয়েছে আরো। তাঁর কথায়, পোকা-মাকড়ের জীবাশ্ম এটিই প্রমাণ করে প্রাণের অস্তিত্ব ছিল মঙ্গলে। একটি নির্দিষ্ট জায়গাজুড়ে কিউরিওসিটি রোভারের তোলা কিছু ছবির বিশ্লেষণ করে  আমরা দেখেছি, ঠিক পতঙ্গের মতোই দেহের অংশের জীবাশ্ম ছড়িয়ে রয়েছে মঙ্গলের মাটিতে। শুধু সন্ধিপদ নয়, সরীসৃপজাতীয় কোনো প্রাণীর জীবাশ্মও রয়েছে। বিশদে গবেষণা করলে এসব প্রাণী সম্পর্কে আরো ভালোভাবে বলা সম্ভব হবে।

মার্কিন বিজ্ঞানীদের এই পর্যবেক্ষণ ‘এন্টোমোলজিক্যাল সোসাইটি অব আমেরিকা’র ন্যাশনাল কনফারেন্সে প্রথম জানানো হয়। মঙ্গলে পোকা মিলেছে—এই খবর ছড়াতেই হুড়োহুড়ি পড়ে যায় বিজ্ঞানী মহলে। তবে রোমোসার পর্যবেক্ষণের সত্যতা নিয়ে দ্বিমত তৈরি হয়েছে।

অনেক বিজ্ঞানীই বলেছেন, আগেও অনেকবার মঙ্গলের মাটিতে দৃষ্টিভ্রম হয়েছে। লাল গ্রহের উত্তরে জমাট পুঞ্জীভূত মেঘ দেখে মনে হয়েছে জলের ধারা। মঙ্গলে দেখা যায় এক রকম; কিন্তু বাস্তবে সেটি একেবারেই আলাদা। লাল গ্রহের যে জায়গার মাটিতে এমন জীবাশ্মর ছবি উঠেছে বলে বিজ্ঞানীরা দাবি করছেন, সেখানকার আরো পরিষ্কার ছবি দরকার। তবেই রহস্যের উদ্‌ঘাটন সম্ভব। 

সূত্র : দ্য ওয়াল।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা