kalerkantho

সোমবার । ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১১ রবিউস সানি ১৪৪১     

হিজড়াদের প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকার নিয়ে অ্যাডভোকেসি সভা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১২ নভেম্বর, ২০১৯ ২২:৪৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হিজড়াদের প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকার নিয়ে অ্যাডভোকেসি সভা

হিজড়া জনগোষ্ঠীকে নিয়ে প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকার বিষয়ক অ্যাডভোকেসি সভা করেছে বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা সমিতি (এফপিএবি)। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর নয়াপল্টনে এফপিএবি জাতীয় কার্যালয়ে অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এফপিএবি'র নির্বাহী পরিচালক খোন্দকার মো. আসাদুজ্জামান। সভায় এফপিএবি-র কর্মকর্তাবৃন্দসহ ইউএসএআইডি, সেরাক-বাংলাদেশ, ব্রাক, পদ্মকুঁড়ি, বন্ধু সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটি, টিডিএইচ নেদারল্যান্ড, সুস্থ জীবন, লাইটহাউস, সাদাকালো, বাংলাদেশ সেক্স ওয়ার্কার নেটওয়ার্ক, অবয়ব ও বিডিএইচ নেপাল-এর প্রতিনিধিগণও উপস্থিত ছিলেন। 

সভায় প্রতিনিধিবৃন্দ বলেন, আমাদের দেশে হিজড়া জনগোষ্ঠী বেশ অবহেলিত। বাংলাদেশ সরকার এ বিষয়ে কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তবে সেটা একেবারেই কম। সরকার সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে কিছু সংখ্যক হিজড়াকে প্রশিক্ষণ বা কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করলেও মানুষের দৃষ্টিভঙ্গির কারণে তারা কর্মস্থলে কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন না। আবার অনেক হিজড়া তাদের জন্য রাষ্ট্রের যে সুযোগ-সুবিধা আছে তা জানেনই না। 

তাছাড়া প্রশিক্ষণ শেষে যে অর্থ ঋণ হিসেবে তাদের দেওয়া হয়, তা খুবই সামান্য। যা দিয়ে প্রশিক্ষণ শেষে একজন উদ্যোক্তা হিসেবে কাজ শুরু করা যায় না। তবে আলোচনার মাধ্যমে হিজড়া জনগোষ্ঠীদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও কর্মসূচি প্রণয়নের বিষয়ে সভায় বিশেষভাবে জোর দেওয়া হয়। 

সভায় বক্তারা আরো বলেন, তৃতীয় লিঙ্গ হিসেবে হিজড়া জনগোষ্ঠী স্বীকৃতি পেলেও তা সাংবিধানিকভাবে পূর্ণতা পায়নি। আবার যতটুকু স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে তার মধ্যেও সীমাবদ্ধতা রয়েছে। ব্যাংক ঋণ দেওয়ার বিধান থাকলেও তারা ঋণ সুবিধা পাচ্ছেন না। 

তারা বলেন, প্রত্যেকেরই যার যার অবস্থান থেকে দৃষ্টিভঙ্গি ও আচরণের পরিবর্তন করা প্রয়োজন। তাছাড়া প্রতিবন্ধী কল্যাণ তহবিলের মতো হিজড়াদেরও একটি কল্যাণ তহবিল থাকা প্রয়োজন বলে সভায় আলোচকরা মত প্রকাশ করেন। বক্তারা যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকার এবং শিক্ষার ব্যবস্থা নিশ্চিত করার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। হিজড়াদের নিয়ে বিভিন্ন সভায় আলোচনা হয় কিন্তুু আলোচনার বিষয়বস্তু সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ বা নীতিনির্ধারকদের নিকট পৌঁছায় না। সুতরাং আজকের সভার সুপারিশমালা সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও নীতিনির্ধারকদের নিকট পৌঁছাবে বলে সভায় আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।    

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা