kalerkantho

সোমবার । ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১১ রবিউস সানি ১৪৪১     

চাপ কমাতে শিক্ষার্থীদের জ্যান্ত কবরে শোয়ানো হচ্ছে সেই বিশ্ববিদ্যালয়ে

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৩ নভেম্বর, ২০১৯ ১৮:০৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চাপ কমাতে শিক্ষার্থীদের জ্যান্ত কবরে শোয়ানো হচ্ছে সেই বিশ্ববিদ্যালয়ে

মৃত্যুর ব্যাপারে অনুভূতির কথা আজ পর্যন্ত কেউই জানাতে পারেনি। দাফনের পর ঠিক কেমন হয়ে থাকে চারপাশ, সে ব্যাপারেও কারো অনুভূতি জানা যায়নি। যতক্ষণ প্রাণ রয়েছে, আলো রয়েছে অসীম সেই সময়ের গুরুত্ব। 

সে কারণে জীবনে বেঁচে থাকা অবস্থায় জীবনের গুরুত্ব বোঝাতে এবং মৃত্যুর সময় ঠি কী অনুভব হয় তা জীবদ্দশায় টের পাওয়াতে এক আজব পদ্ধতির শরণাপন্ন হয়েছে নেদারল্যান্ডের মানুষ। জীবনের গুরুত্ব এবং সময়ের মূল্য বোঝানোর জন্য নেদারল্যান্ডের একটি বিশ্ববিদ্যালয় অদ্ভুত এক পদ্ধতি অবলম্বন করেছে।

জানা গেছে, নেদারল্যান্ডের নিজমেগনে অবস্থিত রেডবাউড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কবরের মধ্যে শুইয়ে মেডিটেশন বা ধ্যান করানো হচ্ছে। উদ্দেশ্য হলো, শিক্ষার্থীদের সময়ের মূল্য বোঝানো এবং পরীক্ষার চাপ থেকে দূরে রাখা।

শিক্ষার্থীরা অবশ্য বলছেন এই খেলা থেকে দুর্দান্ত লাভ পাচ্ছেন তারা। শুধু তাই নয়, টেনশন থেকে মুক্তির পথ খুঁজতে এখন লগ ইন করার জন্য লাইন দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। অপেক্ষার তালিকা দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে। এখন কবরে ধ্যান করার জন্য আসন বুকিং করতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। শিক্ষার্থীরা ৩০ মিনিট থেকে শুরু করে তিন ঘণ্টা পর্যন্ত কবর বুক করতে পারছেন অনলাইনে।

প্রসঙ্গত, দক্ষিণ কোরিয়ায় খানিক এরকমই এক ব্যবস্থা রয়েছে। মৃত্যু আসলে কেমন, বা মরে যাওয়ার পর কেমন অনুভূতি হয় তা জ্যান্ত অবস্থায় টের পাওয়াতে একটি বিশেষ পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে সে দেশে। 

দক্ষিণ কোরিয়ায় মানুষজনকে বেঁচে থাকা অবস্থায় কবরে ঢোকানো হচ্ছে। সেখানকার হিউভোম হিলিং সেন্টার এই পরিষেবা প্রদান করে এবং এর মূল উদ্দেশ্য মৃত্যুর অভিজ্ঞতা অর্জন করানো এবং জীবনের মূল্য বুঝতে পারা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা