kalerkantho

বুধবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৩ রবিউস সানি     

বাবরির জায়গায় হতে যাওয়া রাম মন্দিরের নকশাকার তিনি

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৭ নভেম্বর, ২০১৯ ২০:৪৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাবরির জায়গায় হতে যাওয়া রাম মন্দিরের নকশাকার তিনি

সম্প্রতি বাবরি মসজিদ মামলার রায়ে রাম মন্দির নির্মাণের সবুজ সঙ্কেত মিলেছে। কিন্তু এই রাম মন্দিরের নকশা তিন দশক আগেই তৈরি করে রেখেছিলেন এক ব্যক্তি। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নির্দেশে ওই মন্দিরের ডিজাইন তৈরি করেছিলেন তিনি। ১৯৮৯ সালে নকশা তৈরি করা হয়। পরের বছর প্রয়াগে সাধু-সন্তরা সেই নকশায় সম্মতিও দেন।

ভারতের আমেদাবাদের স্থপতি চন্দ্রকান্ত সোমপুরার কোনো আর্কিটেকচারের পুঁথিগত পড়াশোনা নেই। তবে, তিনি মন্দির তৈরিতে বেশ দক্ষ। বাস্তু শাস্ত্র মেনেই নাকি মন্দির তৈরি করেন। তিনি জানান, বাবরি মসজিদের জায়গায় রাম মন্দির নির্মাণের কাজ পুনরায় শুরু করলে তা শেষ হতে লাগবে আড়াই থেকে তিন বছর।

ভারতের সুপ্রিম কোর্টের রায় প্রসঙ্গে সোমপুরা বলেন, এই রায়ের সবচেয়ে ভালো দিক হলো, উভয়পক্ষের প্রতিই সুবিচার করা হয়েছে।

স্থাপত্যবিদ্যায় কোনো প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণও নেই সোমপুরার। তার ছেলে আশিসের দাবি, সোমপুরার শিক্ষাগুরু ছিলেন তার পিতা, পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত স্থপতি প্রভাশঙ্কর। যার হাতে তৈরি হয় বিখ্যাত সোমনাথ মন্দির। আশিস জানান, ১৯৮৯ সালে প্রথম রাম মন্দিরের নকশা তৈরি করেন সোমপুরা এবং ছয় মাসের মধ্যেই সম্পূর্ণ করে ফেলেন মন্দিরের ডিজাইন।

জানা গেছে, বিভিন্ন জায়গায় এতদিন ধরে মন্দিরের উপকরণ তৈরির কাজ চলছিল। মন্দিরের প্রায় ৪০ শতাংশ কাজ শেষ। তার মতে, ২৪ থেকে ৩০ মাসের মধ্যে সম্পূর্ণ হয়ে যাবে এই মন্দির। আনুমানিক ৫০ থেকে ৬০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই মন্দিরের গোলাপি স্যান্ডস্টোন আসছে রাজস্থানের বংশী পাহাড়পুর এলাকা থেকে। এই একই পাথর দিয়ে তৈরি হয় গুজরাটের অক্ষরধাম মন্দির। অনেকেই হয়তো জানেন না যে, সোমপুরার হাতে তৈরি হয়েছে শতাধিক মন্দির, যাদের মধ্যে রয়েছে লন্ডনের নিসডেন এলাকার সুবিখ্যাত স্বামীনারায়ণ মন্দির, যা অনেকের মতে বিশ্বের বৃহত্তম মন্দির।

সোমপুরের ডিজাইন অনুযায়ী, মন্দিরের দৈর্ঘ্য হবে দু'শ ৭০ ফুট।  একশ ৪৫ ফুট চওড়া ও একশ ৪১ ফুট উচ্চতার এই মন্দিরে থাকবে দু'শ ৫১টি পিলার।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা