kalerkantho

সোমবার । ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯। ১ পোষ ১৪২৬। ১৮ রবিউস সানি                         

বিদেশি কুকুরকে হারিয়ে দিতে পারবে যারা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৪ নভেম্বর, ২০১৯ ১২:৫২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিদেশি কুকুরকে হারিয়ে দিতে পারবে যারা

ভারতের বিরুধুনগর নামক জেলার একটি শহরের নাম রাজাপালায়াম। সেই জায়গার নামেই কুকুরের নাম। ১৭৯৯ থেকে ১৮০৫ সাল পর্যন্ত কর্ণাটিক এবং পলিগারের মধ্যে যুদ্ধে এই জাতের কুকুর ব্যবহৃত হয়েছিল।

জানা গেছে, রামপুর হাউন্ড, গাড্ডি, ভুটিয়া, বাঞ্জারা/সানহেতা এবং রাজাপালায়াম জাতীয় ভারতীয় কুকুরের এনার্জি লেভেল অন্য কুকুরের চেয়ে অনেক বেশি এবং এরা অসুস্থও কম হয়। এই সব কুকুরের ঘন এবং ছোট লোম গ্রীষ্মপ্রধান দেশের পক্ষে আদর্শ।

খবরে বলা হয়েছে, সম্ভবত তামিলনাড়ু থেকে এসেছে রাজাপালায়াম কুকুর । বিরুধুনগর নামক জেলার একটি শহরের নাম রাজাপালায়াম। সেই জায়গার নামেই কুকুরের নাম। ১৭৯৯ থেকে ১৮০৫ সাল পর্যন্ত কর্ণাটিক এবং পলিগারের মধ্যে যুদ্ধে এই কুকুর ব্যবহৃত হয়েছিল। তাদের অসম্ভব দৃষ্টিশক্তি এবং পাহাড়া দেওয়ার ক্ষমতার কারণে জম্মু এবং কাশ্মীরের সীমানায় এদের ব্যবহার করে ভারতীয় সেনারা।

যেহেতু এই জাতের কুকুর মূলত স্বাধীন, বিশ্বস্ত এবং সাহসী। তাই তাদের ব্যবহার করা হয় বাড়ি পাহাড়া দেওয়ার জন্য। অচেনা লোক এবং অনধিকার প্রবেশকারীদের বাড়িতে ঢুকেত বাধা দেয় তারা। এরা সিঙ্গল পেট পেরেন্ট ডগ। অর্থাৎ, এক মালিকানার কুকুর। দুঃখের ব্যাপার রাজাপালায়াম জাতের কুকুর অন্য কোনও কুকুরের পাশাপাশি থাকতে পারে না। 

আরো জানা গেছে, সরু ছুঁচলো মুখ, চওড়া কপাল, সোনালি চোখ, গোলাপি নাক এবং সাদা লোম-এই ধরনের কুকুরের নড়াচড়া এবং ব্যায়ামের জন্য খোলা জায়গা প্রয়োজন হয়। প্রতিদিন অন্তত ১০-১৫ মিনিট হাঁটাতে হয়, প্রচুর পরিমাণে ব্যায়াম এবং দৌড় করাতে হয়। এইটা না করালে তাদের ক্ষিপ্রতা নষ্ট হয়ে যায়।

উল্লেখ্য, ভারতীয় কুকুরের হেরিটেজ পালন করার উদ্দেশে ২০০৫ সালে রাজাপালায়াম এবং অন্যান্য তিনটি জাতের ভারতীয় কুকুর নিয়ে একটি পোস্টাল স্ট্যাম্প প্রকাশ করেন তামিলনাড়ু সরকার। মুঘল হাউন্ড, রামপুর হাউন্ড এবং হিমালয়ান শিপডগ। 
সূত্র : এই সময়

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা